ঢাকায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শহরের আমতলা সড়কের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ছাত্রদল নেতারা জানায়, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দিপুর নেতৃত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সামনের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে ব্যানার কেড়ে নিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দিপু বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে ছাত্রদলের খাবার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রগীল হামলা চালায়। এতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনসহ অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়। এর প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও পালন করতে দিচ্ছে না পুলিশ। আমরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ ব্যানার কেড়ে নেয়। মিছিল সামনের দিকে যেতে চাইলে অসংখ্য পুলিশ এসে চারদিক ঘিরে ফেলে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে যেতে বাধ্য করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, মিছিল নিয়ে শহরে প্রবেশ করলে শান্তিশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়।

ঝালকাঠিতে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
গতাকল বুধবার রাত ১০টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক মো. মাইনউদ্দিন ও এসআই মো. আসলাম খানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রাব্বী সরদার (২২) ও মতিউর রহমান (৪৩)।
ঝালকাঠি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাইনুদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মধ্য চাদকাঠি এলাকা থেকে রাব্বী সরদার ও মতিউর রহমানকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বরিশালে গলদা চিংড়ির রেণুসহ পৃথক স্থান থেকে আটক ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এদের মধ্যে একজনকে একবছর ও বাকি ১৮ জনকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

 

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্না এ আদেশ দেন।

এর আগে সকালে উপজেলা প্রশাসন ও নৌ-পুলিশের পৃথক অভিযানে সাড়ে সাত লাখ গলদা চিংড়ির রেণুসহ তাদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের বাড়ি ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

বরিশাল সদর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, ভোলা থেকে ট্রাকে করে বাগেরহাটে গলদা চিংড়ির রেণু পাচার হচ্ছে এমন সংবাদে চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। এ সময় একটি ট্রাকের ২০টি প্লাস্টিকের ড্রামে থাকা ছয় লাখ গলদা চিংড়ির রেণুর জব্দ করা হয়। আটক করা হয় ট্রাকে থাকা ১৯ জনকে। দুপুর ২টার দিকে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে ১৮ জনকে এক মাস করে করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। একজনের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় তাকে খালাস দেয়া হয়।

 

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটগামী একটি পিকআপে ৫ টি ড্রামভর্তি দেড় লাখ গলদা চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়। এসময় একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :: স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগে বরিশাল নগরীতে দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক জাহানারা বেগমের (৪০) বাড়ি কুমিল্লা ও বিলকিস আক্তারের (৩৫) বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বলে জানা গেছে।

কোতয়ালি থানার এসআই দোলা জানান, লঞ্চঘাট এলাকায় এক নারীর চিৎকার শুনে টহলরত পুলিশ গিয়ে জানতে পারে অপরিচিত দুই নারী তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পরে অভিযুক্ত দুই নারীকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আটকদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত চেইনটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো জানান, ওই দুই নারী মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা একেক সময় একেক নাম-ঠিকানা বলছেন।

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আটক দুই নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’’

বরগুনা প্রতিনিধি :: বরগুনার তালতলীতে দুলাভাইয়ের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি ও থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সকালে তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পাশের জেলার কলাপাড়া উপজেলার লেবুপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলো- দুই নম্বর আসামি রুবেল (২৮) ও চার নাম্বার আসামি জাহিদুল ইসলাম (২১)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ৩১ মার্চ উপজেলার সোনাকাটা টেংরাগিরি-ইকোপার্ক বনে দুলাভাইর সাথে ঘুরতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় এক তরুণী। পরে দিন ১ এপ্রিল থানার ওই তরুণী বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। পরে পুলিশ বিভিন্ন সময় অভিযান চালায়। এরই সূত্র ধরে গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিক্তিতে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া এলাকায় লেমুপাড়া এলাকা থেকে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি মো. কামরুজ্জামানের যৌথ অভিযানে চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা ও তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

বরিশাল নগরের কাশিপুরে বিআরটিসি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এবিএম জসিম উদ্দীন (৩৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে বরিশাল নগরের কাশিপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত এবিএম জসিম উদ্দীন পটুয়াখালী জেলার টেলিখালি এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবিএম জসিম উদ্দীন পটুয়াখালী থেকে মোটরসাইকেল যোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।

পথে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে বরিশাল নগরের কাশিপুরে বিপরীতমুখী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে ধাক্কায় গুরুত্বর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।

মোঃরাজিবুল হক (বরগুনা প্রতিনিধি)

