নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না ইল্লাহি ওয়া ইন্নাল্লাহির রাজেউন)। রাজধানী ঢাকার ল্যাব এইড হসপিটালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি তিন ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এই বীরযোদ্ধার বন্ধু প্রদীপ কুমার ঘোষ জানান, কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ ১৯৭১ সালে ৯ নম্বর সেক্টরে মেজর এম এ জলিলের নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিলেন।

কুতুব উদ্দিন আহম্মেদের এক ছেলে সাঈদ আহম্মেদ মান্না বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেশকিছু দিন ধরে বাধ্যর্কজনিক রোগে ভুগছিলেন। গত রোববার তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন দুপুরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এবং পরবর্তীতে সেখানকার ল্যাব এইড হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছিল।

সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুবরণ করেন।

বেলা সোয়া ১২টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ খবরে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধাকে বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে।’

বিভিন্ন পন্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় বরিশালে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস দাসের নেতৃত্বে এবং পুলিশের সহয়তায় মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর নতুনবাজার ও বটতলা বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান পরিচাললনাকালে ভ্রাম্যমান আদালত নগরীর বটতলা বাজারে মেসার্স কুষ্টিয়া রাইস এবং নতুন বাজার এলাকায় মেসার্স রতন স্টোরে বিক্রির উদ্দ্যেশে রাখা চালে পাটজাত মোড়কের (বস্তার) পরিবর্তে প্লাস্টিকের মোড়ক পান। এ সময় পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ অনুযায়ী মেসার্স কুষ্টিয়া রাইস প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার এবং মেসার্স রতন স্টোরকে ৫০০ টাকাসহ মোট দেড় হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস দাস জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার আইন অনুযায়ী চাল, ডাল, আটা, ময়দা, ভূট্টা সহ অন্যান্য নিত্য পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহারে বাধ্য বাধকতা রয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী এই নিয়ম না মেনে প্লাস্টিকের মোড়ক ব্যবহার করছেন। এ কারনে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের নির্দেশে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান চলবে বলে জানান তিনি।

মো: রাজিবুল হক রাজু ( বরগুনা প্রতিনিধি)||

বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিন রামনা গ্রামে এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত ইজিবাইকে চালক কর্তৃক শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ফুলঝুড়ি খেয়াঘাটের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী বরগুনা সরকারি কলেজের অনার্স ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী। আর অভিযুক্ত চালক আল-আমীন হোসেন (২৫) বামনা সদর ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের রিকসা চালক পনু মিয়ার ছেলে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানায়, তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী কাঠালিয়া উপজেলার চেচরী রামপুর ইউনিয়নের ভায়লাবুনিয়া গ্রামে। তিনি বরগুনার কুমড়াখালী গ্রামে মামা বাড়ি থেকে সরকারি কলেজে ইংরেজি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়েন। ঘটনার দিন তিনি কাঠালিয়া থেকে ওই ইজিবাইক যোগে বামনা হয়ে কুমড়াখালীতে যাচ্ছিলেন। ইজিবাইক বামনাতে আসার পরে চালক আল-আমীন তাকে ফুলঝুড়ি খেয়াঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। ওই গাড়িতে আর কোনো যাত্রি ওঠায়নি চালক। ফুলঝুড়ি খেয়াঘাটের কাছে বিষখালী নদীর তীরের বেরিবাঁধের উপর উঠলে চালক আল-আমীন তাকে বিভিন্ন প্রকার কু-প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে গাড়ি থামিয়ে তার শরীরে স্পর্শ করার চেষ্টা চালায়। এ সময় সে গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ও চিৎকার দেয়। বরগুনা কোর্টে আসামি রেখে তখন বামনা থানা পুলিশের দুই সদস্য খেয়াঘাট থেকে থানায় ফিরছিলো। তারা তার কাছে ঘটনাটি শুনতে পেয়ে তাৎক্ষনিক ওই চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

