রেগিং ও ভয়-ভীতি সহ বিভিন্ন রকমের অনিয়ম ও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠেছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট ২ এর ইনচার্জ পুতুল সুতারের বিরুদ্ধে। তার অত্যাচারে মুসলিম নার্সরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। সূত্র জানায়, পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের ইনচার্জ পুতুল সুতার ওয়ার্ডের কর্তব্যরত হিন্দু নার্সদের আঁতাত করে মুসলিম নার্সদের সাথে উস্কানিমূলক কথাবার্তা অসৌজন্যমূলক আচরণ, রেগিং করা, এবং হুমকি-ধামকি সহ বিভিন্ন রকমের ভয়-ভীতি দেখানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

প্রতিনিয়ত ওয়ার্ডের দায়িত্বরত হিন্দু নার্সদের নিয়ে তার অফিস কক্ষে ব্যক্তিগত মিটিং করা এবংহিন্দু নার্সদের নিয়ে গ্রুপিং করে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নার্সদের তার আওতায় রাখার জন্য বাসা থেকে বিভিন্ন রকমের খাবার তৈরি করে এনে হিন্দু নার্সদের নিয়ে তার অফিস কক্ষে খাবারের আড্ডায় হই হুল্লোর করে থাকে বলে ও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নার্স জানায়, কোন নার্স তার আওতার বাইরে চলে গেলে তার বিভিন্ন রকমের মিথ্যা অপবাদ সহ বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয়। এছাড়াও মুসলিম নার্সদের বিভিন্ন রকমের রেগিং করে থাকে।

এবং ওয়ার্ডবয়দের কাছ থেকে প্রতিদিন নাস্তা খাওয়ার জন্য টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও সাবেক পরিচালক ডা.বাকিব হোসেন থাকাকালীন পুতুল সুতারের বিরুদ্ধে সাধারন নার্সরা ও স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদ(স্বানাপ) এর পক্ষ থেকে তার অনিয়ম ও নার্সদের সাথে খারাপ আচারনসহ বিভিন্ন কথা উল্লেখ করে পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিলো। পরে পরিচালক বাকিব হোসেন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। পরে পুতুল দোষী প্রমানিত হওয়ায় তাকে সতর্ক করে দেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ। কিন্তু তাদেও তিনি থেমে নেই সহকর্মীদের সাথে খারাপ আচারন করা।

বিষয়টি জানতে হাসপাতালের সার্জারী-২ ইউনিটের দায়িত্বে থাকা সুপারভাইজার হাসিনা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার্জারী-২ ইউনিটে ১৯ জন নার্স রয়েছে। তার মধ্যে ২/৩ জন হিন্দু। বাকিরা সবাই মুসলিম। তবে ওই ওয়ার্ডের ইনর্চাজ হাচিনার নাকি মুসলিম নার্সদের সাথে তাদের ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন উস্কানিমূলক কথা বলে। এবিষয়ে আমাকে এবং নাসিং তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তারের কাছে অনেক নার্স অভিযোগ করছিলো। তিনি আরো বলেন, সাবেক পরিচালক বাকিব হোসেন স্যারের কাছে অনেক নার্স পুতুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। পরে একটি তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এবং পুতুল দোষী প্রমান হওয়ায় তাকে সতর্ক করা হয়।

পুতুল দোষী হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন জানতে চাইলের তিনি প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে বলেন ওটা দেখার দায়িত্ব পরিচালক স্যার ও নাসিং তত্ত্বাবধায়কের। এছাড়াও তার ব্যবহারে অনেক চিকিৎসকরা ক্ষিপ্ত বলে জানা গেছে।

বিষয়টি জানার জন্য নার্সিং তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তারের মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি সাংবাদিক শুনে ব্যস্ত আছি বলে একটু পরে ফোন দিতে বলেন। কিছুক্ষন পরে তাকে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি ফোনটি আর রিসিভ করেনি। বরিশাল স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদ(স্বানাপ) এর সাধারন সম্পাদক সাহিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এবিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবোনা। আগামীকাল হাসপাতালে আসেন সাক্ষাতে কথা হবে।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনী সহিংসতায় ককটেল হামলায় ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে।

