Latest post
বাকেরগঞ্জে প্রাইমারী হেডমাস্টারের বিরূদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
নলছিটিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্র গুরুতর আহত
উজিরপুরে ৩ কেজি গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্র সহ নারী গ্রেপ্তার, ডিলার পলাতক
Popular Posts
The first day’s journey was through the pink fields
(1282)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1218)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1205)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(420)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(361)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
জাতীয়
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
সারাদেশ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
রাজশাহী
খুলনা
বরিশাল
সিলেট
ময়মনসিংহ
রংপুর
রাজনীতি
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
খেলাধুলা
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
প্রশাসন
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
বিনোদন
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
ছবিঘর
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
ভিডিও
বৃষ্টি ম্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।
গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট। স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল্যান্ড ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বৃষ্টির আগে-পরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।
এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।
ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।
Category: খেলাধুলা
Home
খেলাধুলা
DSS_admin_01
May 3, 2026
4 sec read
163
ডিএলএসের ছোঁয়ায় শেষ হাসি ম্লান
DSS_admin_01
May 3, 2026
4 sec read
141
পিএসএলে শিরোপার লড়াই আজ: জালমির অভিজ্ঞতা বনাম কিংসম্যানের স্বপ্ন
DSS_admin_01
May 3, 2026
2 sec read
181
শিরোপা এখন হাতের মুঠোয় বার্সেলোনার
DSS_admin_01
May 3, 2026
2 sec read
177
তিন মৌসুম পর বুন্দেসলিগায় ফিরল ৭ বারের জার্মান চ্যাম্পিয়নরা
DSS_admin_01
May 3, 2026
3 sec read
175
৩ গোলে লিড নিয়েও হারল মেসির মায়ামি
Popular Post
The first day’s journey was through the pink fields
(1282)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1218)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1205)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(420)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(361)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
overcast clouds
27
℃
34º - 26º
humidity:
57%
wind:
6 km/h
33
℃
Mon
34
℃
Tue
34
℃
Wed
32
℃
Thu
32
℃
Fri
32
℃
Sat
Hello world!
A WordPress Commenter
2 May 2026
Pic of the week: Sunset at margate beach
Eftakher Alam
16 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
Hello world!
Pic of the week: Sunset at margate beach
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields