বরিশালে বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার দাবিকৃত শিশুর মেডিকেল রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে আদালতে। শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) থেকে প্রেরিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, শিশুটি ধর্ষণের শিকার নয়।

নাম প্রকাশ না করার সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শেবাচিম ফরেনসিক বিভাগের একাধিক সূত্র। তবে দায়িত্বশীল কেউ এ ব্যাপারে সরাসরি বক্তব্য না দিয়ে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। আর ১০-১১ বছরের শিশু কাউকে ধর্ষণ করার সক্ষমতা রাখে না বলেও জানিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

ফরেনসিক বিভাগের সূত্র মতে, ধর্ষণের শিকার দাবি করা একজন মানুষের দেহে যে ধরনের আলামত থাকে তার কিছুই পাওয়া যায় নি ঐ শিশুটির ক্ষেত্রে। এমনকি শরীরে উল্লেখযোগ্য কিংবা ধর্ষণের সঙ্গে মিল থাকতে পারে এমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নি। শারীরিক পরীক্ষা করার পর এসব বিষয় তুলে ধরে করা রিপোর্ট হাসপাতালটির পরিচালকের কাছে সিলগালা করে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

রিপোর্টের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে শেবাচিম পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট তিনি সরাসরি হাইকোর্টে জমা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদানের এখতিয়ার তাঁর নেই। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানাতে পারে বলে উল্লেখ করেন এই চিকিৎসক।

তাই যোগাযোগ করা হয় বাকেরগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকারের সঙ্গে। তিনি বলেন,‘বিষয়টি আগামী ২২ নভেম্বর মহামান্য আদালতের ধার্যকৃত শুনানির দিন খোলাসা হবে’। এর আগে বিষয়টি নিয়ে জানতে হলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করার পরামর্শ দেন।

তবে পুলিশের হাতে উক্ত শিশুর মেডিকেল রিপোর্টের কোন কপি আসে নি বলে নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম। এই কর্মকর্তা বলেন,‘বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রথম রিপোর্টটি আমরা পেয়েছি। তবে শেবাচিমের রিপোর্টের কপি আমাদের দেয়া হয় নি’।
এদিকে শেবাচিমের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডাঃ অসীম কুমার সাহা বলেন,‘ দশ বা এগারো বছরের স্বাভাবিক শিশু কখনোই ধর্ষণ করতে পারে বলে আমার অভিজ্ঞতায় এবং চিকিৎসা শাস্ত্র পড়তে গিয়ে পাইনি। শিশুর শারীরিক প্রস্তুতি ১০ থেকে ১১ বছর বয়সে হয় না। ‘ইন্টারকোর্স’ বলতে যে বিষয় রয়েছে সেটাইতো মানবদেহে এ বয়সে সঞ্চারিত হয় না। তবে এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট না দেখে শতভাগ নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না বলেও জানান এই চিকিৎসক।

ঘটনার মামলা সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ও অভিযুক্ত চার শিশুর বাড়ি একই এলাকায়। গত ৪ অক্টোবর বিকেলে খেলার কথা বলে বাড়ির পাশের বাগানে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে অপর এক শিশু। ধর্ষণে সহায়তা করে অন্য তিনজন।

পরদিন সোমবার রাতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা মঙ্গলবার সকালে তাকে নিয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ৬ অক্টোবর রাতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ওই চার শিশুকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চার শিশুকে গ্রেফতার করে। পরদিন দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছিল।

আদালতের বিচারক মো. এনায়েতউল্লাহ এক আদেশে আসামি চার শিশুকে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ঐ দিন রাতে বিচারপতি মো.মজিবুর মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বসিয়ে চার শিশুকে বাড়ি পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তাদের মামলা আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে।

চার শিশুর স্বজনদের দাবি, মামলায় এসব শিশুর বয়স ১০ থেকে ১১ বছর উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে তাদের বয়স ৮ থেকে ৯ বছরের মধ্যে। ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। আর ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যাও ১১ লাখ ছাড়িয়েছে।

এক বছরেরও কম সময় আগে চীনে প্রথম এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় ও তা দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের বিভিন্ন বস্তি ও ব্রাজিলের বিভিন্ন জঙ্গল এলাকা থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম নগরী নিউইয়র্কের জনজীবনে এর ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

