মহালছড়ি উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. সোহেল মিয়া (৩৩) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ আগস্ট) সকালে উপজেলার মাইসছড়ি এলাকা থেকে আটক করা হয়।

সোহেল মাইসছড়ি ইউনিয়নের ছাত্রদল সভাপতি ও নুনছড়ি গুচ্ছগ্রামের কবির আহমেদের ছেলে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার (২০ আগস্ট) সকালে মহালছড়ি মাইসছড়ি ডিপি পাড়া এলাকার এক তরুণীকে তার বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সোহেল।

এ সময় ভুক্তভোগী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসে। ততক্ষণে সোহেল মিয়া পালিয়ে যান।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেন।

মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর মামলার ভিত্তিতে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

আগৈলঝাড়া উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক দাঁতের চিকিৎসক ও ফার্মেসি ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও দুটি অবৈধ ডেন্টাল কেয়ার সিলগালা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সোহেল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইমামা বানিন।
সোহেল বলেন, দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় উপজেলা সদর রোডে অভিযানটি পরিচালনা করেন।

এ সময় প্রিংয়াকা ডেন্টাল কেয়ার নামে এক প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী প্রিয়াঙ্কা ঘটককে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ভাই ভাই ফার্মেসি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ পাওয়ায় সেটির সত্ত্বাধিকারী নাজমুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালীন অবৈধভাবে গড়ে ওঠা পপি ডেন্টালের প্রদীপ রায় ও আঁখি ডেন্টাল কেয়ারের সত্ত্বাধিকারী দীপঙ্কর বেপারী পালিয়ে গেলে বিচারক তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেন।

অভিযানে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শুকলাল শিকদার ও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

 

গাজীপুরে চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে মাথা বের করতেই আরেক বাসের ধাক্কায় আরিফ হোসেন নামের এক কেমিক্যাল কোম্পানির মার্কেটিং কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

রবিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসন থানার ইটাহাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ হোসেন (৩২) বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া গ্রামের শাহজাহান গাজীর ছেলে। তিনি গাজীপুরের বাসন সড়ক এলাকার মা কালার হাউস কেমিক্যাল কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার ছিলেন।

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, ‌‘রবিবার দুপুরে প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনের বাসে ঢাকা থেকে রাজেন্দ্রপুরে যাচ্ছিলেন আরিফ হোসেন। বাসন থানার ইটাহাটা এলাকায় বাসের জানালা দিয়ে মাথা বের করে বমি করতে যান। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা চন্দ্রাগামী তাকওয়া পরিবহন বাসের ধাক্কায় আরিফের মাথা ফেটে যায়। সেই সঙ্গে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরই তাকওয়া পরিবহনের বাসটি পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নগদ টাকা ছাড়া পুলিশ কেসের নথি নড়ে না। হাসপাতাল স্টাফদের কাছে খোদ পুলিশ সদস্যরাও জিম্মি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ না দিলে চিকিৎসাপত্রের রিপোর্টই গায়েব হয়ে যাচ্ছে।
    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই কক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব হয়ে থাকে।

মূলত মারামারি হামলা-পাল্টা হামলার ক্ষেত্রে যারা হাসপাতালে ভর্তি হন তাদের পুলিশ কেস হলে বেশকিছু ডাক্তারি নথি প্রয়োজন হয়। সেগুলো রাখা হয় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলার ১৫৬ নম্বর রুমে। কিন্তু বছরের পর বছর এই রুম থেকে গুরুত্বপূর্ণ এসব নথি গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালেরই একটি মহল এ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি টাকার বিনিময়ে গায়েব করেন

সবশেষ গত ৮ আগস্ট এমসি রুম থেকে বিভিন্ন মামলার আলামতের বিপুল সংখ্যক নথি একসঙ্গে গায়েব হয়। রাতের অন্ধকারে কক্ষটির জানালার লক খুলে কাগজপত্র চুরি হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘুষ না দিলে চিকিৎসা সনদ পাওয়া যায় না। অনেক সময় আবার আসামি পক্ষের হয়ে হাসপাতাল কর্মচারীরা চিকিৎসা ফাইলই গায়েব করেন। বিভিন্ন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালের স্টাফদের কাছে জিম্মি হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় পুলিশকেও।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি পারিবারিক বিরোধে তার ছোট ভাইকে কুপিয়ে জখম করা হলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে বন্দর থানায় তিনি মামলা করেন। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসা সনদ নিতে গেলে তাকে জানানো হয় সেই কাগজ চুরি হয়েছে। পরে তিনি হাসপাতাল পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের কাছে অভিযোগ জানালে তাকে বিকল্প ব্যবস্থা করে দেন।

আরেক ভুক্তভোগী কাজ এনায়েত দাবি করেন, এমসি কক্ষে তার কাছে ঘুষ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ঘুষ না দিলে সনদ দেয়া হবে না বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলী আশরাফ ভূঞা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তারা জেনেছেন হাসপাতালের এমসি শাখার জানালার লক খুলে নথি চুরি হয়েছে। এটি কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাধারণ কোনো চোর তো আর ডাক্তারি নথি গায়েব করতে যাবে না এটা পরিকল্পিত।’

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক এস এম মনিরুজ্জামান জানান, এই দফতরে যাকেই দায়িত্ব দেয়া হয় তারাই ঘুষ লেনদেনে জড়ায়। কয়েকজনকেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সবশেষ নথি চুরির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নথি চুরিতে বারবার নাম উঠে আসছে এমসি শাখা থেকে বরখাস্ত হওয়া সোহাগ ও তার সহযোগী আমিনুলের নাম। যদিও তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

বরিশাল মেট্রোপলিটনের বিমান বন্দর থানার রহমতপুর বিমান বন্দর মোড়ে অভিযান চালিয়ে ৩শ পিস ইয়াবাসহ ২ জনকে পুলিশ আটক করেছে।

গত শনিবার রাতে এই অভিযান চালায় বিমান বন্দর থানা পুলিশ। আটক দুই জন হল বরিশাল জেলার কাজীরহাট থানার সিকদার বাড়ির সরোয়ার সিকদার (৩০) ও বরিশাল নগরীর কলেজ রো এলাকার রাজিব হাওলাদার (৪২)।

রবিবার বিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমান বন্দর থানার একটি বিশেষ দল শনিবার রাতে রহমতপুরে বিমান বন্দর মোড়ে অভিযান চালিয়ে সরোয়ার ও রাজিবকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে করে তারা।

এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মাদক আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ‍॥ বরিশাল নগরীর পলাশপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সড়কের গুচ্ছগ্রামের মধ্য কালবার্ড সংলগ্ন রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইর কাজ শেষ হলেও এখনও বাকি রয়েছে ৪র্থ তলার নির্মাণসহ ভবনের বাকি কাজ।

এদিকে ভবনের নির্মান কাজ অন্যদিকে এতিম শিশুদের প্রতিদিনের খাবার যোগার করতে বর্তমানে সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে কতৃপক্ষের। খাবার এবং অর্থের চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ।

তবে এতিম শিশুদের নিয়ে চিন্তার শেষ নেই মাদ্রাসার পরিচালক ফিরোজীর। তিনি সারাদিন ভাবছেন মাদ্রাসাটির উন্নয়ন কাজ নিয়ে। তার পরও পিছু পা দেননি তিনি ইতিমধ্যে মাদ্রাসা ভবনের তৃতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পূর্ন করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে এতিম শিশুরা কষ্ঠে দিন কাটাচ্ছে।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফিরোজী জানায়, এতিম শিশুদের দেখবাল করার জন্য নিজের পৈত্তিক সম্পতি বিক্রি করে ২০১৫ সালে পলাশপুর এলাকায় একটি ছোট ঘর ভাড়া নিয়ে প্রায় ৩০ জন এতিম শিশুদের নিয়ে ওই এলাকায় মাদ্রাসা চালু করি। ২০১৭ সালে ওই ঐলাকার ৭ নম্বর সড়কের গুচ্ছগ্রাম

