বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তী বিজয় মিছিলে কক‌টেল হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুই জন।

এর আগে সকালে নির্বাচনী সহিংসতায় এই উপজেলায় মৌজে আলী মৃধা (৬৫) নামে আরও এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

এই নিয়ে এ পর্যন্ত নির্বাচন কেন্দ্রীক সহিংসতায় একদিনে একই উপজেলায় দুই জন নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান।

তিনি জানান, গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নে ঘটেছে এই ঘটনা।

খাঞ্জাপুর পাঙ্গাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পরপর ওই এলাকায় বিজয় মিছিল বের করে বিজয়ী সদস্য টিউবওয়েল মার্কার গিয়াস উদ্দিন মৃধার সমর্থকরা। এ সময় পরাজিত প্রার্থী মোরগ মার্কার আরজ আলী সরদারের সমর্থকরা ওই মিছিলে ককটেল হামলা চালায়।
এতে আবু বক্কর মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুত্বর আহত হন। পরে তাকে উপেজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় আরও দুই জন আহত হন। এছাড়া নিহতের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রেঞ্জ ডিআইজি।

বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের সড়কের পাশে রাখা সংবাদকর্মীদের মোটরসাইকেল ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ওই সংবাদকর্মীরা নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে একটি ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলেন।

সোমবার বেলা দেড়টার দিকে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

সংবাদকর্মীরা অভিযোগ করেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেনের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন।

স্থানীয় দৈনিক বরিশাল সময় পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম হেলাল বলেন, ‘নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমি আমার এক সহকর্মীকে নিয়ে ওই কেন্দ্রে যাই।

এর আগে আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল কেন্দ্রের বাইরে সড়কের একেবারে পাশে রেখে আসি। কিছুক্ষণ পর বের হওয়ার পথে দেখতে পাই আমার মোটরসাইকেলসহ অন্য সাংবাদিকদের আটটি মোটরসাইকেল সড়কের পাশে ফেলে দেয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি পুলিশ সদস্যরা এই কাজ করেছেন।

 

দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার বরিশাল প্রতিনিধি এইচ আর হীরা বলেন, ‘অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেনের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে।

তিনি নির্দেশ না দিলে অন্য পুলিশ সদস্যরা কীভাবে আমাদের মোটরসাইকেল ফেলে দেয়? এতে আমাদের মোটরসাইকেলের অনেক পার্টসের ক্ষতি হয়েছে। ইন্ডিগেটর আর হেডলাইট ভেঙে গেছে।

 

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, ‘কোনো সাংবাদিকের মোটরসাইকেল ফেলে দেয়া হয়নি। সড়কের পাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে শুধু।

ঝালকাঠি পৌর নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে দুপক্ষের সংঘর্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিলসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২১ জুন) বিকেলে পৌরসভার উদ্বোধন বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে পৌরসভার নয় ওয়ার্ডের ২২ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৩টার দিকে কেন্দ্রের সামনে গিয়ে একটি পক্ষ ধীর গতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে উত্তেজিত হয়ে উঠলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এসময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টেবিল লাইট প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিলসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অপরদিকে পৌর এলাকার ৬ নম্বর বাসন্ডা ওয়ার্ডের জেবিআই ইছানীল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে এক কাউন্সিলর প্রার্থীকে কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন।

বাসন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভিতরে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই মেম্বার প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের সংঘর্ষ হামলা ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় গুলিতে মনির মাঝি (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ রাবার বুলেট ছুঁড়ে।

এছাড়াও চরফ্যাশনের আরো কয়েকটি ইউনিয়নে নির্বাচনের বিক্ষিপ্ত সংর্ঘষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকাল ১১ টার দিকে চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের চর ফকিরা এলাকায় মেম্বার প্রার্থী ইয়াসিন মাঝি ও রুহুল আমিন দালালের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংর্ঘষ হয়।

এক পর্যায়ে গুলিতে বশির সিকদারের পুত্র মনির মাঝি নামে এক যুবক গুলি বিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ রাবার বুলেটের গুলি ছুঁড়ে।

এদিকে নিহতের পিতা অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ছেলে ভোট দিয়ে ফিরতে ছিলো। এ সময় সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গুলিতে তাঁর পুত্র নিহত হন।

তবে ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থীর ছেলে লোকজন নিয়ে কেন্দ্রে হামলা চালায়।

এ সময় এক প্রার্থীর ছেলের গুলিতে মনিরের মৃত্যু হয়। পুলিশ ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

