TT Ads

 

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বরিশালে পশুর হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। বেচাকেনাও চলছে, তবে এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর। বিশেষ করে তিন থেকে পাঁচ মণ ওজনের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে দরদাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, এবার সব ধরনের গরুর দামই তুলনামূলক বেশি হাঁকানো হচ্ছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দামবৃদ্ধি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরুর দামও বেড়েছে।

বরিশ‍াল সদর ‍উপজেলার চরমোনাই, সুগন্ধা  পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি গরুর বেচাকেনা শুরু হলেও বড় গরুর বাজার এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি। তবে বড় গরুর ক্রেতারা হাটে এসে গরু দেখছেন, দাম যাচাই করছেন।

আমতলী থেকে আসা পাইকারি বেপারী মনির হোসেন জানান, তিনি এবার ১৫টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনটি গরু বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, বাজারে এখন মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। দামও মোটামুটি ভালো পাওয়া যাচ্ছে।

খুলনা থেকে আসা বেপারী হোচেন মিয়া বলেন, হাটে ক্রেতা আসতে শুরু করেছেন, অনেকে কিনছেনও। দাম খুব বেশি ভালো না, আবার খারাপও না। খরচের তুলনায় মাঝামাঝি দাম পাওয়া যাচ্ছে। এখন ক্রেতা বাড়ছে, এটিই ইতিবাচক দিক।

অন্যদিকে পিরোজপুর থেকে বড় তিনটি গরু নিয়ে আসা হোসাইন জানান, এখন পর্যন্ত তিনি কোনো গরু বিক্রি করতে পারেননি। তিনি বলেন, ক্রেতারা এখন কম দাম বলছেন। হয়তো বাজার যাচাই করছেন। বড় গরু সাধারণত ঈদের এক-দুই দিন আগে বেশি বিক্রি হয়। ২৬ তারিখের পর বড় গরুর বিক্রি বাড়তে পারে। তবে এবার গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় ভালো দাম না পেলে লোকসান গুণতে হবে।

দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারাও। চরমোনাই হাটে গরু দেখতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, বেপারীরা এবার অনেক বেশি দাম বলছেন। সবাই গো-খাদ্যের দাম বাড়ার কথা বলছেন। আমরা দুই পরিবারের জন্য দুটি গরু কিনতে এসেছি। একটি মাঝারি গরু কিনেছি, আরেকটি কিনতে চাই। কিন্তু যেখানে যাচ্ছি, দাম গতবারের তুলনায় অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে।

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *