বরিশাল নদী বন্দরের অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। এসময় তিনি নদী বন্দর ব্যবহাকারীদের আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় বরিশাল নদী বন্দর পরিদর্শনকালে এই অভিমত প্রকাশ করেন গোলাম সাদেক। সেসময় বন্দরের নোংরা পরিবেশসহ বিভিন্ন অবস্থাপনা দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ২ বিলিয়ন ঘনমিটার পলি নদীর পানিতে ভেসে আসে। দেশের ১০ হাজার কিলোমিটার নদীপথ সচল রাখতে প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ কোটি ঘনমিটার পলি ড্রেজিং প্রয়োজন। সেই তুলনায় বর্তমানে খুব জোর ৭ কোটি ঘনমিটার ড্রেজিং করা সম্ভব।

গত অর্থবছরে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি ঘন মিটার অপসারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ড্রেজিংয়ে কোন অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র উপ পরিচালক (বন্দর বিভাগ) আজমল হুদা মিঠু, বরিশালের বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমূখ।

কীর্তনখোলা নেভিগেশন কোম্পানির প্রোপ্রাইটর ( কীর্তনখোলা লঞ্চ মালিক) মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌসের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছে।

 

১৭ জানুয়ারী রোববার বরিশালের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করলে ভারপ্রাপ্ত বিচারক শামীম আহমেদ পিবিআই কে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।

 

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সেলিম হাওলাদার জানায়, ফেরদৌসের বাড়ি বরিশাল নগরীর বিরুদ্ধে নবগ্রাম রোডস্থ হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন একই এলাকার বাসিন্দা লুতফুর রহমান।

 

অভিযোগে তিনি বলেন অভিযুক্ত ফেরদৌস তার পূর্ব পরিচিত এবং বরিশাল পাবলিক হেলথ এর ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার। সে ঠিকাদারি কাজে টাকা ধার নিয়ে ফেরত দিয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রতারণায় মাতছে।

 

তিনি গভীর নলকুপ বসানোর টেন্ডার পাওয়ার কথা বলে কাজ শুরু করতে লুতফুরের কাছে ৮ লাখ টাকা ধার চায়। ১৯৯৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার কুতুবউদ্দিন আহমেদ এর বাসায় বসে বিল পেয়ে লভ্যাংশ সহ ফেরত দেয়ার শর্তে ৮ লাখ টাকা ধার নেয়।

 

 

নির্ধারিত মেয়াদ শেষে তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে সে দেইদিচ্ছি বলে ঘুরাতে থাকে। শালিস মিমাংসা হলে সেখানেও সে টাকা ফেরত দেয়ার অংগীকার করে। পরবর্তীতে আবারও টালবাহানা করে। গত ৪ জানুয়ারী টাকা ফেরত চাইলে সে অস্বীকার করে। এধরণের অভিযোগ দেয়া হলে আদালত ওই আদেশ দেন।

বরিশাল নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের শেরে বাংলা সড়কের মা মঞ্জিলের বাসিন্দা ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস বেগমকে কুপিয়ে হত্যার কর দীর্ঘ ৭টি বছর বরিশালের বাহিরের বিভিন্নস্থানে ছদ্ম নাম ব্যবহার পালিয়ে রক্ষা পেলনা আসামী আলম শরীফ অবশেষে এয়ারপোর্ট থানা (বিএমপি) একদল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে।

 

আজ সোমবার (১৮ই) জানুয়ারী ভোর রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহি বিলাশবহুল লঞ্চ এমভি ফারহান লঞ্চ থেকে গ্রেফতার করেন এয়ারপোর্ট থানার এ.এস আই আঃ রাজ্জাক, এ.এসআই কামাল হোসেন ও এ.এসআই মাহমুদ।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায় ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বিলকিস বেগমের ভাসুর মোঃ আলম শরীফ বিলকিস বেগমের ব্যাংকের চেক চুরি করে সেখানে ১লক্ষ টাকা লিখে এনে বিলকিসকে স্বাক্ষর করতে বলে আলম শরীফ।

 

এক প্রর্যায়ে ভাসুর আলম শরীফ ও ছোট ভাই ছালাম শরীফ বাদশার স্ত্রী বিলকিসের সাথে কতা কাটাকাটির এক প্রর্যায়ে ভাতিজা ইমন শরীফ (১৪) এর সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বিভিন্নস্থানে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।

 

পরবর্তীতে বিলকিস বেগমকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইতে ৫১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করে বিলকিস বেগম।

 

এঘটনায় বিলকিসের পিতা মোফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে এক মাত্র আলম শরীফকে আসামী করে (বিএমপি) এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

আলম শরীফ সেই থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে নিজের নাম পরিচয় ও ভোটার আইডি কার্ড পরিবর্তন করে পলিয়ে জীবন যাপন করছিলেন।

 

এদিকের সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী ছেলে ইমন শরীফ বলেন তার মা হত্যা হওয়ার মামলা তুলে নিতে আসামীর পক্ষ থেকে তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।

 

সোমবার দুপুরে আলম শরীফকে আদালতে সোপর্দ করার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে এয়ারপোর্ট থানা থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ১২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এরা হলেন, বরিশাল জেলার বরিশাল সদর থানাধীন কাশিপুর এলাকার মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে ও গাড়ীর চালক কবির হোসেন (৪৯) ও একই এলাকার শাহীদ হাওলাদারের ছেলে গাড়ীর হেলপার আকাশ হাওলাদার (২২)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। এ সময় অন্য তিন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। সোমবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা শেষে নারায়ণগঞ্জের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত রোববার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় পুরিন্দা বাজার এলাকার্স্থ রতন বেপারীর মালিকানাধীন সততা মার্কেটের বিজয় সু-স্টোরের সামনে গাড়ীটি গতিরোধ করে পুলিশ তাদের আটক করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেট্রো-ট-২০৫৪২৮ নাম্বারের একটি ট্রাকে বোঝাই করে নিষিদ্ধ পলিথিন ঢাকার চকবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আড়াইহাজার থানাধীন পুরিন্দা বাজার এলাকায় ট্রাকের গতিরোধ করা হয়। এ সময় গাড়ীতে থাকা পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে তিন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

পরে তল্লাশী করে ১২ হাজার কেজি পলিথিন উদ্ধার করাসহ গাড়ীটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় পাঁচ ব্যক্তির নামে মামলা করা হয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের বন্দর বাজারের মেসার্স সততা মৎস্য আড়ৎ’র স্বত্বাধিকারী ও মাদক ব্যবসায়ী সত্যরঞ্জন সরকার সোমবার (১৮জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের অভিযানে আটক হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে সে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বন্দর বাজারে বসেই মাছের সাথে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তার কাছ থেকে ১শত ৮০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৯০ হাজার টাকা জব্দ করেন অভিযান টিম।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল সার্কেলের পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদার, উপ-পরিদর্শক খন্দকার জাফর আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী উপ-পরিদর্শক ফারুক হোসেন, সাইদুল ইসলাম ও কনস্টেবল আব্দুল আজিজ খান। টিমের সাথে সহযোগীতায় ছিলেন বানারীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক এসআই ওসমান গণির নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম।

সত্যকে আটকের পরে বরিশালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদার বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণীর ১০এর”ক” ধারায় সত্যের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হবে অভিযান টিম সূত্রে জানা যায়।

এদিকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী বানারীপাড়া পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদক ব্যবসায়ীরা মাথাচারা দিয়ে উঠেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবী করছে।

তাদের তথ্যমতে খোদ পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডেই মাদক ব্যবসায়ীরা ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে তাদের ব্যবসার পরিসর গড়ে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠছে।

প্রতিটি ওয়ার্ডেই রয়েছে একাধিক মাদক ব্যবসায়ী এমনটাই একটি অনুসন্ধ্যানের তথ্য সূত্রের মতামত। তবে ১নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি মাদকের পরিধি ছড়িয়ে রয়েছে বলে ওই অনুসন্ধ্যানের দাবী।

এই ওয়ার্ডটির চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক মাদক ব্যবসায়ী। ওয়ার্ডের খোদ রিক্সা স্ট্যান্ড যেখানটা সব সময় জনবহুল থাকে সেখানে বসেও মাদক বিকি-কিনি করা হয় বলে সূত্র থেকে জানা যায়।

তবে অনুসন্ধ্যানের তথ্যমতে কিছু কিছু রিক্সার চালকরা এ ব্যাবসা করছে। তারা বেশির ভাগ সময়ই নিজ গাড়িতে করে ভ্রাম্যমান বিক্রেতা বনে যায়।

এরকম অনেক ভ্রম্যমান মাদক বিক্রেতা রয়েছে পুরো উপজেলা জুরে এমনটাও জানা যায় ওই সূত্রের আরেকটি তথ্যে।

উল্লেখ্য বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়া সত্যের বাড়িও পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে। এভাবে করে মাদকের বিস্তারে উপজেলার অনেক পরিবারের সন্তানরা সুন্দর জীবন থেকে বেড়িয়ে এক অজানা আতঙ্কিত জীবনে পা-দিয়ে দিশেহারা হয়ে আজ ভবঘুরে হয়ে পরেছে।

সেই সমস্ত পরিবারের সাথে কথা হয় অনুসন্ধান করা টিমের সঙ্গে। তারা জানান একটি পরিবারের কোন সন্তান যদি মাদক সেবনে আসক্ত হয়ে যায়, সেখান থেকে তাকে ফিরিয়ে আনাটা যে কত কষ্টের ও বেদনার তা ভূক্তভোগীরা ছাড়া অন্য কেহই উপলব্ধি করতে পারবেনা।

পরিবারে একজন মাদকসেবী থাকলে সেই পরিবারটির ভিতরকার অবস্থা ছন্নছাড়া হয়ে যায়। তাই ওই সমস্ত পরিবারের দাবী মাদকের বিষয়ে প্রতিনিয়ত বিশেষ অভিযান অব্যহত রেখে সমাজ থেকে ব্যবসায়ীদের চিরতরে বিতারিত করে দেয়ার অথবা মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বাড়িতে লিখে দেয়া হোক যে, এই বাড়িটি সমাজের একজন ঘৃনিত লোকের যেকিনা মাদক ব্যবসা করছে।

শামীম আহমেদ ॥ জনগনের প্রত্যাশা পূরনে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন করা হয়েছে।

 

আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারী) বেলা ১২ টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান এ পিকআপ গুলো হস্তান্তর করেন।এর মধ্যে কোতয়ালী থানায় ২ টি, কাউনিয়া থানায় ১ টি ও মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে ১ টি সহ মোট ৪ টি পিকআপ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

এ সময় বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেন, জনগনের কাংক্ষিত সেবা অতি দ্রুত সময়ের মধ্য নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।এই পিকআপ গুলো ব্যাবহার করে অতিদ্রুততার সাথে জনগনের কাছে পুলিশি সেবা পৌছে দিতে হবে।

 

মনে রাখতে হবে আমরা বৃটিশ বা পাকিস্তানি পুলিশ নই।আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের পুলিশ। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের জনগনের প্রত্যাশার পুলিশ।সুতরাং জনগনের কাছে সত্যিকারার্থে নির্ভেজাল সেবা পৌছে দেওয়াটাই আমাদের সফলতা।

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম,উপ-পুলিশ কমিশনার(সদর দপ্তর)আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ,উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি)মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) রুনা লায়লা, সহকারী পুলিশ কমিশনার ষ্টাফ অফিসার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী,

সহকারী পুলিশ কমিশনার(ডিবি) মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম,কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম,কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিমুল করিম সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :: ঝালকাঠিতে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে বিয়ের শর্তে ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ। রোববার (১৭ জানুয়ারি) জামিন শুনানির নির্ধারিত দিনে আদালতে বাদী এবং আসামি উপস্থিত হলে বরপক্ষের অনুরোধে উভয়পক্ষকে বিয়ের শর্তে স্থায়ী জামিনের প্রস্তাব দেন জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ। প্রস্তাবে উভয়পক্ষ রাজি হলে রোববার দুপুরে দুপক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মো. সৈয়দ বশির। ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) আব্দুল মান্নান রসুল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৩ বছর আগে ঝালকাঠি সদর উপজেলার চরভাটারাকান্দা গ্রামের ওই তরুণীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি পলাতক ছিল। রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামির জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষ ভুক্তভোগী বিবাহের আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং মেয়েপক্ষও প্রস্তাবে রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালতের মধ্যেই ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহের নির্দেশ দেন।আদালত চত্বরে আসামি, ভিকটিম ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানি শেষে আসামির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।’

পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম জহির উদ্দিন স্বপনের বরিশাল নগরীর বাসভবনে দফায় দফায় হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপি নেতার অভিযোগ, হামলায় গৌরনদী বিএনপি ও ছাত্রদলের চার নেতা আহত হয়েছেন। এছাড়া বাসার টেবিল-চেয়ার ও আসবাব ভাঙচুর করা হয়েছে।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে জহির উদ্দিন স্বপনের নগরীর ভাটিখানার প্রথম গলির বাসভবনে দুই দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন- গৌরনদী বিএনপির শামসুল আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন এবং ছাত্রদল নেতা হাফিজুল ইসলাম ও তুহিন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শোকসভায় অংশ নিতে তিনি শনিবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা থেকে বরিশালে আসেন। এ খবর শুনে রোববার বেলা ১১টার দিকে তার বাসায় আসেন গৌরনদী পৌর নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নানসহ গৌরনদী বিএনপি ও ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী। এরপর বাসভবনে বসে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। হঠাৎ দুপুর ১টার দিকে ১০-১২টি মোটরসাইকেলে করে গৌরনদী পৌর নির্বাচনের আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর ২০-২৫ জন কর্মী-সমর্থক বাসভবনে প্রবেশ করে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন।

 

এ ঘটনার ঘণ্টাখানেক পরে ফের তারা হামলা চালান। এসময় তাদের কাছে রামদা ও ধারালো অস্ত্র ছিল। হমলাকারীরা বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মারধর করেন।

তারা যাওয়ার আগে গৌরনদী পৌর নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. ফরহাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেন। তাছাড়া হামলাকারীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের তিনটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নিয়ে যান।

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, গত সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা করায় তিনি তার নিজ এলাকা গৌরনদীতে যেতে পারছেন না। সেখানে গেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা হামলা করছেন। এ অবস্থার কারণে তিনি বরিশাল নগরীর বাসায় গৌরনদী বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেও হামলা করা হলো। বিষয়টি নিন্দনীয়।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘গৌরনদী পৌর নির্বাচনে বিএনপিকে দূরে রাখতে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ভোট ডাকাতির নীলনকশা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।’

 

বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম জানান, ঝামেলার খবর শুনে জহির উদ্দিন স্বপনের বাসায় পুলিশ গিয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে স্বপনের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গৌরনদী পৌরসভা নির্বাচন আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ ও বিএনপির প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঘর ছেড়ে যাওয়া বিদ্রোহী স্ত্রীর সাথে ফেসবুক লাইভে নিজের ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত এবং ফিরে আসার আকুতি জানিয়ে সায় না পাওয়ায় জ্যোতি নামক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার দিবাগত রাত ২টায় রাগ-অনুরাগের অর্ধঘণ্টার স্বামী-স্ত্রীর এই বাতচিত শেষে ওই যুবককে মৃত অবস্থায় ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

কাউনিয়া জানুকিসিংহ সড়কের মুন্সিবাড়ির এই ট্রাজেডিময় ঘটনা ওই রাতেই জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর পুলিশ সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এক সময়কার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা প্রয়াত কাশেম মুন্সির পুত্র ৪৫ উর্ধ্ব যুবক জ্যোতি পেশায় কসমেটিক সরবরাহকারী। সেই সূত্রে ঢাকায় বসবাস অবস্থায় পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে সেখানকার এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে সন্তানসহ বাগিয়ে এনে বিবাহ করে। এর পর থেকেই এই দম্পতি কাউনিয়ার নিজ বাড়িতে বসবাস করলেও তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না, প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। পড়শীরা জানায়, অতি সম্প্রতি অভিমান কারে স্ত্রী সন্তানসহ ঢাকায় বাবার বাড়িতে চলে যায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে জ্যোতি ঘরে ফিরে একাকী অবস্থান করার একপর্যায় ফেসবুক ভিডিওকলে স্ত্রীর অভিমান ভাঙাতে প্রায় অর্ধঘণ্টা ডাক-চিৎকার দিয়ে কথা বলতে থাকেন। তার অনুরোধ ছিলো বরিশালে ফিরে আসার।

অনেকটা অভিনয়ের আদলে এ সময় জ্যোতি গলায় ফাঁস দিয়ে ফ্যানের সাথে টাঙিয়ে স্ত্রীকে নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার স্পর্শকাতর আলাপচারিতায় তাকে ফিরে আসার অনুরোধ রেখে চলছিলো। জ্যোতি তার নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ দৃশ্য লাইভ আকারে তখন প্রকাশ ও করে। কিন্তু জ্যোতির স্ত্রীর ধারনা ছিলো এ ধরনের কাহিনীর ইতিপূর্বে আশ্রয় নিয়ে তার মন দুর্বল করেছিল। এবারও বুঝি সেই কৌশল নিয়েছে। একপর্যায় জ্যোতির মানসিকতা মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করতে যাচ্ছে, অনুমান করে দ্রুত তিনি জ্যোতির পার্শ্ববর্তী নিকট আত্মীদের বিষয়টি জানায়। স্বজনরা খবর পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করলে ততক্ষণে যুবক সত্যিই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছে। ডাকাডাকিতে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখে ঘরের ফ্যানের সাথে জ্যোতির মৃতদেহ ঝুলছে।

নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে এই প্রতিবেদককে বলেন, জ্যোতির এটা দ্বিতীয় বিবাহ। এর আগে ঢাকায় থাকা অবস্থায় প্রভাবশালী একটি পরিবারের এক মেয়েকে বছর আট এক পূর্বে বিবাহ করেছিল। ওই ঘরে তার একটি কণ্যাসন্তান রয়েছে। সেই অবস্থায় প্রথমা স্ত্রীর অগোচরে পরকীয়া প্রেম অত:পর বিয়ে করলে তার ঢাকায় থাকা দায় হয়ে পড়ে। প্রথমা স্ত্রী সেচ্ছায় ডিভোর্স দিয়ে তার বিরুদ্ধে অবস্থান অন্যদিকে জনৈক এক পুলিশ সদস্য তার বউ বাগিয়ে নেওয়ায় তিনিও জ্যোতির পিছু নেয়। পরিস্থিতিগত কারণে এই যুবক দ্বিতীয় ও সেই ঘরের এক সন্তান নিজ এলাকা বরিশালে এসে স্থায়ী বসবাস শুরু করে। কিন্তু প্রেমের বিবাহে সুখের বদলে বিরহে প্রায়শই এই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো।

গত শনিবার গভীর রাতে শেষবারের মতো ফেসবুক লাইভে এসে সিনেমা স্টাইলে স্ত্রীকে ঘরে ফিরে আনার অভিনয়ের শেষান্তে সত্যিই মৃত্যুকে বেছে নিলেন, হয়তো স্বদিচ্ছায় নয়, অভিনয় করতে গিয়ে গলায় ফাঁস এটে মারা গেলেন কিনা তা নিয়ে চলছে এলাকায় কানাঘুষা। পুলিশ রোববার সকালে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে গতকালই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। বিকালে তার দাফন কাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু দুই স্ত্রীর কেউ মৃতদেহ দেখতে আসেনি।’

গত ০৬ জানুয়ারি ২০২১ দৈনিক বাংলাদেশ বাণীসহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা শিরােনামের সংবাদ বক্তব্য ভিন্নমত প্রসঙ্গে। মোঃ জসিম উনি খান, পিতা- মৃত আছমত আলী খান, ২৫নং ওয়ার্ড রুপাতলী, বরিশাল। আমি আব্দুল মান্নান এর নিজ

মালিকাধীন নগর প্লাজার কিছু স্টল ভাড়া নিয়ে একটি সানিটারী ও টাইলস এর
দোকান পরিচালনা করিয়া আসিতেছি জসিম উদ্দিন খান। গত ০১/১১/২০১৩
তারিখ এক চুক্তির মাধ্যমে মােঃ জসিম উদ্দিন খান ভাড়া নেয়। যাহার
মেয়াদ শেষ হয় ৩০/১০/২০১৭ইং তারিখ। যাহার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার
পরে আমার ও আমার ভাড়াটিয়া মােঃ জসিম খান এর মধ্যে পুনরায় চুক্তির
লক্ষে ৩টি স্ট্যাম্প ক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ভাড়াটিয়া জসিম উদ্দিন খান
স্ট্যাম্প নিজ জিম্মায় রেখে নতুন কোন চুক্তি করতে গড়িমসি করেন এবং সময়
মত ঠিক-ঠাক ভাড়া পরিশােধ না করে একটি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায়
১০/০৭/২০১৭ইং তারিখ একটি সাদা কাগজে আরেকটি চুক্তি হয় যাহাতে
উভয়ের স্বাক্ষর আছে। কিন্তু এই সাদা কাগজের চুক্তি মােঃ জসিম উদ্দিন খান
না মেনে জোড় জবর দখল কয়ে ভাড়া না দিয়ে আমার স্টল গুলােতে ব্যবসা
পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। যাহাতে করে তাহার নিকট অনেক টাকা পাওয়া
হয়। এবং পাওনা টাকা চাইতে গেলে আমাকে ০৯/০১/২০২০
তারিখ
রক্তাক্ত জখম করে এবং মোবাইল ছিনতাই করাসহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত
করে। পরবর্তী সময় আমার ছেলের কাছে টাকা চাওয়াসহ, প্রতারণা, হুমকি,
মানহানীকর গালিগালাজ শারীরিক নির্যাতন, টাকা ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন ভাবে
হুমকি দিয়ে আসিতেছে। অতপর ০৬/০১/২০২০ ইং তারিখে অত্র পত্রিকায়
আমার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে যে, আমি মােঃ জসিম খানকে জামাত
ইসলামী বাংলাদেশের একটি সদস্য পদে যােগদানসহ আরাে ৫০ জন সদস্য
দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। মূলত অত্র সংবাদটি মিথ্যা যা আমার নামে প্রকাশ
করিয়া আমার পাওনা টাকা আত্মসাৎ করিয়া পাতাৱা মাতৃ। তাহার বক্তব্যেই
প্রকাশ পায় যে আমাদের মধ্যে দোকান ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে একটি দ্বন্দ্ব চলমান
এবং বিজ্ঞ আদালতে বিভিন্ন মােকাদ্দমা চলমান রইয়াছে। বিভিন্ন ভাড়াটিয়া মাস্তান ধারা জসিম খান আমাকে ভয় দেখাই যা আমার ভাড়া দেওয়া স্টল না ছাড়িয়া
ও ভাড়া পরিশােধ না করিয়া জোর জবর দখল করিতেছে। প্রকৃতপক্ষে আমি
একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যাহা অর্জন স্বীকৃত। কিন্তু ইসলাম আমায় ধর্ম
বিদায় ইসলামিক নীতি অনুসরন করি। জসিম উদ্দিন খান এর সহিত আমার
দোকান ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের কারনে উক্তরুপ মিথ্যাচার করিতেছে। তাহার নিকট
হইতে আমি কখনাে কোন চুক্তির মাধ্যমে ২৯ লাখ টাকা গ্রহন করি নাই। সে অবৈধ ভাবে আমার স্টলে ব্যবসা পরিচালনা করে আসিতেছে।
দোকানে তালা বন্ধ করা ও বিদ্যুতের সংযোগ কাটার বিষয়ে মিথ্যাচার করে।
জসিম খান আমার সততার সুযােগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে টাকা
ধার বাবদ নিয়েছে। যা এখন পর্যন্ত পরিশােধ করে নাই। তদুপরি জসিম
আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা ও মিথ্যা অভিযােগ এনে অর্থ আত্নসাৎ ও অবৈধ
জবরদখল এর মতাে অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে।এমত অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে
আমার বিনীত আবেদন জসিম খানের নিকট হইতে আমার
পাওনা টাকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে আমার স্টল বুঝিয়া পাইতে পারি তা সুব্যবস্থার মর্জি
হন।
নিবেদক
আব্দুল মান্নান
পিতা- তানজের আলী
নগর প্লাজা, রুপাতলী বরিশাল।