শামীম আহমেদ ॥ ব‌রিশাল জেলার হিজলা উপ‌জেলার মেমানিয়ায় ইউ‌নিয়‌নে সংঘর্ষের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে।

সোমবার (২১ জুন) দুপুর একটার দি‌কে ২ নং ওয়ার্ড খাগের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ‍এ ঘটনা ঘটে। এ‌তে কমপ‌ক্ষে ১০ জন আহত হ‌য়ে‌ছে ব‌লে স্থানীয়রা জা‌নি‌য়ে‌ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্য করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। ‍

 

জানা গে‌ছে, ২ নং ওয়ার্ড খাগের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থী ড. আলাউদ্দিনের সাথে বাগবিতন্ডা ঘটে ঘোড়া প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী নাসির ‍উদ্দিনের। ‍

 

বাগ‌বিতন্ডার সূত্রধ‌রে ‍উভয় প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা সংর্ঘষে জ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়েন। দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ‍এবং ‍ইটপাটকেল নিক্ষেপের ফলে ‍এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রনে আন‌তে লাঠিচার্য এবং ৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া পু‌লিশ।

 

এদিকে হরিনাথপুর গঙ্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রন নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এক আনসার সদস্য ও এক পুলিশ সদস্যে আহত হয়।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে পুলিশ ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এসময় ঘন্টাখানেক ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহনন বন্ধ থাকে।

 

উভয় ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ১৩ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ার কথা নিশ্চিত করে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অস‌ীম কুমার সরকার জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক র‌য়ে‌ছে‌।

শামীম আহমেদ ॥ ঢাকা থেকে ছেলেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে এসে লাশ হয়েছেন মৌজে আলী মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বেলা বারোটার দিকে জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড কমলাপুর ভোট কেন্দ্রে।

প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুইদিন পূর্বে ঢাকা থেকে পুত্রদের সাথে পছন্দের ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ ফিরোজ মৃধাকে ভোট দিতে আসেন কমলাপুর গ্রামের মৃত কাদের মৃধার পুত্র মৌজে আলী মৃধা। সোমবার দুপুর বারোটার দিকে কমলাপুর ভোট কেন্দ্র থেকে সে (মৌজে আলী) ভোট দিয়ে বের হন।

প্রত্যক্ষদর্শী কাওসার হোসেন বলেন, মোরগ মার্কার প্রার্থী ফিরোজ মৃধার প্রতিদ্বন্ধী টিউবওয়েল মার্কার প্রার্থী মন্টু হাওলাদারের পক্ষে কয়েকজনে জাল ভোট প্রদান করেন।

এর প্রতিবাদ করায় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ব্যাপক বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধ মৌজে আলী মৃধা নিহত এবং প্রার্থী ফিরোজ মৃধাসহ কমপক্ষে ১০ জন গুরুত্বর আহত হয়।

আহতদের শেবাচিম হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ব্যাপক ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছেন। বেলা দুইটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহন বন্ধ রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারি পুলিশ সুপার আব্দুর রব হাওলাদার, গৌরনদী মডেল থানার ওসি মোঃ আফজাল হোসেন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি // নেশা, মাদক ও ইভটিজিংকে শুন্যের কোঠায় নিয়ে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নানান ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। তখন প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস,নেশাদ্রব্য, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন, নারী কেলেংকারী, চুরি, ধর্ষণ, ডাকাতি এবং লুটপাটের মতো কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে মেহেন্দিগঞ্জের নিজাম বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ০৬ নং বিদ্যানন্দনপুর ইউনিয়নের ০৮ নং চর খাজুরিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা নিজাম ওরফে সন্ত্রাসী নিজাম
গতোকাল সকাল ৮ঃ৩০ মিনিটের সময় চর খাজুরিয়া গ্রামের নুর ইসলাম শিকদার’র বাড়ির পাশে ইউনুছ হাওলাদার এর ছেলে জাকির হাওলাদারকে হামলা করেন।

সূত্রে আরো জানা যায়, অভিযুক্ত নিজাম বাহিনীর প্রধান নিজাম, জাকির হাওলাদার’র নিকট একাধিক বার চাঁদা চেয়ে আসছেন। কিন্তু ব্যাপারটি বিগত দিনে জাকির হাওলাদার এড়িয়ে গেলেও আজ সকালে যখন নিজাম জাকিরের কাছে পুনরায় চাঁদা দাবি করে, তখন জাকির কারন জানতে চাওয়ায় বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এবং এক পর্যায়ে নিজাম জাকির’র উপর চড়াও হয়ে কিল ঘুসি দেওয়া শুরু করেন, এবং সাথে থাকা নিজাম’র সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে জাকির হাওলাদার কে বিদেশি চার্জার লাইট ও লাঠিসোঁটা দিয়ে পালাক্রমে আঘাত করতে থাকেন। এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে যান জাকির, তাকে ফেলে রেখে চলে যান নিজাম বাহিনীর সদস্যরা এবং জাকির হাওলাদার’র সাথে থাকা vivo Y11 মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে যানা জায়।

ভুক্তভোগী জাকির হাওলাদার বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন, তার সাথে আলাপকালে জানা যায়, নিজাম সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বাশার ফকিরের ছেলে লিটন ফকির, মৃত্যু খালেক ফকিরের ছেলে বাশার ফকির, মন্নান ঘরামীর ছেলে হৃদয় ঘরামী, হারুন মাঝীর ছেলে রিফাত, মৃত্যু গনি হাওলাদার’র ছেলে ছগির এবং হাবিব চৌকিদার’র ছেলে জুয়েল সহ অন্যান্যরা সকাল ৮ঃ৩০ সময় ব্যাপক মারধর করেন।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য নিজাম কে ফোন করা হলে এই প্রতিবেদককে জানান, জাকির’র সাথে মারামারি হয়েছে কিন্তু গুরতর জখম হয়নি এবং ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে হাতাহাতি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় যখন একে একে দেশের মাদক সম্রাট ও ক্যাডারদের যখন বিচারের আওতায় আনছে ঠিক তখনই জনপ্রতিনিধি হওয়ায় আশায় রয়েছেন দখিনের বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে একজন রাসেল হাওলাদার।

বরিশাল সদর উপজেলার ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত রাসেল। দীর্ঘদিন ধরে লামছড়ি সহ গোটা চরবাড়িয়া এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্র করে মাদক সম্রাট হিসেবে তিনি খ্যাতি পেয়েছেন অনেক আগেই। এতে রাতারাতি হয়ে গেছেন তিনি বিপুল পরিমানের অর্থের মালিক।

আর সেই অর্থ দিয়ে গরমে এবার জনপ্রতিনিধি হওয়ার লক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন রাসেল হাওলাদার ওরফে গাঁজা রাসেল।

অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামছড়ি গাজির খেয়াঘাট এলাকার হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাভোগকারী তোফেল হাজী ছেলে মো: রাসেল হাওলাদার। প্রথমে গাঁজা বিক্রির মাধ্যমে মাদকের জগতে পদার্পণ করেন রাসেল। লামচড়ির কয়েজন স্কুল পড়ুয়া ছেলেকে দিয়ে গাঁজা বিক্রি করতে তিনি। এসব শিক্ষার্থীদের নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে একাজ করাতেন রাসেল। এতে তাকে সহযোগীতা করতেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সহযোগী সংগঠনের নামধারী কয়েকজন কথিত নেতা। পরে রাসেল লামছড়ি এলাকায় শুরু করেন ফেন্সিডিল ও মরনেশা ইয়াবার ব্যবসা। ইয়াবা ব্যবসা শুরু করার কয়েকদিনের মাথাই রাসেলের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ! ক্রমশই বাড়তে থাকে রাসেলের মাদক ব্যবসার পরিধি। অস্তে আস্তে তিনি নিয়ন্ত্রনে নেয় গোটা চরবাড়িয়া এলাকা।

গাজির খেওয়াঘাট এলাকায় নদীর পাড়ে রাসেল গড়ে তোলেন একটি ঘর। সেখানে বসে তিনি তার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে থাকেন। এরই মধ্যে রাসেলের সংগ্রহশালায় যুক্ত হয় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র। বেশ কয়েকজন যুবক দিন-রাত ওই ঘরটি অস্ত্র দিয়ে পাহারায় রাখতেন। এলাকাবাসী শুধু দেখতো এসব কার্যকালাপ কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় নি আজ পর্যন্ত।

যদিও রাসেল গাজার নাম ঘোছানোর জন্য ফেন্সেডিল আর ইয়াবার ডিলার হলেও এলাকার মানুষ তাকে পুরনো নামেই চিনে। নিজ এলাকা ছাড়িয়ে রাসেলের বিক্রির সোর্স হিসেবে মহাবাজ এলাকারও কয়েকজনকে ব্যবহার করতো এবং নতুন করে আবারো করছে। তার হয়ে মাদক বিক্রি করছে চরআবদানীরও একজন চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। একাধিকবার জেলবাস করলেও তারা মাদক বিক্রির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে মহাবাজ, চরবাড়িয়া আর চরআবদানী এলাকাও তার নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