পাশাপাশি একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ জন গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে অপর হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তরা এখনও অধরা রয়ে গেছেন।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে পুলিশ জানায়, ইউপি নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে গত সোমবার (২১ জুন) দুপুরে ককটেল হামলায় মৌজে আলী মৃধা (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত এবং অপর ৫ জন আহত হয়।

একই দিন সন্ধ্যায় একই ইউনিয়নের পাঙ্গাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার পর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মৃধার বিজয় মিছিলে ককটেল হামলার অভিযোগ ওঠে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

ওই মামলায় আবু বক্কর (২৭) নামে একজন নিহত এবং আরও ২ জন আহত হয়।
মৌজে আলী নিহত হওয়ার ঘটনায় মঙ্গলবার তার ছেলে নজরুল মৃধা বাদী হয়ে ২১ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করে গৌরনদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার নামীয় ৩ আসামি ফিরোজ মৃধা, মাহফুজুর রহমান ইমন এবং নয়ন মৃধা নামে ৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
তবে বাদীর অভিযোগ তার দেওয়া আসামিদের নাম পরিবর্তন করে মামলা নিয়েছে থানা পুলিশ।

যদিও এ ব্যাপারে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বাদীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেই মামলায় ২১ জনের নামোল্লেখসহ আরও ৭০/৮০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। এখন যদি তিনি (বাদী) অন্যকিছু বলে থাকেন তাহলে তিনি আদালতে লিখিত আবেদন করতে পারেন।
অপরদিকে আবু বক্কর নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বাবা আনজু ফকির বাদী হয়ে অর্ধ শতাধিক ব্যক্তির নামে মঙ্গলবার দুপুরে গৌরনদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এই মামলার কোনো আসামি পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনরা।

দুপুরে বরিশাল মর্গে ওই দুই জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৌরনদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান।

আর দুই হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম।

নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা প্রণয়ন করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স দিয়ে সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্যান ও ইজিবাইক বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করা হয়েছে।

ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক চালক পরিষদ ও রিকশা–ভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে জেলা বাসদ নেতারা মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় অশ্বিনী কুমার হলের সামনে নগরের প্রধানসড়ক সদররোড আটকে এ সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বাসদের আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুম্মন, সদস্য সচীব ড. মনীষা চক্রবর্তী, জেলা শামিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মানিক হাওলাদার প্রমূখ।

এসময় বক্তরা ব্যাটারিচালিত রিকশা ভ্যান ও ইজিবাইক বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণাকে গণবিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

পাশাপাশি নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা প্রণয়ন করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স প্রদানের দাবি জানান।
আর দাবি মানা না হলে সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং প্রয়োজনে হরতাল কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়।

এদিকে ব্যাটা‌রিচা‌লিত রিকশা ব‌ন্ধের সিদ্ধা‌ন্তকে স্বাগত জা‌নি‌য়ে‌ছেন বেশিরভাগ মানুষ। ঝুকিপূর্ণ এ যানবাহন বন্ধ হলে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে দাবি তাদের।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরকাড়া আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দিনের বেলায় আলোকসজ্জার নিভু বাতি দৃষ্টিনন্দন দেখালেও রাতে নজরকাড়া পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া নগরীর ৭২টি স্থান থেকে একযোগে আতশবাজি প্রদর্শন এবং ৭২ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

আগামীকাল ২৩ জুন (বুধবার) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ।

মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোডের বিবির পুকুরপাড়, সিটি করপোরেশনের এনেক্স ভবন, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়, সব ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কার্যালয়, দলীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়, কাকলী হল মোড়, জিলা স্কুল মোড়, বিএম কলেজ রোড, থানা কাউন্সিল, নাজিরের পোলসহ আলোকসজ্জা করা হয়েছে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে ও মোড়ে।

দপ্তর সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাত জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীতে ৭২ হাজার গাছের চারা রোপণ করবে মহানগর আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকাল ৩টায় নগরীর ওয়াপদা কলোনীর বধ্যভূমি এলাকায় গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এ ছাড়া কাল সকাল ৬টায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া-মোনাজাত, আলোচনা সভা এবং ৭২ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

বরিশাল থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার কোনো বাস ও লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এ পথের যাত্রীরা।

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানীতে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নৌপথ। মঙ্গলবার বরিশাল নৌবন্দর থেকে কোনো লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি। তবে অভ্যন্তরীণ রুটের নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে রাজধানীর সঙ্গে বরিশালের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সাউদিয়া পরিবহনের কাউন্টার ইনচার্জ ইমাম হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে সকালের দিকে কিছু বাস ছেড়ে গেলেও প্রশাসন মাদারীপুরের ভুরঘাটায় ওই বাসগুলো বরিশালের দিকে ফিরিয়ে দেয়।

 

ককটেল বিস্ফোরণে দু’জন নিহত হওয়াসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম ধাপে বরিশাল জেলার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরমধ্যে ৪১টি ইউনিয়নে নৌকা, তিনটিতে লাঙল, একটিতে হাতপাখা ও পাঁচটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২১ জুন) অনুষ্ঠিত ৩৬ ইউনিয়নের নির্বাচনের মধ্যে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে কামাল হোসেন মোল্লা নৌকা প্রতীক নিয়ে তিন হাজার ৯৫৬ ভোট, জাগুয়া ইউনিয়নে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হেদায়াতুল্লাহ খান হাতপাখা প্রতীক নিয়ে দুই হাজার ৩৯৬ ভোট, চরবাড়িয়া ইউনিয়নে মাহাতাব হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয় হাজার ৮৯৯ ভোট ও টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নে নাদিরা রহমান চশমা প্রতীক নিয়ে পাঁচ হাজার ৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দীন আনারস প্রতীকে তিন হাজার ১৫৯ ও একই উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নজরুল ইসলাম চুন্নু পাঁচ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের এনায়েত হোসেন হাওলাদার ১২ হাজার ৮৫৪, হরিনাথপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ তৌফিকুর রহমান পাঁচ হাজার ৪৯২, গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে শাহজাহান তালুকদার ছয় হাজার ৩৪৩ ও মেমানিয়া ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসির উদ্দিন চার হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে জসিম উদ্দিন পাঁচ হাজার ৭৮৫, কাজিরচর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীক নিয়ে মন্টু বিশ্বাস নয় হাজার ৪৬৭, সফিপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে মো. আবু মুসা ১৩ হাজার ৩৪৬, নাজিরপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান আট হাজার ৫৩৩ ও চরকালেখান ইউনিয়নে লাঙল প্রতীক নিয়ে মিরাজুর ইসলাম চার হাজার ৬২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৩ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী ফারুক হোসেন মোল্লা।

বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নে মজিবুল ইসলাম টুকু নৌকা প্রতীক নিয়ে আট হাজার ৬৭৫ ও বাইশারি ইউনিয়নে শ্যামল চক্রবর্তী নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয় হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নে শাহীন হাওলাদার নৌকা প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ৮৮৪, বড়াকোঠা ইউনিয়নে সহিদুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৪ হাজার ৮৪, জল্লা ইউনিয়নে বেবী রানী দাস নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৪ হাজার ৮৪ ও ওটরা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে এম এ খালেক ১২ হাজার ২১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে লাঙল প্রতীক নিয়ে সিদ্দিকুর রহমান সাত হাজার ২৮২, দেহেরগতি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে মশিউর রহমান নয় হাজার ৩৮৮, কেদারপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নুরে আলম ছয় হাজার ৬৮৮ ও বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর (আগরপুর) ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান খান আনারস প্রতীক নিয়ে ছয় হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নে জাহিদুল হাসান নৌকা প্রতীক নিয়ে নয় হাজার ৬৪৯, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে বশির উদ্দিন নৌকা প্রতীক নিয়ে সাত হাজার ৯৪৪, ভরপাশা ইউনিয়নে আশ্রাফুজ্জামান খান নৌকা প্রতীক নিয়ে সাত হাজার ৯৬৬, গারুড়িয়া ইউনিয়নে এস এম কাইউম খান লাঙল প্রতীক নিয়ে ছয় হাজার ৮৬৭, কলসকাঠি ইউনিয়নে ফয়সাল ওয়াহিদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয় হাজার ৩৫৪, কবাই ইউনিয়নে জহিরুল হক তালুকদার নৌকা প্রতীক নিয়ে পাঁচ হাজার ৩৯, নলুয়া ইউনিয়নে আ স ম ফিরোজ আলম খান নৌকা প্রতীক নিয়ে তিন হাজার ৯২৬, ফরিদপুর ইউনিয়নে এস এম শফিকুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে চার হাজার ৩৬৬, দাঁড়িয়াল ইউনিয়নে সহিদুল ইসলাম হাওলাদার নৌকা প্রতীক নিয়ে পাঁচ হাজার ৪৩২ ও চরাদি ইউনিয়নে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয় ২৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৪ জন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নে আবদুল হালিম সরদার, মুলাদী সদর ইউনিয়নে কামরুল আহসান, গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নে গোলাম হাফিজ মৃধা, মাহিলাড়া ইউনিয়নে সৈকত গুহ, খাঞ্জাপুর ইউনিয়নে নূর আলম সেরনিয়াবাত, বার্থী ইউনিয়নে আবদুর রাজ্জাক, বাটাজোর ইউনিয়নে আবদুর রব হাওলাদার, চাদশী ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম, বানারীপাড়া উপজেলায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে সাইফুল ইসলাম, ইলুহার ইউনিয়নে শহিদুল ইসলাম, সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নে মো. সিদ্দিকুর রহমান, বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নে আবদুল জলিল ঘরামী, উদয়কাঠি ইউনিয়নে রাহাদ আহম্মেদ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নে গোলাম মোর্শেদ।

বরিশাল জেলার নয়টি উপজেলায় সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ৯ লাখ ২০ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার চার লাখ ৫২ হাজার ৩৩০ ও পুরুষ ভোটার চার লাখ ৬৮ হাজার ১৩৩ জন। ৪৭৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে দুই হাজার ৯৬৮টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

মো:রাজিবুল হক(বরগুনা সংবাদদাতা):
বরগুনার বামনা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২টিতে সরকার দলীয় প্রার্থী ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ীরা হলেন ২নং বামনা সদর ইউনিয়নে সরকারদলীয় প্রার্থী(নৌকা) এ্যাডঃ চৌধুরী কামরুজ্জামান সগির বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৫ ভোট তাঁর নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ এনায়েত কবির হাওলাদার পেয়েছেন ১০২০ ভোট। ৩নং রামনা ইউনিয়নে সরকারদলীয় প্রার্থী(নৌকা) মোঃ নজরুল ইসলাম জমাদ্দার বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ১২৩ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী( আনারস) মোঃ আঃ খালেক জমাদ্দার পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬৫ ভোট।
দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১ং বুকাবুনিয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী(চশমা) মোঃ সাইদুর রহমান সবুজ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ ভোট। তার নিকটতম আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী লিটন মোল্লা পেয়েছেন ৩হাজার ১০ ভোট। ৪নং ডৌয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান(আনারস) পেয়েছেন ৭ হাজার ৭১৫ ভোট।তার নিকটতম প্রার্থী (নৌকা) মোঃ মোঃ কামরুল ইসলাম নিজাম মৃধা পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪ ভোট।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও ঝালকাঠি >> ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মো. লিয়াকত আলী তালুকদার পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৭৪ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন রানা নারিকেল গাছ পেয়েছেন ৫৯৪ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ৪১৫ ভোট।

