Latest post
উত্তর আমানতগঞ্জ সিকদার পাড়া জামে মসজিদের ৩১৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
“এডিবি প্রকল্পে টেন্ডার কারসাজির অভিযোগ, সিএকে শোকজ”
আপনি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার! ভুক্তভোগী নারীকে থানার ওসির মন্তব্য
Popular Posts
The first day’s journey was through the pink fields
(1286)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1224)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1210)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(434)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(371)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
জাতীয়
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
সারাদেশ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
রাজশাহী
খুলনা
বরিশাল
সিলেট
ময়মনসিংহ
রংপুর
রাজনীতি
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
খেলাধুলা
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
প্রশাসন
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
বিনোদন
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
ছবিঘর
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
ভিডিও
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) তিনটি প্রকল্পের কাজে উপজেলা পরিষদের সিএ (সাট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর) ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সিএকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে এই বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ জানান। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার এডিবি প্রকল্পের কাজ উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ উপজেলা নাজিরপুরের ঠিকাদারদের অসাধু উপায়ে পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঠিকাদাররা জানান, এই প্রকল্পের কাজের দরপত্রে পিরোজপুর জেলার সব লাইসেন্সধারী ঠিকাদারের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত লটারিতে জিয়ানগর উপজেলার কোনো ঠিকাদারের লাইসেন্স ছিল না। উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাত তাঁর নিজ এলাকার পছন্দের ঠিকাদারকে অসদুপায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এলজিইডির পাসওয়ার্ড এই কর্মচারীর কাছে থাকার কোনো বৈধতা নেই। এরপরও কীভাবে তিনি সরকারি একটি দপ্তরের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকাদাররা। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এই ঘটনায় জিয়ানগর উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ঠিকাদাররা ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার পর ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সিএ ইয়াসির আরাফাতকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, এডিবি প্রকল্পের মূল কথা ছিল জিয়ানগর উপজেলায় যেসব লাইসেন্স আছে, সেগুলো এসডিয়ারের মাধ্যমে লটারি করে কাজ বণ্টন করা হবে। কিন্তু সিএ আরাফাত সেখানে জালিয়াতি করে জিয়ানগর উপজেলার কোনো লাইসেন্স চূড়ান্ত লটারির জন্য না রেখে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মেসার্স হাওলাদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন অভিযোগ করেন, এই আরাফাত এর আগেও নাজিরপুর উপজেলায় একাধিক দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আরাফাত জিয়ানগরে এসেও একই কাজ শুরু করেছেন। তিনি অবৈধভাবে অন্যকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এলজিইডির জিয়ানগর উপজেলা প্রকৌশলী এমরান আহম্মেদ খান বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দরপত্রের কার্যক্রমটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের কাজে এরকম কম-বেশি ভুল হতে পারে। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ই-জিপিতে (e-GP) যে দরপত্রটি হয়েছিল, সেখানে স্থানীয় কোনো ঠিকাদার বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন পাননি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিয়ানগর উপজেলার সব যোগ্য ঠিকাদারের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকার কথা। ঠিকাদারদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হলে সাবেক নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সিএ ও বর্তমানে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সিএ আরাফাত হোসেনের সংশ্লিষ্টতা ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধিবিধান ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও সম্পন্ন করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের সিএ ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নাজিরপুরেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ওই সব দুর্নীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে নাজিরপুর থেকে জিয়ানগরে বদলি করা হয়েছিল।
Category: পিরোজপুর
Home
পিরোজপুর
DSS_admin_02
June 19, 2026
3 sec read
35
“এডিবি প্রকল্পে টেন্ডার কারসাজির অভিযোগ, সিএকে শোকজ”
DSS_admin_02
June 15, 2026
1 sec read
38
চাঞ্চল্যকর নমিতা রানী হত্যা মামলার মূলহোতা ও পুত্রবধূর পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত গ্রেফতার
DSS_admin_02
June 14, 2026
1 sec read
24
মঠবাড়িয়ায় ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
DSS_admin_01
May 5, 2026
2 sec read
152
গিনেস বুকে নাম লেখালেন পিরোজপুরের সিফাত
Popular Post
The first day’s journey was through the pink fields
(1286)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1224)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1210)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(434)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(371)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
broken clouds
33
℃
35º - 27º
humidity:
56%
wind:
7 km/h
33
℃
Sun
33
℃
Mon
32
℃
Tue
33
℃
Wed
32
℃
Thu
33
℃
Fri
Hello world!
A WordPress Commenter
2 May 2026
Pic of the week: Sunset at margate beach
Eftakher Alam
16 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
Hello world!
Pic of the week: Sunset at margate beach
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields