পুলিশের অনুমতি নিয়ে হাজতে আসামির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি। কোনো কারণ ছাড়াই তাকে চার ঘণ্টা হাজতে আটকে রাখে পুলিশ। বুধবার বিকেলে উপজেলার ভুলতা পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী রুহুল আমিন রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
রুহুল আমিন জানান, বুধবার বিকেলে রাজু নামের তার এক প্রতিবেশীকে গ্রেপ্তার করেন ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন মজুমদার। রাজু একজন কাপড় ব্যবসায়ী। বুধবার বিকেলে পুলিশের অনুমতি নিয়েই তিনি হাজতে রাজুকে দেখতে যান। কিন্তু ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন অকারণে তাকে প্রথমে চড়-থাপ্পড় এবং একপর্যায়ে হাজতে আটকে রাখেন। অনেক কাকুতি-মিনতির পর রাত ৮টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, ফাঁড়িতে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ওই ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, ফুটপাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রুহুল আমিনও তার সহযোগী ছিল। এ কারণে তাকে রাজুর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। কাউকে হাজতে আটকে রাখার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
করোনা সংক্রমণে দেশে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে শনাক্ত ও মৃতের হার বিবেচনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে চতুর্থ স্থান থেকে এক লাফে সংক্রমণের শীর্ষে চলে এসেছে বরিশাল বিভাগ। গত এক সপ্তাহে এই বিভাগে সংক্রমণের হার বেড়েছে ১১৮.৩ শতাংশ।
এদিকে গত সপ্তাহের প্রতিবেদনে শীর্ষে থাকা ঢাকা বিভাগ দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। ঢাকায় গত এক সপ্তাহে সংক্রমণের হার বেড়েছে ৭৬.৯ শতাংশ। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ১১৪.৪ শতাংশ।
দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত ২১ থেকে ২৮ জুন এই এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনায় এসব তথ্য জানিয়েছে তারা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে সিলেট বিভাগ। এ বিভাগে করোনা শনাক্তের হার বেড়েছে ৩৩.৫ শতাংশ। সিলেটে গত সপ্তাহে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮১৩ জন, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬০৯ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে সংক্রমণের ২৫তম সপ্তাহে সব বিভাগে নতুন শনাক্তের হার বেড়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ১১৮.৩ শতাংশ বেড়েছে বরিশাল বিভাগে। আলোচিত সপ্তাহে বিভাগটিতে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৩৮ জনের। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৩৮ জন। এরপরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে নতুন করে শনাক্তের হার বেড়েছে ৭৬.৯ শতাংশ। এই সপ্তাহে বিভাগটিতে ১৪ হাজার ৫৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা আগের সপ্তাহে ছিল আট হাজার ২১৫ জন।
সংক্রমণ বিবেচনায় সারাদেশে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ। বিভাগটিতে শনাক্তের হার বেড়েছে ৭১.৬ শতাংশ। সপ্তাহটিতে এ বিভাগে এক হাজার ৮৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৩৩ জন। চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছে রংপুর বিভাগ। এই বিভাগে গত এক সপ্তাহে করোনা শনাক্তের হার বেড়েছে ৬৭.৮ শতাংশ। এ বিভাগে আগের সপ্তাহের এক হাজার ৫৯৮ জন শনাক্ত থেকে শনাক্ত বেড়ে হয়েছে দুই হাজার ৬৮২ জন।
গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম বিভাগে শনাক্তের হার বেড়েছে ৪০.৭ শতাংশ। এই বিভাগে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে চার হাজার ১২৭ জনের। তার আগের সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছিল দুই হাজার ৯৩৩ জন।
এছাড়া সংক্রমণ বিবেচনায় সপ্তম স্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ। এ বিভাগে শনাক্তের হার বেড়েছে ৩১.৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ বিভাগে শনাক্ত ছিল পাঁচ হাজার ৪১৮ জন। আর এ সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছেন সাত হাজার ১৩৫ জন।
এক সপ্তাহে সর্বনিম্ন সংক্রমণ হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। বিভাগটিতে শনাক্তের হার বেড়েছে ১২.৪ শতাংশ। এ বিভাগে গত সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ৬২২ জন। গত সপ্তাহে শনাক্ত ছিল পাঁচ হাজার দুই জন।
মনপুরা প্রতিনিধি ॥ ভোলার মনপুরায় ঘরে ডুকে সনাতন ধর্মীয় এক গৃহবধূকে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুই মাঝি। এই ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মনপুরায় থানায় দুইজনকে আসামী করে ধর্ষণ মামলা করে। পরে মনপুরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে আটক করে।
বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টায় উপজেলার ১ নং মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের উত্তর পাশে সীতাকুন্ড গ্রামে ধর্ষিতা ওই গৃহবধূর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ধর্ষন মামলায় আটককৃতরা হলেন, মোঃ আরিফ মাঝি (২৪) ও নাইম মাঝি (২২)। এদের দুইজনের বাড়ি উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সীতাকুন্ড গ্রামে।
ওই গৃহবধূ ও পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টায় আরিফ ও নাইম মাঝি মনপুরা ইউনিয়নে সীতাকুন্ড গ্রামে সনাতন ধর্মীয় এক গৃহবধূর বাড়িতে জোরপূর্বক ডুকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এই সময় ওই গৃহবধূর স্বামী কলাতলী চরে অবস্থান করে। বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে গৃহবধূকে। বৃহস্পতিবার সকালে কলাতলীর চর থেকে ধর্ষিত ওই গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে আসলে ঘটনাটি জানায়। পরে স্বামীসহ ওই গৃহবধূ মনপুরায় থানায় এসে ঘটনায় জড়িত দুইজনকে আসামী করে ধর্ষণ মামলা করে। পরে দুপুর ৩ টায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হওয়া দুই আসামী আরিফ মাঝি ও নাইম মাঝিকে উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে আটক করে।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ধর্ষনের অভিযোগ থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে আটক করে।
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলী পৌর শহরের তাহফিজুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ আব্দুল আউয়াল ও এক নারীর অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে হাফেজ আব্দুল আউয়াল আমতলী পৌর শহরের সবুজবাগ এলাকায় তাহফিজুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই মাদ্রাসায় দ্বীনি শিক্ষার উদ্দেশ্যে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করেন তিনি। পুরুষ হাফেজের পাশাপাশি নিয়োগ দেন একজন নারী হাফেজ।
ওই নারী হাফেজার সঙ্গে গড়ে তোলেন হাফেজ আব্দুল আউয়াল অনৈতিক সম্পর্ক। এ বিষয়টি মাদ্রাসার অভিভাবকসহ এলাকার মানুষের মাঝে জানাজানি হয়ে যায়। বিষয়টি শুধরে নেয়ার জন্য অভিভাবকরা হাফেজ আব্দুল আউয়ালকে চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু অভিভাবক ও এলাকার লোকজনের কথায় তিনি কর্ণপাত করেনি।
এদিকে ওই নারী হাফেজের সঙ্গে হাফেজ আব্দুল আউয়ালের অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। হাফেজ আব্দুল আউয়ালের এমন কুকীর্তি ফাঁস হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারা হাফেজ আব্দুল আউয়ালের বিচার দাবি করেছেন।
অপরদিকে অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় হাফেজ আব্দুল আউয়াল ওই মাদ্রাসার আরেক হাফেজ আল আমিনকে দায়ী করেন এবং তাকে মারধর করে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন।
মাদ্রাসার অভিভাবক মো. আবু ছালেহ হাফেজ আউয়ালের শাস্তি দাবি করে বলেন, একজন হাফেজ মানুষের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড মেনে নেয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, তার এমন কর্মকাণ্ডের কথা জেনে আমি আমার ছেলে ওই মাদ্রাসা থেকে নিয়ে এসেছি।
এলাকাবাসী কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, হাফেজ আব্দুল আউয়ালের কর্মকাণ্ড মেনে নেয়ার মত নয়। ওই মাদ্রাসায় অনেক মেয়েরা লেখাপড়া করে তারা ওই হাফেজের কাছে মোটেও নিরাপদ নয়।
হাফেজ আব্দুল আউয়ালের শাস্তি দাবি করে তিনি আরও বলেন, তার কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ।
মাদ্রাসার হাফেজ আল আমিন বলেন, পরিচালক আব্দুল আউয়ালের অশ্লীল কর্মকাণ্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে আমাকে দায়ী করেন তিনি। পরে আমাকে মারধর করে বেতন ভাতা না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আউয়াল আমাকে জীবননাশের হুমকিসহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। আমি তার এমন কর্মকাণ্ডের বিচার চাই।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ আব্দুল আউয়াল ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে।
আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল >> বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের নামে ভাউচার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ঠিকাদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ‘পলি কনস্ট্রাকশন’ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আকবারুজ্জামানকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ ঠিকাদারকে বুধবার আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এই মামলায় ৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে, যারা সকলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুব ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