গত বছরের ডিসেম্বেরর শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে তাণ্ডব চালাচ্ছে এই ভাইরাস। সংক্রমণ শুরুর দেড় মাসের মধ্যে এন্টার্কটিকা বাদে সব মহাদেশেই ধরা পড়ে রোগী।

পরে গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জরিপ পর্যালোচনাকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টার তথ্য অনুসারে, বৈশ্বিক এ মহামারিতে আক্রান্তের হার দ্রুত বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে চার কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ৫৬২ জন। আর বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৩২৬ জনে। ভাইরাসটিতে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে তিন কোটি এক লাখ ১৬ হাজার ৩৫৫ জন।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় সবার উপরে যুক্তরাষ্ট্র। সবচেয়ে বিপর্যস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭৯৯ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৭৩০ জনের।

বিশ্বে মৃতের দিক থেকে এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ব্রাজিল, ভারত, মেক্সিকো ও ব্রিটেন।

করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি করোনার ভয়াবহতার শিকার হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার জনবহুল এ দেশটি। দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ২৭৩ জন ও মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ৬৪২ জনের।

করোনায় বিশ্বে মৃতের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ভাইরাসে এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৪ জন ও মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৯০৫ জনের।

চলছে প্রজনন মৌসুমের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান। সরকারি সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ইলিশ শিকার প্রতিরোধ করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে বিগত পাঁচ দিনে ৯৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত মামলা হয়েছে ৪টি। আর অবৈধ মাছ ও জাল জব্দ হয়েছে ১৫ কোটি ১২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার।

নৌ-পুলিশ বরিশাল অঞ্চলের পক্ষ থেকে আজ (১৯ অক্টোবর) সোমবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক আবু তাহের এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জব্দকৃত মাছ এতিমখানায় এবং উদ্ধারকৃত জাল ভ্রাম্যমান আদালতের অনুমতিক্রমে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তাছাড়া গ্রেফতারকৃত জেলেদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে। বাকিদের ভ্রাম্যমান আদালতে সোর্পদ করা হলে আদালত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করেছেন।

নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল অঞ্চলের ১৫টি পুলিশ স্টেশনে বিগত ২৪ ঘন্টায় (অর্থাৎ ১৮ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১৯ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১৪ জন জেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই সময়ে ৮৫ লাখ ২৩ হাজার মিটার অবৈধ জাল ২৯০ কেজি মাছ, ৯টি নৌকা জব্দ করা হয়। এরমধ্যে জালের আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ১০ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং মাছের মূল্য এক লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

নৌ-পুলিশ বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রথমত আমরা চেষ্টা করছি মানুষকে প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারে নিরুৎসাহিত করতে। এজন্য প্রচার-প্রচারণা জোর দিয়ে চালানো হচ্ছে। কিন্তু যেসব মানুষ কোন নির্দেশনাই মানছেন না, নদীতে নেমে ইলিশ শিকার করছেন তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ১৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের প্রজনন মৌসুমের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু হয়। যা শেষ হবে আগামী ৪ নভেম্বর রাত ১২ টায়। এই সময়ের মধ্যে নদীতে মাছ শিকার, ইলিশ বিপনন ও সংরক্ষণ আইনত দন্ডনীয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:: বরিশাল নৌবন্দরে সাধারণ মানুষের মাঝে সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নৌবন্দরে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালায় জেলা বরিশাল জেলা স্কাউট। এসময় জেলা প্রশাসক উপস্থিত থেকে সকলের মাঝে সুরক্ষাসামগ্রী মাক্স বিতরণ করেন এবং করোনা দুর্যোগে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের পরামর্শ দেন। এর আগে নৌবন্দরে স্কাউট কর্মীরা ‘নো মাক্স, নো সার্ভিস’ লেখা সংবলিত পোস্টার সাটিয়ে দেয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা স্কাউটের সাধারণ সম্পাদক পাপিয়া জেসমিন, আঞ্চলিক পরিচালক আক্তারুজামান, জেলা স্কাউটের এলটি তুষার কান্তি এবং মিজানুর রহমান প্রমুখ।

সাধারণ সম্পাদক জেলা স্কাউট পাপিয়া জেসমিন জানান, তাদের উদ্যোগে ৫ হাজার মাস্ক সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিতরণের লক্ষে জেলা প্রশাসক বরিশাল এসএম অজিয়র রহমানকে আরও ৫ হাজার মাস্ক ও ৫০ টি ফেস্টুন হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

ইমরান হোসেন / লিটন বাইজিদঃ একসময় তিনি ছিলেন বিএনপির তুখোর কর্মী। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে দল পাল্টিয়ে নিজেকে সেইভ সাইডে নেওয়ার জন্য কিছুদিনের মধ্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে দলটির প্রতিনিধি হয়ে করেন কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষধের নির্বাচন। তবে অতিরিক্ত টাউটারি ও সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করার কারনে বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল হোসেন লিটন মোল্লার কাছে বিশাল ব্যাবধানে পরাজয় বরন করেন। পরাজয়ের গ্লানি মুছতে ও নিজের অবস্থানকে পাকা পোক্ত করতে নির্বাচনের মাত্র ১বছরের মাথায় ক্ষমতাশীল দল আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। নাম মাত্র আওয়ামীলীগে যোগদান করেই ঠান্ডা মাথায় পূর্বের অপকর্ম গুলোকে নতুন করে জানান দেন। নগরীর বিভিন্ন স্থানে নামে বেনামে কিনেছেন জমি। আছে বেশ কিছু পালিত দালল। বলছি বরিশাল নগরীর পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও কাশীপুর আর.আর.এফ পুলিশ লাইন সংলগ্ন বাসীন্দা মৃত মানিক সিকদারের ছেলে আরিফুর রহমান পলাশ সিকদারের কথা। ভয়ংকর এই প্রতারকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । নগরীর বাজার রোডে অবস্থিত শিকদার বানিজ্যালয় ও শিকদার ট্রেডিং নামে দুটি দোকানের মালিকানা স্বত্বে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসতেছিল আরিফুর রহমান পলাশ। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিভিন্ন জনের সাথে পরিচিতি অর্জন করে ব্যবসায় লাভের অংশ, ফ্লাট বিক্রিসহ বিভিন্ন উপায়ে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অনেক মানুষের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে এই প্রতারক। নগরীর বাজার রোডে একাধিক ব্যাবসায়ির সাথে কথা বলে জানা যায় তার নামে যে দোকান দুটি ছিল সিকদার বানিজ্যালয় ও শিকদার ট্রেডিং সেই দোকান দুটি বিগত সপ্তাহখানেক আগে বিক্রি করে মালিকানা পরিবর্তন করেন। আরো জানা যায় বাজাররোডে অনেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে প্রতারক পলাশ। বরিশালের কয়েকটি ব্যাংকেও তার নামে অনেক টাকার লোন রয়েছে। বর্তমানে পলাশ কর্তৃক প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন জায়গায় তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। বরিশালে কাশিপুর আনসার ক্যাম্পের সাথে তার বাসায় খোঁজখবর নিলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে কোথায় আছে এ বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারেনি তবে লোকমুখে শোনা যায় বর্তমানে সে আমেরিকায় পালিয়ে গেছে। প্রতারক আরিফুর রহমান পলাশ কে ধরিয়ে দিতে প্রশাসন সহ সকল মহলের নিকট অনুরোধ জানান ভুক্তভোগীরা। এদিকে বরিশাল প্রশাসনের উর্দ্বতন এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করা শর্তে) জানিয়েছেন প্রতারক আরিফুর রহমান পলাশ শিকদারের বিরুদ্বে আমাদের কাছে ইতিপূর্বে প্রতারনার বেশ কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেছ।তার বিরুদ্বে অতি দ্রুতই ব্যাবস্থা গ্রহন করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ভোলার চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার কুলছুমবাগ গ্রামের ফাতেমা অভিযোগ করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা ৪২৩/২০ নং পিটিশনের স্বাক্ষী আমার মেয়ের কাছে ১২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই পিটিশনের আসামি আরব আলী গংরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তাকে অপহরণ চেষ্টা করেন এবং মারপিট করে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন। ওই রাতেই তাকে আহত অবস্থায় চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করি। এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর চরফ্যাশন থানায় একটি এজাহার দাখিল করলে ওসি মনির হোসেন মিয়া এজাহারটি আমলে না নিয়ে উল্টো আসামি পক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে আমি ও আমার স্বামীসহ সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নেন এবং থানার এসআই কেরামতকে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে । আমি ৫ হাজার টাকা দিয়া আমার অক্ষমতার কথা প্রকাশ করলে আমার স্বামীসহ সকলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানোর হুমকি দেন। আমি ওসি মনিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং ভয়- ভীতি দেখিয়ে বলেন দাবীকৃত চাঁদা না দিলে সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিব এবং সবাইকে জেলে ধুকে ধুকে মরতে হবে। ওসির দাবি কৃত চাঁদা না দয়ায় ওই রাতেই আমার স্বামী ও চাচা শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেন। পরদিন এক সংবাদকর্মীকে সাথে নিয়ে থানায় গেলে পূর্বের দাবীকৃত চাঁদা পরিশোধ করতে বলেন। আমরা তাদের দাবি কৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওসি আমাদের সাথে ওমানবিক আচরণ করেন। বৃহস্পতিবার ৪৮১ নং রেজিস্ট্রি ডাকে চরফ্যাশন থানার ওসি মনির হোসেন মিয়ার ক্ষমতার অপব্যবহার ও চাঁদা দাবীর বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম ভোলা পুলিশ সুপারের নিকট একটি এজাহার দাখিল করেছেন এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহা-পরিদর্শক, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মহা-পরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছেন।
স্থানীয়ভাবে জানাযায়, ওসি মনির হোসেন মিয়া চরফ্যাশন থানা যোগদানের পর থেকেই তিনি বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনার মামলা না নেয়া এবং মিথ্যা মামলা নেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকে এ এলাকায় খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে ওসি মনির হোসেন ব্যর্থ হয়েছেন। ধর্ষণ ও আইন শৃঙ্খলা অবনতি প্রতিবাদে গত শুক্রবার চরফ্যাশন সদরে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে চরফ্যাশন থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) কেরামত আলী বলেন- মামলা রুজু করার দায়িত্ব ওসির। মামলা হওয়ার পর ওসির নির্দেশে আসামি গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য না।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন- অভিযোগ হওয়ার বিষয়টি জানি। তবে তার অভিযোগ মিথ্যা। ফাতেমা বেগম আমার কাছে কোন মামলা করতে আসেননি । তাছাড়া আসামিরা কত কথাই না বলে। তাদের কথা সত্য না।
ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ প্রসঙ্গে বলেন – অভিযোগের কপি নজরে আসেনি। কপি পেলে ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ-ফরিদপুর-বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহন বাস ও শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ইটভাঙা মেশিনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ২জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। নিহতরা হলো মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের বদরুদ্দিনের ছেলে ওয়াসিম (২৮) এবং তারই অপর এক আত্মীয় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলা গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে জাফর (৩২)। তবে নিহত জাফর বর্তমানে আমঝুপি গ্রামেই বসবাস করতো। বৃহস্পতিবার (১৫ই অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি এলাকার একটি মাঠের নিকট এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে আমঝুপি গ্রামের আব্দুল জব্বারের শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ইটভাঙা মেশিন নিয়ে গাড়িটির চালক ও ১জন শ্রমিক গাড়িটি মেরামত করার জন্য যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়৷ পথিমধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে মেহেরপুরগামী রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহন বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-৩৮৬৩) এর সাথে ইটভাঙা মেশিন গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই গাড়িতে থাকা দু’জন নিহত হন। ইটভাঙ্গা মেশিনের সাথে সংঘর্ষের পর বাসটি সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা মারে। এতে বাসের ও কয়েকজন যাত্রী আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। আহতদের নেওয়া হয় হাসপাতালে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায়।দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িগুলো উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের অতিরিক্ত গতি এবং ইটভাঙা গাড়িতে হেডলাইট না থাকার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া একইদিনে যশোরের চৌগাছা টু ঢাকা রুটে চলাচলকারী রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের অপর একটি বাস ফরিদপুর এলাকায় একটি আলমসাধুর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের পর সড়ক থেকে বাসটি ছিটকে মাটিতে পড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোন নিহত বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহন বাসের ধাক্কায় ১০জন নিহত হওয়ার পর থেকে দুর্ঘটনা কোনভাবেই বাস কোম্পানিটির পিছু ছাড়ছে না।

