Latest post
বরিশালে জমে উঠছে বেচাকেনা, মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি
বরিশালে কদর বেড়েছে তেঁতুল গাছের খাটিয়ার
বরিশাল নগরীর সাগরদীতে ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৪
Popular Posts
The first day’s journey was through the pink fields
(1266)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1196)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1189)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(382)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(325)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
জাতীয়
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
সারাদেশ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
রাজশাহী
খুলনা
বরিশাল
সিলেট
ময়মনসিংহ
রংপুর
রাজনীতি
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
আন্তর্জাতিক
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
খেলাধুলা
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
প্রশাসন
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
বিনোদন
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
ছবিঘর
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
ভিডিও
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। সোমবার (৪ মে) পানি কিছুটা কমায় ও দিনভর হালকা রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। যেসব ধান কাটার পর রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল এসব ধান কিছুটা হলেও শোকাতে পাড়ছেন কৃষকরা। হাওরে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাসতে শুরু করছে পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান।
কৃষকরা জানান, এক সপ্তাহ পর আজ কিছুটা রোদে ধান শোকানো গেছে। যেসব কৃষক কষ্ট করে বুকসমান পানি থেকে ধান কেটে এনেছিলেন তাদের ধান রোদের অভাবে নষ্ট হচ্ছিল। অনেক ধান থেকে চারা গজিয়েছে। এক সপ্তাহ পর রোদে ধান শোকাতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন তারা। তবে বেশিরভাগ ধান হাওরের পানির নিচে তলিয়ে আছে। জেলায় অন্তত ২০ হাজার কৃষক একেবারে ধান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ২৫৯৭ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫০০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘী, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। পানি কিছুটা নামতে শুরু করায় কিছু কিছু এলকায় ধান ভাসতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ পর রোদের দেখা পাওয়ায় ধানের ঢিবি থেকে রোদে শোকাতে দিয়েছেন।
কৃষকরা বলেন, কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা সবসময় প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এড়িয়ে যায়। হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে ৮৮ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে হাওরে। অনেক মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ কেউ এনজিওর ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এসব কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কৃষক কামাল আহমেদ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় একসপ্তাহ ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে থাকায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা ধান কেটেছিলেন তরা শোকাতে পারেননি। আজ সকালে বৃষ্টির পর কিছুটা রোদ উঠেছে। হাওরের পানিও কমতে শুরু করেছে তবে ধান নষ্ট হয়ে গেছে একেবারে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় ২ হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। তবে প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
Category: সিলেট
Home
সিলেট
DSS_admin_01
May 5, 2026
0 sec read
101
একটু রোদে স্বস্তি, তবে ধান হারিয়ে দিশেহারা কৃষক
DSS_admin_01
May 3, 2026
3 sec read
92
রোববার শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, আলোচ্য বিষয় হিসেবে যা যা থাকছে
Popular Post
The first day’s journey was through the pink fields
(1266)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1196)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1189)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(382)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(325)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
haze
26
℃
35º - 24º
humidity:
63%
wind:
8 km/h
33
℃
Wed
34
℃
Thu
32
℃
Fri
33
℃
Sat
35
℃
Sun
35
℃
Mon
Hello world!
A WordPress Commenter
2 May 2026
Pic of the week: Sunset at margate beach
Eftakher Alam
16 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
Hello world!
Pic of the week: Sunset at margate beach
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields