Latest post
চাঞ্চল্যকর নমিতা রানী হত্যা মামলার মূলহোতা ও পুত্রবধূর পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত গ্রেফতার
বরিশালে ১৩ ব্যারেল রেণু পোনা জব্দ, নদীতে অবমুক্ত
মেহেন্দীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
Popular Posts
The first day’s journey was through the pink fields
(1284)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1220)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1207)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(430)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(369)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Stay Connected
TT Ads
প্রচ্ছদ
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
জাতীয়
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
সারাদেশ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
রাজশাহী
খুলনা
বরিশাল
সিলেট
ময়মনসিংহ
রংপুর
রাজনীতি
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
আন্তর্জাতিক
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
খেলাধুলা
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
প্রশাসন
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
বিনোদন
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
ছবিঘর
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
ভিডিও
আসাদুজ্জামান শেখঃ বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিমি আক্তার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার ভেতরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও, এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা থাকতে পারে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রিমি, যেকোনো সময় লাইফ সাপোর্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আহত রিমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু। উপর থেকে পড়ার কারণে তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় যেকোনো মুহূর্তে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আহত রিমি আক্তার বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাটি গ্রামের দিনমজুর মাসুদ হাওলাদারের মেয়ে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। পরিবার ও মায়ের দাবি নেপথ্যে 'ক্যাপ্টেন' পদের দ্বন্দ্ব রিমির মা রেশমা বেগম এই ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, আমার মেয়েটা খুবই ভালো ও শান্ত স্বভাবের। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসার 'ক্যাপ্টেন' পদ নিয়ে অন্য ছাত্রীদের সাথে ওর তুমুল দ্বন্দ্ব চলছিল। আফিয়া নামের এক ছাত্রী এবং মাদ্রাসার শিক্ষিকারা সব কিছু জানেন। আমাদের জানানো হয়েছিল রিমি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে আত্মহত্যা করবে? আজ (শনিবার) তো তার স্বাভাবিকভাবে বাড়ি আসার কথা ছিল। তিনি আরও যোগ করেন,আমাদের জানামতে ওর কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য কোনো জটিলতা ছিল না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে দায় এড়াতে চাইছে। আমাদের সন্দেহ—এটা আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু আছে। আমরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থী হাসপাতালের শয্যায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও তার পাশে মাদ্রাসার কোনো নারী শিক্ষক বা দায়িত্বশীল গভর্নিং বডির কাউকে দেখা যায়নি। হাসপাতালে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট একজন পুরুষ শিক্ষককে তদারকি করতে দেখা গেলেও, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা পুরো ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য এই বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়নি। ওসি বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে ছিল না। তবে লোকমুখে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর আমরা এর সত্যতা ও পেছনের মূল কারণ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোন্দল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে—তা উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রিমির পরিবার ও এলাকাবাসী।
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
DSS_admin_02
May 23, 2026
3 sec read
90
চরমোনাইয়ে মাদ্রাসা ভবনের ৬ তলা থেকে লাফিয়ে ছাত্রীর ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ নাকি হত্যাচেষ্টা? রহস্যের দানা বাঁধছে
DSS_admin_02
May 23, 2026
0 sec read
87
মাদকবিরোধী অভিযানে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বরিশালে পুলিশকে কুপিয়ে জখম করলেন শ্রমিকদল নেতা!
DSS_admin_02
May 21, 2026
1 sec read
83
বরিশালে এক কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি আটক
DSS_admin_02
May 21, 2026
3 sec read
84
এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বরিশালে ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা
DSS_admin_02
May 19, 2026
1 sec read
99
বরিশাল-ঢাকা লঞ্চে তরুণী ধর্ষণ, অভিযুক্ত সৌরভ কারাগারে
DSS_admin_02
May 18, 2026
4 sec read
90
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কায় বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু
DSS_admin_02
May 18, 2026
3 sec read
83
বাবুগঞ্জ ইউএনও অফিসে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর দাপট,৮ বছর ধরে অঘোষিত নিয়ন্ত্রক দিপক
DSS_admin_02
May 17, 2026
1 sec read
93
বরিশাল মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন রহমাতুল্লাহ
DSS_admin_02
May 16, 2026
1 sec read
105
কাউনিয়ায় ২৭১ পিস ইয়াবাসহ নারীসহ চারজন গ্রেপ্তার
DSS_admin_02
May 7, 2026
1 sec read
430
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
Prev.
1
2
3
4
5
Next
Popular Post
The first day’s journey was through the pink fields
(1284)
DSS_admin_01
November 21, 2016
Malaysia bans ‘Despacito’ on state radio, TV due to lyrics
(1220)
DSS_admin_01
May 20, 2017
Bhutanese Food: 25 Best Dishes To Eat When You’re In Bhutan!
(1207)
DSS_admin_01
April 20, 2017
বারবার বৈষম্যের শিকার ডিআইজি গোলাম রউফ, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকা ঘিরে তোলপাড়
(430)
DSS_admin_02
May 7, 2026
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
(369)
DSS_admin_02
May 8, 2026
Newsletter
Weather
Dhaka
overcast clouds
27
℃
35º - 27º
humidity:
55%
wind:
6 km/h
31
℃
Sat
34
℃
Sun
32
℃
Mon
32
℃
Tue
34
℃
Wed
32
℃
Thu
Hello world!
A WordPress Commenter
2 May 2026
Pic of the week: Sunset at margate beach
Eftakher Alam
16 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
The first day’s journey was through the pink fields
trendymag
11 Jul 2017
Hello world!
Pic of the week: Sunset at margate beach
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields
The first day’s journey was through the pink fields