রাসেল নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনায় এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবহার করেছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে অস্ত্রসহ এলাকায় মহড়া দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন ভোটার।

পরিচয় গোপন রাখার শ্বর্তে রাসেলের ক্যাডার বাহিনীর এক সদস্যের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদক এর সাথে। তিনি বলেন,‘৮নং ওয়ার্ডের রাসেল ভাইয়ের বিকল্প আর কিছু নেই। রাসের ভাই চাইলে চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা রাখে। ২১ তারিখ যত বড় গ্যাঞ্জামই হোক না কেন রাসেল ভাইকে মেম্বার বানাতে আমরা সবাই মাঠে আছি এবং থাকবো।’

স্থানীয় একাধিক ভোটার জানায়,‘রাসেল একজন মাদকব্যবসায়ী ও চিহ্নিত ক্যাডার, প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ আমরা যাতে সুষ্ঠভাবে এই এলাকায় ভোট দিতে পারি।’

থানা ও আদালত সূত্রে মামলার পরিসংখ্যান অনুসারে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর কাউনিয়া থানায় একটি মাদক মামলা হয় যার নং ১৬/২৭৯। একই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর অপর একটি মামলা নং ১৩/২৭৬। ১০ই মার্চ যে মামলাটি হয় তার নং ১৩/৬৭। ২০১৮ সালের ২০ই ফেব্রুয়ারি কাউনিয়া থানা মামলা নং ২৬/৫৬। একই বছরের ৬ জুন একই থানায় মামলা হয়। ২০১৭ সালের ২৮ জুন যে মামলাটি হয় তার নং ১৪/১২৭। ২০১৬ সালের ৯ই নভেম্বর মামলা নং ৮। ২০১৬ সালের ৫ই অক্টোবর কাউনিয়া থানা মামলা নং ৫। ২০১৫ সালের ১৪ জুন কাউনিয়া থানা মামলা নং ৮। ২০১২ সালে কাউনিয়া থানা মামলা নং ৪। এই প্রত্যেকটি মামলাই মাদকের। ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর কাউনিয়া থানা মামলা নং ১০/২৭৪। ২০১৫ সালের ২৯ আগস্ট কাউনিয়া থানা মামলা নং ১৬। ২৫ জুন ২০১৯ মামলা নং ২৯/১৮১। ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর মামলা নং ৩০/২৩৪। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মারামারি ও হত্যা চেষ্টার একটি মামলা রয়েছে যার নং ৯। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। মামলার বাদী খালেদা পারভীন। ওই মামলায় রাসেল হাওলাদার, আল-আমিন (টোকাই), মামুন হাওলাদার, মামুন ফকিরসহ বেশ কয়েক জন আসামী। এই মামলাগুলোই প্রত্যেকটি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। যার মধ্যে অনেকগুলোই নিস্পত্তি করা হয়েছে। আর বেশ কয়েকটি চলমান রয়েছে। রাসেলের মামলা সংখ্যা যতো বেশি তার অপরাধ প্রবণতা তার কয়েকগুন। তিনি সব সময়ই ধরাছোয়ার বাইরে থেকে মাদক কারবারি করে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানী তথ্য বলছে, গোটা চরবাড়িয়া ইউনিয়নের সকল মাদক সেবীদের একমাত্র মাদকের হাটের মালিক রাসেল। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের হাতে মাদক তুলে দিচ্ছে রাসেল। রাতে মাদক বহন ও নিরাপদে চলাচলের জন্য রাসেলের রয়েছে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা। সড়ক পথে চলাচল করলে যে কারো চোখে পড়তে পারে সে। এই কারনেই নদী পথকেই বেছে নিয়েছে মাদক সম্রাট রাসেল।

অপরদিকে রাসেলকে আটকের জন্য গোটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান করলেও তাকে আটক করা সম্ভব হবে না। কারন তালতলী থেকে সড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে তার লোক লাগানো রয়েছে। কোন এক স্থান থেকে পুলিশ প্রশাসনের কেহ ওই এলাকায় ঢুকলেই সাথে সাথে তার কাছে সংবাদ চলে যায়। ফলে রাসেল চলে যায় তাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ৮নং ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দা জানায়,‘রাসেল দীর্ঘদিন ধরে নানা অপকর্ম করে আসছে আমাদের এলাকায়, তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না কারন যে মুখ খুলবে তাকেই পরতে হবে রোষানলে। এলাকার ময়-মুরুব্বি কাউকে মানেনা রাসেল।’