রাত সাড়ে ৭টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাদী হয়ে চালক আল-আমীন হোসেনকে আসামি করে বামনা থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এব্যাপারে বামনা থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি ন্যাক্কারজনক। আমাদের পুলিশ সদস্য ঘটনার সময় ওই পথ দিয়ে না আসলে বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। আমরা মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। পরে রাতে একটি মামলা নিয়ে মেয়েটিকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেই।

দুদকের দায়ের করা ১৪টি পৃথক দুর্নীতি মামলায় বরিশাল নগরীর নবগ্রাম সড়কে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংকের রায়পাশা শাখার ম্যানেজার মো. দেলোয়ার হাসানকে (পলাতক) বিভিন্ন মেয়াদে ৪২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৬০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বরিশালের বিভাগীয় আদালতের স্পেশাল জজ মো. মহসিনুল হক মঙ্গলবার ওই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এছাড়া অপর আসামি ব্যাংক অফিসার শাহ আলমকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশিদ জানান, বরিশাল দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক মো. ওয়াজেদ আলী গাজী বিভিন্ন মামলায় উল্লেখ করেন, আসামি গ্রামীণ ব্যাংকের রায়পাশা শাখার ম্যানেজার থাকাকালীন ২০১১ সালের ১২ জুন থেকে ২০১১ সালের ৫ জুলাই পর্যন্ত উক্ত মেয়াদে উক্ত শাখার বেশ কয়েকজন সদস্যের নামে ভুয়া ঋণ দেখিয়ে জাল স্বাক্ষর ঋণ বিতরণের খতিয়ান ব্যবহার করে টাকা তুলে ব্যাংকে জমা বা পরিশোধ না করে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ ব্যাপারে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর মামলা দায়ের করেন দুদক বরিশাল অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক মো. ওয়াজেদ আলী গাজী। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার চার্জশিট দেন দুর্নীতি দমন বরিশাল অফিসের উপ-পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি মো. দেলোয়ার হোসেনকে ১৪টি পৃথক মামলায় ৪২ বছর বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া ৬০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

বরিশালের নবাগত জেলা প্রশাসকের কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন কারাবন্দিদের মাঝে টিভি, সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়।

আজ ২৭ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০ টায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে অপরাধী সংশোধন ও পূনর্বাসন সমিতি, সমাজসেবা অধিদফতর এবং বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার এর আয়োজনে বরিশাল কারাগারের বন্দিদের চিত্ত বিনোদন ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে টেলিভিশন, শীতবস্ত্র কম্বল, নারী কয়েদিদের জন্য শাড়ি এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের নবাগত জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার প্রশান্ত কুমার বর্নিক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গৌতম বাড়ৈ, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ হোসেন চৌধুরী,

সিনিয়র সাংবাদিক এস এম ইকবাল, সনাক সভাপতি অধ্যাপিকা শাহ্ সাজেদা, প্রাবেশন অফিসার জেলা সাজ্জাদ পারভেজ,

বেসরকারি কারা পরিদর্শক রিজভীউল কবির, পরিচালক এনআরবিসি ব্যাংক মোস্তাফিজুর রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে অতিথিরা সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা শেষে কারাগারের বন্দিদের চিত্ত বিনোদন ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে বেসরকারি কারা পরিদর্শক ও সমন্বয়কারী অপসোনিন এর পক্ষ থেকে ২০ টি টেলিভিশন বিতরণ করা হয়।

পাশাপাশি পরিচালক এনআরবিসি ব্যাংক ও কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান এর পক্ষ থেকে শতাধিক শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন এবং অপরাধী সংশোধন ও পূনর্বাসন সমিতির পক্ষ থেকে নারী কয়েদিদের মাঝে দুইটি সেলাই মেশিন এবং ৬০ জন কয়েদিদের জন্য শাড়ি বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

পরে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসকসহ কমিটির সদস্যদের সাথে নিয়ে কারাগার পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।

ভোলা সদর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড থেকে ৩০০ পিচ ইয়াবাসহ এক বেদে নারী ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

 

বুধবার দুপুরে তাকে আটকের পর বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

আটক বেদে নারী হাওয়া বিবি (৩৫) মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার গোয়ালী মান্ডা গ্রামের সাইফুল মিয়ার স্ত্রী।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ডিবি শহিদুল ইসলাম।

 

বরিশাল নগরীর এক অসহায় মেয়ে সুখী বেগম। পিতা মাতা থাকা সত্ত্বেও পরিচয় বিহীন জীবনযাপন করছে মেয়েটি।অবশেষে দীর্ঘ ৩২ বছর পর পিতৃত্বের পরিচয় ও ভরন পোষনের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হল অসহায় মেয়ে সুখী বেগম। গত ২৫ জানুয়ারি বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতে নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড চানমারী মাদ্রাসা সড়কের বাসিন্ধা সুখী বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি পরবর্তী আদেশের জন্য রাখেন। মামলার বিবাদী করা হয় একমাত্র পিতা ঝালকাঠি বিশ্ব রোড চৈতি ভিলার বাসিন্ধা ও ঝালকাঠি জেলাপ্রশাসক কার্যালয়ের কর্মরত গাড়িচালক মৃত আক্কেল আলি হাওলাদারের ছেলে মোক্তার হাওলাদার।

মামলা সূত্রে জানাযায় যাবেদা বেগম ও মোক্তার হাওলাদার দম্পতির সংসারে ২০ মার্চ ১৯৮৮ সালে জন্মগ্রহণ করে। এর পর তার মা যাবেদা বেগমের সাথে তার পিতা মোক্তার হাওলাদারের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তখন বাদী সুখী বেগমের বয়স মাত্র ৫ বছর ছিল। বাদীর মা যাবেদা বেগম অনত্র্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে এর পর থেকে সুখী পিতামাতা হীন হয়ে বিভিন্ন মানুয়ের কাছে আশ্ররিত হয়ে লালিত পালিত হয়। বাদী বিভিন্ন মানুষেরকাছে বেড়ে ওঠার পরও বিভিন্ন ভাবে তার পিতৃ পরিচয় আদায়ের চেস্টা করলেও ব্যার্থ হয়। গত বছর ২৫ ডিসেম্বর ফের সুখী তার পিতা মোক্তার হাওলাদারের বাসায় গিয়ে পিতৃপরিচয় ও ভরন পোষন দাবি করলে সুমি বেগমকে তার পিতা অস্বীকার করেন। অবশেষে অসহায় এই মে পিতার হক আদায় করতে আদালতের দ্বারস্ত হয়।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন ২৮নং ওয়ার্ড (ফিশারি রোড পিছনের) এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র ফারুক হোসেন (৫৮) ওরফে মামলাবাজ ফারুকের বিরুদ্বে এক যুবকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে (০৩নং) আসামী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হয়রানীর শিকার ভুক্তভুগী যুবক আদনান হোসেন (২৬) একই এলাকার আলতাফ হোসেনের পুত্র। আদনান হোসেনের পরিবারের দাবী, মামলাবাজ ফারুক হোসেন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আদনানের বিরুদ্বে গত ২০ জানুয়ারী সাজানো একটি মামলা দায়ের করেন। গত ২০/০১/২০২১ তারিখ এয়ারপোর্ট থানায় (মামলা নং- ৪০৪(৫)/১) করা মামলার বিবরনিতে মারামারিতে আদনানের সম্পৃক্ততার কথা বলা হলেও ঘটনার সময় ১১/০৯/২০২১ তারিখ ঘটনার সময় আদনান এলাকায় থাকা তো দুরের কথা, বরিশালেই ছিলোনা। ঘটনার আগের দিনই (১০তারিখ রাতে) আদনান (ক্রিসেন্ট শিপিং লাইনস) সূরভী-০৯ লঞ্চে ঢাকায় গিয়েছেন। ঢাকা বাসাবো’তে একটি মেসে থাকেন তিনি। ১১তারিখ সকালে ঢাকা পৌছিয়ে নীল ক্ষেত গিয়ে বই কেনেন, সন্ধা ৭টায় সিটি কর্পোরেশনের ময়লার বিল, ও সাড়ে ৭টায় ওয়াফাই বিল পরিষদ করেন। পরবর্তিতে ওই দিন’ই তিনি তার মেসের ভাড়া পরিষধ করেন। এখনো তিনি ঢাকা অবস্থান করছেন। যার সিসিটিভি ফুটেজও আদনানের পরিবারের কাছে আছে বলে জানাজায়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (এম.বি.এর) শিক্ষার্থী ও মিথ্যা মামলায় ৩নম্বর আসামী হওয়া শিক্ষার্থী আদনান বলেন- আমাকে হয়রানী করার জন্য ফারুক হোসেন এই ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলাটি দিয়েছেন। আমি বর্তমানে মানুষিক চাপে আছে। অভিযোগ রয়েছে ফারুক ইতিপূর্বে অনেকের নামে এধরনের ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে নিজের স্বার্থ উদ্বার করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে ফারুক হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাদিকবার ফোন করা হলেও (০১৭১১-….৩১৫) ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয় সম্বব হয়নি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিরুপায় আদনান হোসেন ও তার পরিবারের দাবী অতি দ্রুত যেন ঘটনার পিছনের ঘটনা খতিয়ে দেখে মামলাবাজ প্রতারক ফারুকের লাগাম টেনে ধরে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করেন। নয়তো হয়রানীর শিকার হতে হতে অচিরেই আদনানের মতো অনেক উজ্জল ভবিষৎ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সামাজিক সুরক্ষা  ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বরিশাল  বিভাগের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার (ডিএলআরসি)   তরফদার মোঃ আক্তার জামীল বরগুনা জেলার সদর উপজেলার  তিন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেছেন।  ২৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ রবিবার তিনি উক্ত ভূমি অফিসসমূহ পরিদর্শন করেন। বেলা ৯:০০ টায় প্রথমে তিনি সদর উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান এবং ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তিনি ই-নামজারি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেন। এছাড়া মঞ্জুরকৃত নামজারির ডিসিআর ধরে না রাখা এবং যথাসময়ে তা আর্কাইভ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া হাট-বাজারের পেরীফেরি নির্ধারণ, চান্দিনা ভিটি  ও অর্পিত সম্পতির লীজ আইনানুগভাবে নবায়ন, মিস কেইসসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তিকরণ, দেওয়ানী মামলার এসএফ ও অডিট আপত্তির জবাব যথাসময়ে প্রেরণ, সিকস্তি ও পয়স্তি জমির এডি লাইন নির্ধারণ প্রভৃতি বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এরপর তিনি একে একে আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং পিতাম্বরগঞ্জ  ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এখানে তিনি খাস জমিসহ সরকারি সকল সম্পত্তি সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় এর নিমিত্ত ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়ারের  চলমান পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত ডাটা সংগ্রহ ও এন্ট্রি প্রদানের নির্দেশনা দেন।