 

সংলগ্ন এলাকায় রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জন্য একটি ভাঙ্গা ঘরসহ ২ শতাংশ জমি কিনে মাদ্রাসা চালিয়ে আসি। হাঠৎ এতিমদের কষ্ঠ দেখে সংবাদকর্মীরা বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সচিত্র ফিচার প্রকাশিত করলে তা নজরে আসে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর এমপি’র। পরে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সহযোগীতায় এতিমদের থাকার জন্য জমি ও ভবন হয়। কিন্তু বর্তমানে ছাত্র বেড়ে যাওয়ার কারনে ছাত্রদের খাওয়া দাওয়ায় খুব সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইর কাজ সম্পূর্ন হলেও চার পাশে দেয়াল ও জানালা না থাকায় ছাত্রদের দ্বিতীয় তলায় নিতে পারছি না। মাদ্রাসার বাকি কাজ সম্পূর্ন করতে হলে রড, ইট, বালু, সিমেন্ট ও অর্থের প্রয়োজন। সংবাদকর্মীদের প্রশ্নে কেঁদে কেদেঁ তিনি বলেন, এটা বস্তি এলাকা, এখানের মানুষ দিন আনে দিন খায়। তাদের নিজের খাবার যোগার করতেই কষ্ট হচ্ছে। তারা মাদ্রাসায় সহযোগীতা করবে কি ভাবে।

এতিমদের জন্য আমার পৈত্তিক সম্পতি বিক্রি করেছি। এবং কি মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজের বিভিন্ন এনজিও’র কাছ থেকে লোন নিয়ে কাজ চালিয়েছি। বর্তমানে এনজিও সমিতির কাছেও অনেক টাকার দেনায় আছি। মাদ্রাসায় শতাধিকের বেশি ছাত্র রয়েছে। তাদের তিন বেলা খাবার ও শিক্ষকদের বেতন দিতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছি। এর মধ্যে মাদ্রাসায় নেই কোন চাল, ডালসহ কোন প্রকারের খাবার।

তাই টেনশনেই আমার দিন পার হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন- এই মাদ্রাসাটির ৪ তলা ভবনের কাজ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় তলার কাজ হয়েছে তাই এতিমখানাটির এতিম শিশুদের পাশে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে অর্থ, ইট, সিমেন্ট সহ খাবার সংকট থাকার কারনে বন্ধ হয়ে আছে উন্নয়ন কাজ। অর্থর জন্য চিন্তায় রয়েছেন মাদ্রাসার পরিচালক ফিরোজী। এক কথায় বলা যাচ্ছে বর্তমানে কষ্টে জীবন-যাপন করছে এতিমখানার শিশুরা।

সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে এই অসহায় শতাধিক এতিম শিশুর মুখে আনন্দের হাসি ফুটবে বলে দাবি তাদের। মাদ্রাসার এতিম শিশুদের চাল, ডাল, খাবার দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। অথবা মাদ্রাসার উন্নয়ন মূলক কাজের জন্যও ইট, বালু, রড, সিমেন্ট বা অর্থ দিয়ে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন মাদ্রাসার কতৃপক্ষ।

সাহায্যে দিতে মাদ্রাসার বিকাশ নাম্বার ০১৯২৪৬১২৯১৮ অথবা পলাশপুর রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজি মাদরাসা নামে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, গির্জামহল্লা বরিশাল শাখার সঞ্চায়ী হিসাব নং ০১০১১২০১২৬৪৫৪ যোগাযোগ করে সাহায্য পাঠাতে পারেন