নিজস্ক প্রতিবেদক, রাজাপুর: ঝালকাঠির রাজাপুরে আইরিন আক্তার কবিতা (২০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহত কবিতার লাশ উদ্ধার করেছে রাজাপুর থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে নিহতের স্বামী মিরাজ হাওলাদারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আটক করা হয়েছে।

নিহত আইরিন আক্তার কবিতা উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের হাইলাকাঠি গ্রামের ইউনুস ভুইয়ার মেয়ে ও একই গ্রামের শ্রমিক মিরাজ হাওলাদারের স্ত্রী।তাদের দাম্পত্য জীবনে ৭ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নিহতের পিতার দাবি তার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। এ মৃত্যুর পেছনে অন্য কোন রহস্য রয়েছে। তারা আরও জানান বিয়ের পর থেকে প্রায়ই শ্বশুরবাড়ির লোকজন কবিতাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। বৃহস্পতিবার বিকালে কবিতাকে তার স্বামী মিরাজ হাওলাদার শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। তখন কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় নিহতের শাশুড়ী জাহানুর বেগম সাথে ছিলেন।

নিহতের শাশুড়ী জাহানুর বেগম বরিশালটাইমসকে জানান, দুপুরে খাওয়ার পর ছেলে ও ছেলের বউ তাদের নিজেদের রুমে শুয়ে পড়েছে আর ৭ মাস বয়সী নাতি মাহিমাকে নিয়ে তার ছোট ছেলে বাহিরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পরে শিশু মাহিমা কান্না শুরু করলে তাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য মায়ের কাছে নিয়ে আসে। এ সময় দেবরের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় পরিবারের অন্যদের ডাক দেয়। তাঁরা এসে শিশুটির মা কবিতাকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে শিশুটির বাবা মিরাজকে ডাকে মিরাজ তখন ঘরের বাইরে ছিল। সে ঘরে এসে অচেতন স্ত্রী কবিতাকে মা জাহানুরের সাহায্য ও সাথে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে সন্ধ্যার। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতঘোসনা করে।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা মো: আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল জানান, কবিতাকে মৃত অবস্থায় মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছিল।

রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের পিতা ইউনুস ভূইয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে একটি হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ওই নারীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।

মাদক মামলায় এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়েছে। বৃৃহস্পতিবার বরিশালের জেলা ও দায়রা জজ মোঃ রফিকুল ইসলাম ওই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী হচ্ছে গৌরনদীর কাসেমাবাদ গ্রামের মৃত আঃ মালেক আকনের ছেলে সামাজ আকন মুন্না কে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলার নথির বরাত দিয়ে ওই আদালতের পেশকার হেদায়েত উল্লাহ নবী ওরফে জাকির জানান, ২০১৮ সনের ২৭ অক্টোবর গৌরনদী বাজারের ব্রিজের উপর দাঁড়ানো আসামীর কাছ থেকে ৩৯৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব-৮ এর ১টি দল।

র‌্যাব-৮ এর ডিএডি মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে ২০১৮ সনের ২৭ অক্টোবর মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সনের ১৬ ডিসেম্বার মামলার চার্জশিট দেন গৌরনদী থানার এসআই তাজেল আহমেদ। আদালত ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ওই রায় দেন।

 

বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মোহন গাজী (৩৭) নামের যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরী সংলগ্ন চরআইচা গ্রামের একটি ব্রিকফিল্ডে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোহন গাজী ওই এলাকার নুরু গাজীর ছেলে। ব্যক্তি জীবনে ২ ছেলেমেয়ের জনক
মোহন স্থানীয় এ জি এম ব্রিকস-এ শ্রমিকের কাজ করতেন।

নিহতের পরিবার এবং বন্দর থানা সূত্র জানায়, শ্রমিক মোহন গাজী সকালে ব্রিক ফিল্ডে কাজ করছিলেন। বেলা ১১ টার দিকে সংলগ্ন কীর্তনখোলায় গোসল সেরে পুনরায় ফিল্ডের কারখানায় প্রবেশ করে একটি মোটরের উপর বিশ্রাম নিতে বসেন তিনি। কিন্তু মোটরের তার ‘লিক’ থাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ঘটে মোহনের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ওসি সঞ্জয় জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।