গ্রেপ্তার আকবারুজ্জামান বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ১০ নং প্যারারা রোডে বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায়িক অংশিদার মেহেদী হাসান সুমনের সাথে ‘পলি কনস্ট্রাকশন’র চেয়ারম্যান আকবারুজ্জামানের বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধ মেটাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতে বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাও অংশ নেন। কাগজপত্র উপস্থাপন করলে দেখা যায়, সিটি মেয়রের নামে ভাউচার করে বড় একটি অংকের টাকা হাতিয়ে নেন ঠিকাদার আকবারুজ্জামান। এই বিষয়টি মেয়রকে অবহিত করা হয়ে কাগজপত্রসহ ঠিকাদারকে বাসভবনে তলব করেন। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কোনো সদুত্তোর দিতে না পারায় পরবর্তীতে কোতয়ালি পুলিশ ডেকে তাকে তুলে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া বাদী হয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা করেছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আকবারুজ্জামানকে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
 বরিশালের হিজলা উপজেলায় পরকীয়া প্রেমে পাগল ৫ সন্তানের জননীকে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। উপজেলার গুয়াবাড়িযা ইউনিয়নের ঘোষেরচর গ্রামের লিটন হাওলাদারের স্ত্রী ৫ সন্তানের জননী রুপনী বেগম পার্শ্ববর্তী মাউলতলা গ্রামের আলমগীর তালুকদারের ছেলে সোহেল তালুকদারের সাথে এ পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে রুপনী বেগমের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ৬ মাস পূবে গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহজাহান তালুকদারের ভাতিজা সোহেল তালুকদার ওই এলাকায় গিয়ে ভিজিডি কার্ড দেওয়ার তালিকা করে। তখন তার সাথে সোহেলের পরিচয় হয়। পরিচয় সুবাধে তাদের দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সোহেল তার সাথে একাধিক বার দৈহিক মিলন করে।
তাছাড়া সোহেল ১০ জনের নামে ভিজিডি কার্ড ও ১০ জনের নামে রেশন কার্ড দেওয়ার কথা প্রতিজন থেকে নগদ অর্থ আদায় করে। এছাড়াও সোহেল তার কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা ধার নেয়। কিন্তু সোহেল কাউকে ভিজিডি ও রেশন কার্ড করে দিতে পারেনি।
কিছুদিন আগে রুপনী বেগম সোহেলকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। তখন সোহেল পরকীয়া প্রেম অস্বীকার করে। গত ২৭ জুন রুপনী বেগম বিয়ের দাবিতে সোহেলের ঘরে উঠলে সোহেল পালিয়ে যায়। এ সময় সোহেলের পরিবার রুপনীকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ সংবাদ পেয়ে রুপনীর ভাই তাওহিদুল ইসলাম তার বোনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে তার ভাই জানান, সোহেলের পরিবার এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি। উপায় না পেয়ে আমার বোনকে ঘরের মধ্যে শিকল দিয়ে বেধে রাখি। এ ব্যাপারে স্বামী লিটন হাওলাদার বলেন, গত শুক্রবার তার স্ত্রী তাদের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এ ঘটনার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। ঘটনার বিষয়ে জানতে সোহেলের নিকট একাধিকবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসিম কুমার সিকদার জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে ভিকটিমকে উদ্ধার করার জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল >> গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৮) সদস্যরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন বাজার থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, নলছিটি উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতা ও শীতলপাড়া গ্রামের সোবহান হাওলাদারের ছেলে জলিল হাওলাদার (৪০) এবং একই উপজেলার নাঙ্গুলী গ্রামের আদম আলী মুন্সীর ছেলে শাহিন মুন্সী (৩২)।