নগরীর ভাটিখানা জোড় মসজিদ এলাকায় কথিত সৌদি প্রবাসী জাকারিয়া সোহাগ নামে এক সন্ত্রাসী দৈনিক সাহসী সংবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃনিয়াজ শেখ কে লাঞ্চিত ও মারধর করে।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নগরী ভাটিখানা জোড় মসজিদের সামনে ঘটনাটি ঘটে।এবিষয় বরিশাল সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জানাযায়, এক সময় জাকারিয়া রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। পরবর্তীতে এলাকায় নানা অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ও মাদকাসক্ত হয়ে পরে এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে জেল হাফাজতেও দেয়া হয়।এরপর তার উপর বিভিন্ন মহলের চাপ আসলে গা-ঢাকা দেয় এবং কিছু দিন পর দেশ ত্যাগ করে সৌদি পাড়ি জমায়।

এবিষয় ভুক্তভোগী নিয়াজ জানায়, জাকারিয়া ও আমি পূর্ব পরিচিত। একসময় আমরা একএে বরিশাল মহানগর ছাএলীগ এর রাজনীতির করতাম।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী আমি সাংবাদিকতা পেশায় লিপ্ত হই এবং বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক,৭নং ওর্য়াডের কাউন্সিলর এ্যাড : রফিকুল ইসলাম সাথে এলাকায় বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডে সময় দিয়ে আসছি।

তিনি আরো বলেন,বৃহস্পতিবার জাকারিয়া আমাকে রাত ৩:৫১ তে দুইবার এবং ৪:০৯ একবার ফোন দেয়। এসময় আমার বাচ্চা পাশে ঘুমানোর কারনে ফোন না ধরে কেটে দেই।পরবর্তীতে সে আবারো ফোন দেয় এবং তখন বাধ্য হয়ে ফোন কেটে দিয়ে সাইলেন মুডেকরে রাখি। বৃহস্পতিবার জোড় মসজিদের সামনে থেকে যাওয়ার পথে জাকারিয়া সাথে দেখা হয় এবং তাকে বলি একটা সুস্থ লোক কি রাত্র চারটার সময় কাউকে ফোন দেয় এ কথা বলায় জাকারিয়া বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় কথা বলে।
এক কথায় দুই কথায় জাকারিয়া বলে, তুই আমার ফোন এবং আমার ফ্যামিলির লোকের ফোন রাত্র তিনটার সময় ট্রাকিং করো তার প্রমান আছে আমার কাছে।একথা বলে সে আমার শার্টের কলার ধরে এবং বুকে, পিঠে সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা কিল ঘুসি দেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় কিছু লোক এগিয়ে আসে এবং জাকারিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নিয়াজ কথা না বাড়িয়ে সোজা থানার সামনে উপস্থিত হন এবং বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম পিপিএমকে অবগত করেন।

তিনি কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে সে তাৎক্ষণিক ফোর্স পাঠিয়ে জাকারিয়া সোহাগকে থানায় নিয়ে আসে এবং উভয়ের কথা শুনে জাকারিয়া সোহাগকে ওয়ারনিং দিয়ে দুজনকে সমঝোতা করিয়ে দেন।

কিন্তু থানা থেকে বের হওয়ার কিছু সময় পর এই হামলার আসল রহস্য বের হয়ে আসে।

বিস্তারিত আসছে,,,,,,,,,

 

আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নজর কেড়েছে বরিশাল বাসীর। চারপাশে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রচার- প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় ৬ নং ওয়ার্ডের সর্ব মহলে এখন চর্চা হচ্ছে কে হতে চলেছেন তাদের জনপ্রতিনিধি?

ওয়ার্ড বাসী বলছেন, শোষণ শাসনের কাউন্সিলর চান না তারা, চান ৬ নং ওয়ার্ড বাসীর কাছের মানুষ। যে এলাকাবাসীর সকল নাগরিক সমস্যা দূর করে উন্নত ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়ার জন্য করবে অক্লান্ত পরিশ্রম। এক্ষেত্রে ৬ নং ওয়ার্ড এলাকার সকল স্তরের মানুষের মুখে বারে বারে উঠে আসছে একটি নাম যাকে ওই ওয়ার্ডের সকল শ্রেনীর মানুষ ভালোবাসে তিনি হলেন বর্তমান কাউন্সিলর খাঁন মোঃ জামাল হোসাইন।

নির্বাচনে একই ওয়ার্ড থেকে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও খাঁন মোঃ জামাল তার ভালোবাসা ও বিপদকালীন সময়ে সাধারণ জনগনের পাশে থেকে ওয়ার্ড বাসীর আস্থার আসনে রয়েছে। কর্ম দক্ষতার কারণে এলাকা জুরে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। এই নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন তাকে নির্বাচিত করতে ভোট ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষিত আছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ই জুন ভোট গ্রহন করবে ইসি। ভোট গ্রহণ হবে ইভিএমে।

৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তার নানামুখী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বিগত দিনে ওয়ার্ড বাসীর নজর কেড়েছে।

। তিনি কাউন্সিলর হয়ে জনসাধারণের সুখে, দুঃখে যেভাবে সহযোগী হয়ে পাশে দাঁড়ায় সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করতে পারে। আবার নির্বাচিত হলে কি পরিমাণ উন্নয়ন হতে পারে তা আমরা উপলব্ধি করি। নির্বাচনে খাঁন জামালের বিকল্প নাই। তিনি অবশ্যই কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হওয়ার পর ৬ নং ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা রাস্তা, , ড্রেনেজ সমস্যার ভোগান্তি দূর করতে পেরেছি। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি হাটখোলা হযরত আমানত শাহ জামে মসজিদটির দূস্টি নন্দিত একটি মসজিদ এটাও আমি সভাপতি হওয়ার পর করেছি।

। একটি আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও মুল্যবান ভোট প্রত্যাশা করছি। আমি আশা রাখি আসছে ১২ই জুন আপনাদের মুল্যবান ভোট নিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন। আমি আপনাদের সন্তান তাই আপনাদের পাশে থেকে আজীবন সকলের সেবা করে যেতে চাই।

 

আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নজর কেড়েছে বরিশাল বাসীর। চারপাশে বইছে নির্বাচনী হওয়া। নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রচার- প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় ৬ নং ওয়ার্ডের সর্ব মহলে এখন চর্চা হচ্ছে কে হতে চলেছেন তাদের জনপ্রতিনিধি?

ওয়ার্ড বাসী বলছেন, শোষণ শাসনের কাউন্সিলর চান না তারা, চান ৬ নং ওয়ার্ড বাসীর কাছের মানুষ। যে এলাকাবাসীর সকল নাগরিক সমস্যা দূর করে উন্নত ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়ার জন্য করবে অক্লান্ত পরিশ্রম। এক্ষেত্রে ৬ নং ওয়ার্ড এলাকার সকল স্তরের মানুষের মুখে বারে বারে উঠে আসছে একটি নাম যাকে ওই ওয়ার্ডের সকল শ্রেনীর মানুষ ভালোবাসে তিনি হলেন বর্তমান কাউন্সিলর খাঁন মোঃ জামাল হোসাইন।

নির্বাচনে একই ওয়ার্ড থেকে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও খাঁন মোঃ জামাল তার ভালোবাসা ও বিপদকালীন সময়ে সাধারণ জনগনের পাশে থেকে ওয়ার্ড বাসীর আস্থার আসনে রয়েছে। কর্ম দক্ষতার কারণে এলাকা জুরে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। এই নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন তাকে নির্বাচিত করতে ভোট ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষিত আছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ই জুন ভোট গ্রহন করবে ইসি। ভোট গ্রহণ হবে ইভিএমে।

৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তার নানামুখী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বিগত দিনে ওয়ার্ড বাসীর নজর কেড়েছে।