তারা আরও বলেন,‘রাসলে মেম্বার হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে এলাকায় প্রভাব খাটাচ্ছে, অনেককে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। যার মূল ব্যবসা হলো মাদক, সে যদি এলাকার মেম্বার হয় তাহলে যে আমাদের কি যে অবস্থা হবে বুঝে উঠতে পারতেছিনা।’

এক বিস্বস্ত সূত্রে জানা যায়, রাসেলকে মেম্বার বানাতে উঠেপড়ে লেগেছেন এসময়ের সুদ ব্যবসায়ী তোতা মিয়া, বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা খালেক প্যাদাসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। অর্থের বিনিময়ে ওই নেতারা রাসেলকে সমর্থন করছেন। এছাড়া অর্থের বিনিময়ে কয়েকজন সুবিধাভোগী সাংবাদিক টাকার বিনিময়ে মাদকসম্রাট রাসেলকে ‘জনপ্রিয় নেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সংবাদ প্রকাশ করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক || এলাকার চিহ্নিত চোর নিয়ে মেম্বার প্রার্থী দীর্ঘদিন নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আসছে। চোর নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ঘটনা বলায়।বর্তমান মেম্বার সহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেছে নতুন মেম্বার প্রার্থী ও তার ক্যাডার বাহিনী।ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়াবুনিয়া গ্রামে।আহত সূত্রে জানা যায়,জব্বার প্যাদা ফুটবল প্রতীক নিয়ে এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।আর তার এই নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে এলাকার চিহ্নিত চোর ও একাধিক মামলার আসামি ভাষান কে নিয়ে।এলাকার এই চিহ্নিত চোর সর্বশেষ স্টান্ডে একটি দোকান চুরি করে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।এ ঘটনা নিয়ে একটি চুরির মামলা হয়। ওই ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার জহীরের ভাই এই ঘটনা একটি পরিবারকে বলাই, মেম্বার প্রার্থী জব্বার পাদা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে গত ১৩ ই জুন রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার সময় জহির মেম্বারের নিজ বাড়িতে হামলা চালায়।বাড়িতে ঢুকে জহির মেম্বারসহ তার দুই ভাই শাহরিয়া (৪৬) ও রাসাওয়ান ও বৃদ্ধ পিতা মজিবুর মাতুব্বরকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথার ওপর কুপিয়ে জখম করে।অতঃপর স্থানীয় জনগণ আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতলে নিয়ে যায়।শাহরিয়ারের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।এঘটনায় বর্তমান মেম্বারের ফুপাতো ভাই ফেরদৌস খান কিসলু বাদী হয়ে ২০ জনকে আসামি করে ও ৩০ জনের নামে অজ্ঞাত নামা  একটি মামলা করে।মামলা নম্বর ২০।মামলার আসামিরা হলো, জব্বার প্যাদা,জলিল, খলিল,ফোরকান ও আলমগীর, কামাল,জাহিদ,আব্দুলসত্তার,সালাম প্যাদা, ইউসুফ,জলিল প্যাদা,মালেক প্যাদা,খালেক, জাহিদ, ইব্রাহিম,ভাষান,হৃদয়সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৩০ জন।

 

রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি’র ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা নাসরিনকে নিয়ে গত ৩১ মে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করেন তার ননদ জান্নাত আরা। যা বরিশালের স্থানীয় দৈনিক আলোকিত বরিশাল, দৈনিক মতবাদ, দৈনিক কীর্তনখোলা, দৈনিক শাহানামা, দৈনিক সমায়ের বার্তা, দৈনিক বরিশালের কথা সহ বেশ কয়টি আঞ্চলিক পএিকায় বিভিন্ন শিরোনামে ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা নাসরিনকে নিয়ে সংবাদ হয়েছে। এই সংবাদের ভিন্ন মত প্রকাশ করে রাজবাড়ি জেলার বালিয়াকান্দির ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা বলেন, এটি আমার স্বামী, শাশুড়ী ও ননদের পারিবারিক বিষয়। এখানে আমার কোন বিষয় নই। এ বিষয়ে কখনো কান দেই না। আমি এই সম্পদের ওয়ারিশ ও না। আমি চাকরির সুবাদে রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি থাকি। আমার সম্মান হেয় করার জন্য আমাকে জড়িয়ে যেসব তথ্য দেয়া হয়েছে তা সত্য নয়। আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্যই এধরনের বক্তব্য দিয়েছে। এটা তাদের পারিবারিক বিষয়। এখানে আমি বসবাসও করি না। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করিয়ে তাদের কি লাভ হয়েছে তাও আমার বোধগম্য নয়। আমি চাই তাদের এই সমস্যা তারা নিজেরাই মিটিয়ে ফেলুক। তাতে আমার কোন আপত্তিই নেই। আমি এই সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ইউএনও আম্বিয়ার শাশুড়ী জানান, আমার মেয়ের বিবাহ হয়েছে। কিন্তু শশুড়আলয় তুলে নিচ্ছে না। কারন, তুলে নিতে হলে আমার মেয়ের নামে বাড়ির দোতালা লিখে দিতে হবে। তার জন্য তারা আমার মেয়েকে চাপ সৃষ্টি করে। তাই মেয়ে তার সংসার বাচাঁনোর জন্য আমার ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু আমি বাড়ি লিখে দিতে অস্বীকার করলে আমার ওপর বারবার চড়াও হয় এবং আমার গায়েও হাত তোলে। তারপর আমি সহ্য না করতে পেরে ৯৯৯ নম্বরে কল করি। তারপর পুলিশ এসে সবকিছু শুনে আমার বাড়ি থেকে তাদেরকে নামিয়ে দেয়। আমার বক্তব্য, আমার মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ হিসেবে যতুটুকু সম্পত্তি সে পাবে তাকে ততুুটুকুই দেয়া হবে। কিন্তু আমি জীবিত অবস্থায় কাউকেই বাড়ি ও সম্পত্তি লিখে দিতে রাজি না। আমার ছেলে ও ছেলের বউ ইউএনও এখানে থাকে না। আমার ছেলে বউ এ বিয়য়ে কোন মাথা ব্যাথাও নেই। সে তার কাজ ও সংসার নিয়ে সে সময় ব্যস্ত থাকে। কেন তাকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে তাও আমার জানা নেই। আমার পরিবারদের কে নিয়ে আমার মেয়ে জান্নাত আরা মনগড়া তথ্য দিয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার আমি তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। জান্নাত আরার ভাই মোঃ আসিফ ইকবাল জানান, আমার বোন দীর্ঘদিন যাবত শশুড়আলয় যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছে । কিন্তু আমার বোনের শাশুড়ী এবং স্বামী সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাড়ির দোতালা, সম্পত্তি এবং ব্যাংকে গচ্ছিত নগদ টাকা আমার বোনের নামে লিখে না দিলে তারা আমার বোনকে শশুড়আলয় নিবে না। আমার বোন সংসার বাচাঁনোর জন্য প্রতিনিয়িত আমার মায়ের উপর চাপ প্রয়োগ করতো এবং এক পর্যায়ে তার গায়ে হাত তোলা শুরু করে। আমার মা তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা নেন। আমি ঢাকায় চাকরি করি। এই সুযোগে আমার বোনের স্বামী ও তার মা পরিকল্পিত ভাবে সম্পত্তি হাসিলের উদ্দেশ্যে আমার মায়ের ওপর হামলা করে। আমরা তার কোন সার্টিফিকেট, পাশ বই, গহনা, জামা কাপড় কোন কিছুই আটকে রাখিনি। সব কিছুই তার ব্যক্তিগত রুমের ব্যক্তিগত আলমারিতে রক্ষিত আছে। যার চাবি আমার বোন জান্নাত আরা’র কাছেই আছে। আমি এবং আমার স্ত্রী কোন ভাবেই তাকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করিনি। কারন, আমরা এই সম্পত্তির মালিক নই। এই সম্পত্তির মালিক আমার মা। আমার পিতার সম্পত্তি আমার চাচা ও ফুফুদের সাথে এজমালি আছে। যা এখোনো ভাগ-বাটোয়ারা হয়নি। আমার বোন জান্নাত আরা মনগড়া তথ্য দিয়ে আমাদের নিয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার আমি তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রতিবাদকারী
হাওয়া নূর বেগম
জানুসিংহ রোড, কাউনিয়া ২নং ওয়ার্ড, বরিশাল ।
মোঃ আসিফ ইকবাল, ঢাকা।
আম্বিয়া সুলতানা নাসরিন
ইউএনও, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ি ।