এ পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মো. লিয়াকত আলী তালুকদারকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

এদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে রেজাউল করিম জাকির, ২ নম্বর ওয়ার্ডে হাফিজ আল মাহমুদ (বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এস এম আল আমিন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. কামাল শরীফ (বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তরুণ কর্মকার (বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মো. হুমায়ুন কবির খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান হাবিল, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে হুমায়ুন কবির সাগর।

এরা সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে তাছলিমা বেগম, মালা বেগম এবং সাবিনা ইয়াসমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝালকাঠি জেলার ৩১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩০টিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু একটি ইউপিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচিতরা হচ্ছেন- ঝালকাঠি সদরের বিনয়কাঠিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এজেএম মঈন উদ্দিন, শেখেরহাটে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. নূরুল আমিন খান সুরুজ, গাবখান ধানসিঁড়িতে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আবুল কালাম মাসুম, গাভারামচন্দ্রপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. গোলাম মাওলা মাসুম শেরওয়ানী, নবগ্রামে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. মুজিবুরল হক আকন্দ, নথুল্লাবাদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নজরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, বাসন্ডায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মোবারক হোসেন মল্লিক, কেওড়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আবু সাইদ খান এবং কীর্ত্তিপাশায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহীম মিয়া।

নলছিটি উপজেলার রানাপাশায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. শাহজাহান হাওলাদর, ভৈরবপাশায় আওয়ামী লীগ মনোনীত এ কে এম আবদুল হক, দপদপিয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা, সুবিদপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আ. গফফার খান, কুশঙ্গলে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আলমগীর হোসেন, সিদ্ধকাঠিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত জেসমিন আক্তার, মগরে আওয়ামী লীগ মনোনীত এনামুল হক শাহীন, মোল্লারহাটে আওয়ামী লীগ মনোনীত এ কে এম মাহাবুবুর রহমান, কুলকাঠিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চু, নাচনমহলে আওয়ামী লীগ মনোনীত বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিরাজুল ইসলাম সেলিম।

রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. নজরুল ইসলাম, সাতুরিয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত সৈয়দ মইনুল হায়দার নিপু, বড়ইয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. সাহাব উদ্দিন হাওলাদার, মঠবাড়িতে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. শাহজালাল হাওলাদার, শুক্তাগড়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত বিউটি সিকদার ও গালুয়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় গোলাম কিবরিয়া পারভেজ।

কাঁঠালিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. মাহামুদুল হক নাহিদ, পাটিখালঘাটায় আওয়ামী লীগ মনোনীত শিশির দাস, চেঁচরীরামপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. হারুন অর রশিদ, আমুয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. আমিরুল ইসলাম সিকদার, শৌলজালিয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মাহমুদ হোসেন রিপন ও আওড়াবুনিয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. মিঠু সিকদার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।’

ভোট কারচুপির অভিযোগে পটুয়াখালীর বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের চশমা মার্কার চেয়ারম্যানপ্রার্থী মিজানুর রহমান হিরন ও অটোরিকশা মার্কার চেয়ারম্যানপ্রার্থী সফিকুল ইসলাম মিঠু ভোটবর্জন করেছেন। আজ সোমবার (২১ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে নিজ নিজ কার্যালয়ে এ ভোটবর্জনের ঘোষণা দেন।

এ সময় মিজানুর রহমান হিরন অভিযোগ করেন, নৌকা মার্কার কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল করে নিজেরা ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ভরছেন। প্রিসাইডিং অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। তাই ভোটবর্জন করেছি।

সফিকুল ইসলাম মিঠু একই অভিযোগ করে বরিশালটাইমসকে বলেন, এটি প্রহসনমূলক নির্বাচন। জোর করে ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অভিযোগ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না, তাই ভোটবর্জন করেছি।