। তিনি কাউন্সিলর হয়ে জনসাধারণের সুখে, দুঃখে যেভাবে সহযোগী হয়ে পাশে দাঁড়ায় সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করতে পারে। আবার নির্বাচিত হলে কি পরিমাণ উন্নয়ন হতে পারে তা আমরা উপলব্ধি করি। নির্বাচনে খাঁন জামালের বিকল্প নাই। তিনি অবশ্যই কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হওয়ার পর ৬ নং ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা রাস্তা, , ড্রেনেজ সমস্যার ভোগান্তি দূর করতে পেরেছি। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি হাটখোলা হযরত আমানত শাহ জামে মসজিদটির দূস্টি নন্দিত একটি মসজিদ এটাও আমি সভাপতি হওয়ার পর করেছি।

একটি আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও মুল্যবান ভোট প্রত্যাশা করছি। আমি আশা রাখি আসছে ১২ই জুন আপনাদের মুল্যবান ভোট নিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন। আমি আপনাদের সন্তান তাই আপনাদের পাশে থেকে আজীবন সকলের সেবা করে যেতে চাই।

 

 

আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন  নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নজর কেড়েছে বরিশাল বাসীর। চারপাশে বইছে নির্বাচনী হওয়া। নির্বাচন কে সামনে রেখে  প্রচার- প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

 

এরই ধারাবাহিকতায় ৪ নং ওয়ার্ডের সর্ব মহলে এখন চর্চা হচ্ছে কে হতে চলেছেন তাদের নতুন জনপ্রতিনিধি?

 

ওয়ার্ড বাসী বলছেন, শোষণ শাসনের কাউন্সিলর চান না তারা, চান ৪ নং ওয়ার্ড বাসীর কাছের মানুষ। যে এলাকাবাসীর সকল নাগরিক সমস্যা দূর করে উন্নত ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়ার জন্য করবে অক্লান্ত পরিশ্রম। এক্ষেত্রে ৪ নং ওয়ার্ড  এলাকার সকল স্তরের মানুষের মুখে বারে বারে উঠে আসছে একটি নাম যাকে ওই ওয়ার্ডের  সকল শ্রেনীর মানুষ ভালোবাসে তিনি হলেন ছাত্র নেতা সৈয়দ শামসুদোহা আবিদ।

 

নির্বাচনে একই ওয়ার্ড থেকে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শামসুদোহা আবিদ তার ভালোবাসা ও বিপদকালীন সময়ে সাধারণ জনগনের পাশে থেকে ওয়ার্ড বাসীর আস্থার আসনে রয়েছে। কর্ম দক্ষতার কারণে এলাকা জুরে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। এই নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন শামসুদোহা আবিদ কে নির্বাচিত করতে ভোট ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষিত আছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ই জুন  ভোট গ্রহন করবে ইসি।  ভোট গ্রহণ হবে ইভিএমে।

 

৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার  বাসিন্দা ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তার নানামুখী জনসেবা মূলক কর্মকান্ড বিগত দিনে ওয়ার্ড বাসীর নজর কেড়েছে।

 

। তিনি কাউন্সিলর না হয়েও জনসাধারণের সুখে, দুঃখে যেভাবে সহযোগী হয়ে পাশে দাঁড়ায় সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করতে পারবে উনি কাউন্সিলর হলে কি পরিমাণ উন্নয়ন হতে পারে তা আমরা উপলব্ধি করি।  নির্বাচনে শামসুদোহা আবিদের বিকল্প নাই। তিনি অবশ্যই কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী শামসুদোহা আবিদ বলেন, ‘আমি শুধু কাউন্সিলর হতে নয় ওয়ার্ডবাসীর সেবক হয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। একটি আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও মুল্যবান ভোট প্রত্যাশা করছি। আমি আশা রাখি আসছে ১২ই জুন  আপনাদের মুল্যবান ভোট নিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন। আমি আপনাদের সন্তান তাই আপনাদের পাশে থেকে আজীবন সকলের সেবা করে যেতে চাই।