ঝালকাঠি সদর হাসপাতালকে ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের দালালমুক্ত করায় চাপ বেড়েছে প্যাথলোজি বিভাগে। রোববার (৭ মার্চ) ও সোমবারে (৮ মার্চ) গড় হিসেবে প্রতিদিন প্রায় শ’খানেক রোগী বিভিন্ন টেস্ট নিয়ে প্যাথলোজি বিভাগে ভিড় জমান।

প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় টেস্টের নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন কর্মরতরা। সরকার নির্ধারিত ফি রোগীরা পরিশোধ করার পর তা হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বুকে লিপিবদ্ধ করা হলেও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় মানি রিসিট দিতে পারছেন না প্যাথলোজি বিভাগ।

সোমবার সকালে সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগের টিকিট সংগ্রহ করেন রহিমা বেগম (২৫)। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ১৩৫৪৯/৩৬নং টিকিটে তিনি প্যাথলোজি বিভাগে ডায়াবেটিস পরীক্ষার জন্য রক্ত পরীক্ষা করেন। তার কাছ থেকে ফি রাখা হয় ৬০ টাকা। তবে তাকে দেয়া হয়নি কোনো মানি রিসিট।

অভিযোগ উঠেছে মানি রিসিট না দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার পরীক্ষা করে মৌখিক হিসেব রেখে অফিসিয়াল কার্যক্রম শেষ করা হচ্ছে। এছাড়া এই পরীক্ষা ফির বড় একটা অংশ কর্মরতরা ভাগাভাগি করে নেন বলেও অভিযোগ উঠে।

প্যাথলোজি বিভাগে কর্মরত আ. সত্তার ভাগাভাগির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমরা তিনজন এখানে কাজ করি। আমাদের দায়িত্ব শুধু টেস্টের জন্য নমুনা নেয়া এবং রিপোর্ট দেয়া। প্রতিদিন যে পরিমাণে রোগী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসেন তাতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়’।

তিনি আরও বলেন, ‘সব কাজ করে মানি রিসিট দিতে গেলে প্রয়োজনীয় সেবাকাজ বিঘ্নিত হবে। সরকারিভাবে ক্যাশ কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হলে টেস্টের জন্য আসা রোগীদের মানি রিসিট দেয়া সম্ভব হতো’।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জাফর আলী দেওয়ান জানান, হাসপাতালে সকল নাগরিকের সেবা নেয়ার সমান অধিকার আছে।