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)বামনা উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। দৈনিক ইত্তেফাক বামনা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমানকে সভাপতি ও দৈনিক আমাদের সময় বামনা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ ওমর ফারুক সাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত (৪ মে)রোজ মঙ্গলবার সরকারি সারওয়ারজান পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বরগুনা জেলা সমন্বয়কারী এম ডি রিয়াজ হোসেন এর সভাপতিত্বে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বামনা উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু মোঃ মাসুদ রেজা ফয়সাল বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (রিপোট-৭১), সহ-সভাপতি মোঃ হুমায়ূন কবির সিকদার বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক আমাদের কন্ঠ ), সহ-সভাপতি এস এম ফোরকান মাহমুদ বরগুনা জেলা প্রতিনিধি (দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ),যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদেকুর রহমান বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক সরেজমিন বার্তা ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেল্লাল হেসেন বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক বাংলাদেশের আলো), সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান (মান্না) বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ ও সংবাদ সারাদিন ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাজিবুল হক বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক সাহসী সংবাদ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রুমান গোলদার বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক গণজাগরণ), প্রচার সম্পাদক মোঃ মানজুরুল হক বাক্কি বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক দক্ষিণ অঞ্চল), দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ মানজুরুর মুকতাদির নাহিন আহসান রাহাবার বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক আমার সংবাদ ও সৈকত সংবাদ), তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক দিন প্রতিদিন ও সংবাদ সারাদিন) ও সদস্য মোঃ জাকির হোসাইন বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক ইনকিলাব), মোঃ সালাহউদ্দিন বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক মুক্ত খাবর),মোঃ বাসির মোল্লা বামনা উপজেলা প্রতিনিধি(দৈনিক জনতা), মোঃ জহিরুল হক বাদল বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক আজকে বিজনেন্স বাংলাদেশ ), মোঃ হাসানুজ্জামান সেতু বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (বিবিসি নিউজ-৭১), মোঃ নজরুল ইসলাম বামনা উপজেলা প্রতিনিধ (দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ ), মোঃ রাসেল রানা বামনা উপজেলা প্রতিনিধি (দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশ) ।

বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় গাঁজাসহ ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। বন্দরথানা পুলিশের পৃথক দু’টি অভিযানে ২৫ গ্রাম ও ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে আটক করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, বন্দরথানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) সজল সাহা রাত সাড়ে ১০ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টুংগীবাড়িয়া ইউনিয়নের স্লুইজগেট নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে টুংগীবািয়া ইউনিয়নের বিশারত গ্রামের মৃত ছালাম গাজীর পুত্র নাসির গাজী(২৫)কে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে।

এঘটনায় বন্দর থানায় এস আই সজল সাহা বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে বন্দর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এসআই) সামসুল ইসলাম আজ সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টুংগীবাড়িয়া ইউনিয়নের নরকাঠি বাংলালিংক টাওয়ার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নরকাঠি গ্রামের সিরাজ হাওলাদারের পুত্র রবিন হাওলাদার(২০)কে ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে।

এঘটনায় বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় এসআই সামসুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, আমাদের মাদক বিরোধী অভিযানে এরা আটক হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বন্দরথানা পুলিশের সাথে মাদকের কোন আপষ নাই। আমরা মাদক নির্মূলে কঠোর অভিযান পরিচালনা করবো।

তবে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান চৌকোস এই পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এক গৃহবধূ। সেই জিডি তদন্তের নামে ওই গৃহবধূকে থানায় ডেকে যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশের উপপরিদর্শকের (এসআই)এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (গৃহবধূকে) বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে সোমবার (২৪ মে) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন যৌন হয়রানির শিকার ওই গৃহবধূ। তবে এক সপ্তাহ পর আজ সোমবার (৩১ মে) বিষয়টি জানাজানি হয়।

মামলার বাদী জানান, পুলিশের চাপের মুখে এতদিন কাউকে বিষয়টি জানাতে পারেননি।

বাদীর আইনজীবী আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

মামলার এজাহার উল্লেখ করা হয়েছে, নগরীর ধান গবেষণা রোড এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। তা তদন্তের দায়িত্ব পান কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আসাদুল ইসলাম। তিনি জিডির বিষয়টি তদন্তের জন্য বাদীকে থানায় ডেকে নেন।

১৬ অক্টোবর বাদী থানায় গেলে এসআই আসাদুল নানা অজুহাতে তার রুমে বাদীকে বসিয়ে রাখেন। এরপর দস্তখত গ্রহণের অযুহাতে এসআই আসাদুল বাদীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং ঘাড়ে চুমু দেন। এর প্রতিবাদ জানালে মামলার আসামি বাদীকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং বিবাহ করার আশ্বাস দেন। এ সময় বাদীর স্বামী এসে পড়লে এসআই আসাদুল ওই নারীকে ছেড়ে দেন।

এ ঘটনার পরপরই বাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালে তিনি বিচার করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ওসি তখন জানান অভিযোগের বিষয়ে একজন নারী এএসআই তদন্ত করবেন। যৌন হয়রানির শিকার গৃহবধূ ওই এএসআইয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে জানতে পারেন তিনি কিছুই জানেন না। মূলত অসত্য অযুহাতে কালক্ষেপণ করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সেই সঙ্গে থানায় লিখিত এজাহার দিতে চাইলে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। মামলায় থানার সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যালোচনা করলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও বাদী উল্লেখ করেছেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, মামলার বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবে আমরাও খতিয়ে দেখছি।

মামলার বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই আসাদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মামলার তদন্ত করতে যাওয়ায় মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

বরিশাল জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার হুমায়ূন কবির ঢাকা পোস্টকে জানান, এখন পর্যন্ত এমন কোনো মামলার দায়িত্ব পিবিআইতে আসেনি। মামলার দায়িত্ব পেলে যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে।

উজিরপুর প্রতিনিধি॥ বরিশালের উজিরপুরে প্রাইভেট শিক্ষক কর্তৃক এসএসসি পরিক্ষার্থীকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে শারিরিক নির্যাতন করে, ক্ষোভে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ প্রাইভেট শিক্ষকসহ ২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। ছাত্র’র পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের মুলপাইন গ্রামের আব্বাস ফকিরের ছেলে রিফাত ফকির(১৬) এবং বড়াকোঠা ইউনিয়নের গড়িয়া গ্রামের সেলিম আকনের মেয়ে তানজিলা হাসান তোফা চৌমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একই ক্লাসে লেখা-পড়া করে।

এরই সুবাদে দুজনের মধ্যে দেড় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ছাত্রীর মাতা জোবেদা বেগম ২৫ মে সকালে প্রাইভেট শিক্ষক গড়িয়া গ্রামের ছত্তার গোমস্তার ছেলে রফিক গোমস্তা(২৫) এর কাছে নালিশ করেন। প্রাইভেট শিক্ষক রফিক অতি উৎসাহী হয়ে একই এলাকার আশ্রাব আলি হাওলাদারের ছেলে ইমরান হোসেন হাওলাদারকে বিষয়টি জানান।

এরপর ইমরান বিকেল ৩টায় রিফাতকে বাড়ী থেকে ডেকে গাববাড়ী নামক স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে রফিক ও ইমরান মিলে শাসনের নামে প্রকাশ্যে ছাত্র রিফাতকে মারধর করে এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকী দিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। হামলার ঘটনা ও প্রেম সংঘঠিত বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভে ২৬ মে সকাল ৭টায় নীজ বসত ঘরে বিষপান করে ওই ছাত্র। বাড়ীর লোকজন টের পেয়ে মূমূর্ষ অবস্থায় রিফাতকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২ টায় মারা যায়। লাশ ময়না তদন্ত শেষে বিকেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই দিন জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ছাত্র’র দাদী হোসনেয়ারা বেগম(৭০) সাংবাদিকদের কান্না করে বলেন আমার নাতি রিফাত তার সহপাঠি তানজিলার সাথে প্রেমের সর্ম্পক থাকায় তার মাতা জোবেদা বেগম প্রাইভেট শিক্ষক রফিকের কাছে নালিশ করেছে। এরপর রফিক ইমরানকে পাঠিয়ে আমার সামনে থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দিয়ে রিফাতকে ডেকে নিয়ে মানুষের সামনে মারধর করেছে।

একারনেই আমার আদরের নাবালক নাতী রাগে, ক্ষোভে, লজ্জায় এবং ভয়ে বিষপান করেছে। মামলার বিষয়টি ৩১ মে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউল আহসান নিশ্চিৎ করেছেন। অভিযুক্ত প্রাইভেট শিক্ষক মোঃ রফিক গোমস্তা ও স্থানীয় ইমরান হাওলাদার ঘটনার পর থেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে রফিকের কাছে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানিনা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান ।

ছাত্রীর পরিবারের লোকজনও বাড়ীতে না থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে নিহত ছাত্র’র পরিবার ও এলাকাবাসী সুবিচারের দাবীতে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছে।