TT Ads

 

আসাদুজ্জামান শেখ // বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়ন বকশির চরে আত্মঘাতী ড্রেজার দিয়ে ফসলি জমি নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে সজল ওরফে-ব্লাক সজলের বিরুদ্ধে।

সজল সম্বন্ধে জানা যায় বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদ পাশা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। তৎকালীন ফেসিস্ট সরকারের আমলে মাদক,নারী,অবৈধ দখলবাজ সহ সব ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত ছিল এই সজল। তার রয়েছে চোরা গ্যাং ও কিশোর গ্যাং এবং মাদক বিক্রির লোকজন। সজলের কর্মকান্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তাকে সহযোগিতায় রয়েছে শামীম।

শামীম সম্বন্ধে জানা যায় তার বাড়ি চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশির চরে। সজল এবং মাদক কারবারি জমি দখল এই সমস্ত লোকদের সাথে রয়েছে শামীমের সখ্যতা। শামীম স্বীকার করেন সজলের সাথে তার সখ্যতার কথা। আরো বলেন আমি আত্মঘাতী ড্রেজারের মালিক নই জমির মালিকও নই। প্রতিদিন ৮শত টাকা বেতনে দুইটি ড্রেজার চালাই এবং আমার সাথে আরও তিনজন লেবার রয়েছে। সমস্ত কিছুর মালিক এবং দিকনির্দেশকই সজল ওরফে ব্ল্যাক সজল। ড্রেজারের মাটি কাটার পর কোথায় বিক্রি করা হয় এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন এক ঠিকাদারের কাছে সজল মাটি বিক্রি করেছে।

স্থানীয় এলাকার একাধিক কৃষক আত্মঘাতিক ড্রেজার যখন লাগায় তখন সজল এবং শামীমকে একাধিকবার নিষেধ করেন। কৃষকরা বলেন আমরা অনেকবার নিষেধ করেছি কিন্তু তারা আমাদের কোন কথায় কর্নপাত না করে আত্মঘাতী ড্রেজার লাগিয়ে চড়া দামে মাটি বিক্রি করছে।এভাবে চলতে থাকলে এক সময় আমাদের ফসলের জমি আর থাকবে না। রাতদিন সমান-তালে চালাচ্ছে এই আত্মঘাতী ড্রেজার। যার ফলে আমাদের আশপাশের ফসলি জমি রয়েছে হুমকির মুখে। স্থানীয়রা এবং কৃষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন ওদের সাথে এখন গ্যাঞ্জাম করা লাগে কিন্তু আমরা গরিব মানুষ ওদের সাথে পারবোনা। আপনারা আমাদের জন্য কিছু একটা করেন। ওরা খুব প্রতাপশালী ও ধান্দাবাজ অসৎ প্রকৃতির লোক।ওদের রয়েছে অবৈধ কারি কারি টাকা।

মুঠো ফোনে সজলকে একাধিকবার ফোন দিলে অনেকবার তা বাজলেও রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় তথ্যদাতা বলেন সজলরা এর আগে বাবুগঞ্জে আত্মঘাতি ড্রেজার লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং নষ্ট করেছে অনেক ফসলি জমি। যার খেসারত দিতে হয় গরিব কৃষকদের। যে জমিতে আত্মঘাতী ড্রেজার লাগিয়েছে সেই জমির মালিক আবুল বাসার। তিনি নাকি একজন ঠিকাদার। বাড়ি কাশিপুর ইউনিয়নে। মুঠোফোন নাম্বার না পাওয়ার কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমরা তথ্য পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নিব। ছার পাবে না অবৈধ ড্রেজার মালিকও পরিচালনাকারী।

TT Ads