এ ঘটনায় বুধবার (৩০ জুন) সকালে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এলাকার কালাম হোসেন তালুকদার বাদি হয়ে নলছিটি থানায় একটি মামলা করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ব্যবসায়িক কাজ শেষে গত ১০ জুন মোটরসাইকেলযোগে বাড়িতে ফেরার পথে বরিশাল-পটুয়াখালি মহাসড়কের তুর্য্য পেট্রোল পাম্পের সামনে ডিবি পরিচয়ে জলিল ও শাহীনসহ ৩ জন ব্যক্তি কামাল হোসেন তালুকদারের পথরোধ করে। এরপর তার বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে প্যান্টের পকেট থেকে নগদ ৪২ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন (যার আনুমানিক মূল্য ৯০ হাজার টাকা) ও বিকাশের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা নিয়ে যায়। ছিনতাইকালে তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর (ঢাকা মেট্রো ল ১১-১৬৭৯) স্মরণে রেখে বরিশাল রূপাতলীস্থ র‌্যাব-৮ এর সদর দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন কালাম হোসেন তালুকদার। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাবের একটি টিম মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে জলিল ও শাহীনকে আটক করে নলছিটি থানায় সোপর্দ করে। তাদেরকে আটককালে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ও একটি মোবাইলফোন জব্দ করে র‌্যাব।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ওই দুজনকে বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের তালাস পত্রিকার প্রথম পাতায় “প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দোকান খোলা রেখেছে কে এই শামীম” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়।
মূলত চলামান লকডাউনের জন্য দোকানপাট বন্ধই রয়েছে । দোকানের বেঁচাকেনা বন্ধ তাই দোকানের কিছু রিপেয়ারিং কাজ চলমান ছিল। এই বিষয়টিকে আমার ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষরা ভুলভাবে সাংবাদিক ভাইদের কাছে উপস্থাপন করে আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, প্রকাশিত সংবাদে দোকানে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বেচাবিক্রির কথাও বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। কারন আমি একজন সচেতন মানুষ। তাছাড়া করোনা মহামারিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের ব্যবসায়ীদের যেভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত প্রায়ই আমাদের ব্যবসায়ীদের করোনাকালিন বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়ে চলছেন। এরপরও একজন ব্যবসায়ী কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ব্যবসা পরিচালনা করে তা আমার বোধগম্য নয়।
এছাড়াও ১৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মাহমুদ ও প্রশাসনকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্যও সংবাদে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত ছবি না জানিয়ে সংবাদে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা একজন সাংবাদিকের নীতিগত চরিত্র ও আইনের পরিপন্থী। এধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশে আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি ওই প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
নিবেদক
শামিম হোসেন
প্রোপাইটর মোবাইল মেলা
গির্জামহল্লা বরিশাল
 কাভার্ডভ্যানের চাপায় ছেলের সামনেই মারা গেল মা রোজিনা বেগম (৪৫)।
আজ বুধবার (৩০ জুন) দুপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বড়ব্রিজের উপর এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোজিনা পারভিন বরগুনা জেলার পুলিশ লাইন এলাকার পুলিশ সদস্য (এএসআই) মাহফুজুর রহমানের (২৮) মা ও জালাল আহম্মেদের স্ত্রী। মা ও ছেলে রাজধানী ঢাকার আফতাব নগর থেকে বরগুনায় নিজ বাড়িতে ফিরছিল। আহত পুলিশ সদস্য ঢাকার বাড্ডা থানায় কর্মরত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে ঢাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে বরগুনা যাচ্ছিল ওই পুলিশ সদস্য ও তার মা। মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বড়ব্রিজের উপর উঠলে বিপরীত থেকে আসা আইয়ান জুট মিলস্-এর একটি কাভার্ডভ্যানের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রোজিনা বেগমের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হয় ছেলে মাহফুজ। গুরুতর মাহফুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে চালক পালিয়ে গেলেও ঘাতক কাভার্ডভ্যানটিকে জব্দ করা হয়েছে।

বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের তালাস পত্রিকায় (৩০-০৬-২০২১) বুধবার, প্রথম পাতায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দোকান খোলা রাখছে কে এই শামীম! শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশ হয়েছে সে সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

মূলত চলামান লকডাউনের জন্য দোকানপাট বন্ধই রয়েছে । দোকানের বেঁচাকেনা বন্ধ তাই দোকানের কিছু রিপেয়ারিং কাজ করাচ্ছিলাম। তখন আমার ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষরা সে বিষয়টিকে ভুলভাবে সাংবাদিক ভাইদের কাছে উপস্থাপন করে আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এতেকরে আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি ঐ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

নিবেদক
শামিম হোসেন
প্রোপাইটর মোবাইল মেলা
গির্জামহল্লা বরিশাল