এছাড়া ভূমি অফিসের  সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। এসময় তার সাথে বরগুনা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি ) এর অতিরিক্ত দায়িত্বে কর্মরত বরগুনা সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার এবং ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৫) জোরপূর্বক ধর্ষনের ফলে ওই ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরেছে। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বার্থী এলাকার। এঘটনায় থানায় ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগি মাদ্রাসা ছাত্রীকে দীর্ঘদিন যাবত প্রেমের প্রস্তাব ও উত্যক্ত করে আসছিলো একই গ্রামের মৃত খসরু মাঝির পুত্র বাপ্পি মাঝি (২২)। এরই মধ্যে বাপ্পির সাথে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ছয় মাস পূর্বে বাপ্পি মাঝি ভুক্তভোগির বসতবাড়ীতে এসে তাকে (ছাত্রী) জোরপূর্বক ধর্ষন করে। সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারী ছাত্রীর পেটে ব্যাথা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামী বাপ্পির মা র্ঝনা বেগম ও ভুক্তভোগির খালা তানিয়া বেগম ভুক্তভোগিকে একটি বেসরকারী ক্লিনিকে নিয়ে গেলে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পরে। পরবর্তীতে বিষয়টি আসামি বাপ্পিকে জানানো হলে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। শুক্রবার সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।