প্যাথলোজিতে মানি রিসিট দেয়া নাহলে রোগীরা নিজেদের উদ্যোগে চেয়ে নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ বরিশাল নগরীর টপটেন মার্ট শোরুমে লুটতরাজের ঘটনায় আরও ১৪ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। ৯ মার্চ মঙ্গলবার দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান অভিযুক্তদের হাজতে পাঠিয়ে দেন। হাজতে যাওয়া অভিযুক্তরা হচ্ছে, বরিশাল নগরীর কলেজ এভিনিউ এলাকার মৃত্যু আব্দুর রহিম কাজীর ছেলে মারুফ হাসান টিটু (২৬),নিউ সার্কুলার রোড এলাকার সেলিম মৃধার ছেলে মুহিদুল ইসলাম মুহিদ (২০), লুতফর রহমান সড়কের বাসিন্দা আজিজ হাওলাদারের ছেলে তাজিম হাওলাদার (২২), কলেজ রো এলাকার সৈয়দ মহসিন হিমুর ছেলে সৈয়দ আলিফ হোসেন হিরা (২৪), সুভাষ চন্দ্র শীলের ছেলে শুভ শীল (২৪), বিএম কলেজের সামনের এলাকার আইনুল হকের ছেলে সুখ রানা হক (২৪), গনপাড়া এলাকার বাগান আলী সিকদারের ছেলে সুজন (২২), মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আমিরগঞ্জ এলাকার আঃ জলিলের ছেলে নাজমুল হাসান রনি (২১), নগরীর হাটখোলা রোড এলাকার নাসির হোসেনের ছেলে নাদিম মাহমুদ হৃদয় (২০), কলেজ রো এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে ফাহিম হোসেন (২১),লুতফর রহমান সড়কস্থ ইউনুস আরিন্দার ছেলে আল আমিন হোসেন সোহান (২১), কাশিপুর মহুয়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে মিজান শরীফ (২২), মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার নয়নপুর এলাকার সবুজ মোল্লার ছেলে ইকবাল হোসেন (২০) ও নগরীর কশাইখানা এলাকার জয়নাল হাজারীর ছেলে নিলয় আহম্মেদ রাব্বি (২০)। ৮ মার্চ বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় নামধারী ২১ জন ও অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন টপ টেন মার্ট শো রুমের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ইমরান শেখ। অভিযোগে তিনি বলেন, প্রতিদিনের মতো তারা শো রুমে বেচা বিক্রির কাজ করছিল। বিকেল ৫ টা ২০ মিনিটের দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল ভাগাভাগি করে শো রুমে প্রবেশ করে শার্ট প্যান্ট কিনবে বলে জানায়। তারা বিভিন্ন ধরনের মালামাল গুছিয়ে নেয়া শুরু করে। তাদের আচরণ অসন্তোষ হলে ক্যাশ কাউন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এতে তারা শো রুমের বিক্রয়কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ হুমকি ধামকি দেয়। বিল চাইলে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন দেবে বলে জানায়। বিক্রয়কর্মীরা জসিম নামে কেউ বিল দেবে বলে তারা জানেনা বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা লুটতরাজ চালিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে লক করা কাচের দরজা ভেঙ্গে চলে যায়। এসময় ওই ৫ জনকে তারা আটক করে থানা পুলিশে খবর দেয়। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ৫ জনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। ইমরানের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।তাদের মধ্যে রাকিব ওইদিনই ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়। ৮ মার্চ আদালত জবানবন্দি গ্রহণ শেষে ৫ জনকে হাজতে পাঠিয়ে দেন। তার জবানবন্দী ও ঘটনার সময়ে ধারনকৃত সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে থানা পুলিশ আরও ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠিয়ে তাদের জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন জানায় কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই আশরাফুল আলম। আদালত ১৪ জনকে হাজতে পাঠিয়ে দেন বলে আদালত সূত্র নিশ্চিত করেন।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ নিজ হেফাজতে ইয়াবা রাখার অপরাধে মাদক কারবারি তপন কুমার শিকারীকে ৯ বছর কারাদন্ড ও মোখলেছুর রহমানকে ৭ বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুজনের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। ৯ মার্চ মঙ্গলবার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ রফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত তপন কুমার শিকারী পটুয়াখালী জেলার গলাচিপার বোয়ালিয়া এলাকার হরলাল শিকারীর ছেলে। এছাড়া মোখলেছুর রহমান কুমিল্লা জেলার মেঘনার বড় নয়াগাঁও এলাকার আঃ জলিল মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তপন ও মোখলেছুর আদালতে উপস্থিত ছিল। বেঞ্চ সহকারি হেদায়েতুন নবী জাকির জানান, ২০১৭ সালের ১৬ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮ এর ডিএডি সৈয়দুজ্জামান তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বরিশালের দোয়ারিকা ব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ তপন কুমার শিকারী ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ মোখলেছুর রহমানকে আটক করে মামলা দায়ের করেন। একই বছর ২৭ এপ্রিল তদন্তকারি কর্মকর্তা এয়ারপোর্ট থানার এসআই সুমন হালদার মামলার চার্জশীট জমা দেন। আদালত ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল ওই রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে আসামীদ্বয়কে সাজাভোগে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

বরিশালের বাকেরগঞ্জের লক্ষ্মীপাশা গ্রামে খালেদা আক্তার (১৮) নামে এক তরুণী মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার গভীর রাতে রাজমিস্ত্রী কবির হাওলাদারের মেয়ে খালেদা আক্তার নিজ কক্ষে আত্মহত্যা করেন। সোমবার সকালে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম তরুণীর লাশটি উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন মিলন জানান, ঘরের লোকজন ফজরের নামাজ পড়তে উঠে খালেদাকে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখে চিৎকার করে। এতে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে খালেদার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ খালেদার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে মায়ের সাথে অভিমান করে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।’

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ বরিশাল নগরীর টপটেন মার্ট শোরুমে লুটতরাজের ঘটনায় ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আটক ৫ জনের মধ্যে একজনের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে ৫ জনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ৮ মার্চ সোমবার বরিশালের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান অভিযুক্ত সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকার মৃত্যু শাহ আলমের ছেলে রাকিবের জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং ৫ জনকে হাজতে পাঠিয়ে দেন। হাজতে যাওয়া অন্য চারজন হচ্ছে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভূতের দিয়া গ্রামের মৃত্যু সান্টু শরীফের ছেলে উজ্জ্বল শরীফ (১৯), জামাল হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (১৯), নথুল্লাবাদ শের ই বাংলা সড়কের বাসিন্দা মশিউল আলম পলাশের ছেলে রাশিদ শাবাব রোহান (১৯) ও সদর উপজেলার মিঘিয়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে শাকিল আহমেদ (২২)। এরা সহ নামধারী ২১ জন ও অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন শো রুমের কর্মচারী ইমরান শেখ। অভিযোগে তিনি বলেন, প্রতিদিনের মতো তারা শো রুমে বেচা বিক্রির কাজ করছিল। বিকেল ৫ টা ২০ মিনিটের দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল ভাগাভাগি করে শো রুমে প্রবেশ করে শার্ট প্যান্ট কিনবে বলে জানায়। তারা বিভিন্ন ধরনের মালামাল গুছিয়ে নেয়া শুরু করে। তাদের আচরণ অসন্তোষ হলে ক্যাশ কাউন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এতে তারা শো রুমের বিক্রয়কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ হুমকি ধামকি দেয়। বিল চাইলে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন দেবে বলে জানায়। বিক্রয়কর্মীরা জসিম নামে কেউ বিল দেবে বলে তারা জানেনা বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা লুটতরাজ চালিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে লক করা কাচের দরজা ভেঙ্গে চলে যায়। এসময় ওই ৫ জনকে তারা আটক করে থানা পুলিশে খবর দেয়। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ৫ জনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। ইমরানের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। রাকিব ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়। আদালত জবানবন্দি গ্রহণ শেষে ৫ জনকে হাজতে পাঠিয়ে দেন। মামলাটি তদন্ত সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানায় কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই মোঃ আশরাফ।

বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ ৩ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)।

গত ৭ মার্চ বরিশাল নগরীর বরিশাল ক্লাব সংলগ্ন এলাকা থেকে মীম আক্তারকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ পরির্দশক (এসআই) খাইরুল আলম।

আটককৃত মীমের তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযান চালায় বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডস্থ হোটেল রোদেলা ইন্টারন্যাশনালের ২০৯ নং কক্ষে।

সেখান থেকে মীমের স্বামী হামিদুর রহমান এবং তার বন্ধু মনিরুল ইসলামকে আটক করা হয়।

সূত্র জানায়, এসময় মীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দেয়া তথ্য মতে তার বাসা (বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন ডায়াবেটিস হাসপাতালের পাশে) থেকে ২শত পিস ইয়াবা মীম নিজেই উদ্ধার করিয়া ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এঘটনায় বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বরিশাল মেট্টােপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল।

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশের । জব্দকৃত ইয়ার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকাভ

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সোমবার (০৮ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে ওই এলাকার তৃতীয় পুকুর সংলগ্নের বাসিন্দা ফরিদ আলম এর ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হল- ঘরের ভাড়াটিয়া ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জের বাসিন্দা মৃত কামাল এর ছেলে রাসেল হাওলাদার (২৪) ও কাউনিয়া সুন্নিয়া মসজিদ সড়কের লিটন হাওলাদারের ছেলে তানভীর হাওলাদার নবীন (২২)।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, ফরিদ আলম এর ভাড়াটিয়া রাসেল নিজ ঘরে ইয়াবা বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পায় কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মিরাজ মোল্লা।

পরে থানার অফিসার ইনচার্জ আজিমুল করিম ও পরিদর্শক তদন্ত এর উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় তারা দেখতে পান রাসেল বিছানার ওপর ইয়াবা রেখে প্যাকেট করছে।

তখন পুলিশের অভিযানিক দল ৯টি সাদা রংয়ের প্যাকেটে প্রায় পৌঁনে ৭ লক্ষ টাকা মূল্যের মোট ১ হাজার ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

পরে তার দেয়া তথ্য মতে দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ভাটিখানা পান্থ সড়ক এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী তানভীর হাওলাদার নবীনকে আটক করা হয়।

আটক দুই মাদক ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মহানগরীর কাউনিয়া থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সময়তার বিশ্ব’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৮ মার্চ) সকালে সার্কিট হাউস চত্বরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস অনুষ্ঠানের এর আগে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে নারী দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অতিথিরা। পরে সার্কিট হাউস ধানসিঁড়ি মিলিয়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বাদল।

বরিশালের জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার,

বরিশালের জেলা পুলিশ সুপার মো.মারুফ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বরিশালের সভাপতি রাবেয়া খাতুন, বরিশাল সনাকের সভাপতি শাহ্ সাজেদা প্রমুখ।

বরিশালের নারী উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য মুজিব শতবর্ষ ও আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পাঁচ নারীকে বিশেষ ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

এছাড়া, বরিশালের জেলা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বরিশাল নিবার্চন অফিস এর পক্ষে থেকে বিদেশি নাগরিক লুসি হেলেনকে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

একই সাথে বরিশাল সমাজ সেবা অফিস এর সহযোগিতায় লুসি হেলেনকে বয়স্কো ভাতার বই প্রদান করা হয়।

বর্তমানে তিনি বরিশালে আক্সফোট, মিশনে বসবাস করেন। এছাড়াও বরিশাল ১৭নং ওয়ার্ডের সাংবাদিক শাহিনা আজমিন, বরিশাল ভাটিখানার জাহানার বেগম সপ্না, বরিশাল ২৩নং ওয়ার্ডের জোবেদা খানম, বরিশাল সদর উপজেলা ভাইরাস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগমকেও নারী সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বরিশালে সি এফপি সংগঠন এর পক্ষ থেকে পাঁচ দরিদ্র নারীকে সচল হওয়ার জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম, বরিশাল’র সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দীন হায়দারের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আজ সোমবার ৮ মার্চ দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউজ হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সম্পাদকবৃন্দের সাথে জেলা প্রশাসক আন্তরিকতার সাথে সকলের খোজ খবর নেন। তার সাবলিল কথাবার্তা শুনে সম্পাদকবৃন্দ অভিভূত হন।

জেলা প্রশাসক তার চাকুরী জীবনের অতিত অভিজ্ঞতা টেনে বিভিন্ন যুগাপযোগী পরামর্শ দেন সম্পাদকবৃন্দকে।

সাংবাদিকতার মান বৃদ্ধি, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ইত্যাদি বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে আলোচনায় স্থান পায়।

তিনি মাত্র দু মাস বরিশালে এসেছেন বটে তবে এরই মধ্যে এখানকার সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরলস প্রচেষ্টা তাকে আনন্দিত করেছে।

তিনি বলেন, তার দায়িত্ব পালনে কোনো ঘাটতি হবে না। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন।

লিখনীর মাধ্যমে সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি করাই তাদের মূল দায়িত্ব। সাংবাদিকতা একটি কঠিন পেশা।

এখানকার সম্পাদক পরিষদের কর্মকান্ড জেনে আমি মোহিত। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এই পেশায় কাজ করতে হয়।

বরিশালে দৈনিক পত্রিকার আধিক্যতা তাকে বিস্মিত করেছে। বর্তমান সময়ে এই পত্রিকা প্রকাশনায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে অর্থনৈতিকভাবে হিমশিম খেতে হয়।

তারপরেও তারা পত্রিকা প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছেন যা প্রসংশার দাবি রাখে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল, সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ভূঁইয়া,

এ্যাড. এসএম রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো: খলিলুর রহমান, সহ-সভাপতি ডা: নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এস.এম জাকির হোসেন,

সহ: সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম হোসেন, সহ: সাধারণ সম্পাদক কে.এম. তারেকুল আলম অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো: জাহাঙ্গীর,

দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মাসুদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সম্পাদক নাছির আহম্মেদ রনি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো: মোস্তফা কামাল জুয়েল,

নির্বাহী সদস্য কাজী আল মামুন, নির্বাহী সদস্য মো: হাবিবুর রহমান, সদস্য সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, উপদেষ্টা মেহেরুন্নেসা বেগম প্রমুখ।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক|| বরিশাল মুলাদী উপজেলার মৃধারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ৭ ই মার্চ জাতীয় দিবস পালন না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জাতীয় দিবস পালন না করে বি এন পির ইউনিয়ন সভাপতি মোতাহার হোসেন বাচ্চু সরদার এর নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী, জুয়া পরিচালনাকারী সাবেক মেম্বার বেলাল এর নির্বাচনী মিছিল করেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা জানান সচেতন মহল। মিছিলটি চরকালেখান বাজার হয়ে ময়না বাজার ঘুরে মৃধারহাট বাজার এসে শেষ হয়। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ ই মার্চ রবিবার বিকেল চারটার সময়। এ ব্যাপারে সেলিম নামের এক বাসিন্দা জানান,ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সে একজন সহকারী শিক্ষক ছিল। ২০১৯ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আইনের তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছা খুশিমতো স্কুলটি পরিচালনা করে এবং এলাকার একজন বিএনপি এবং জামাত এর অর্থ দাতা হিসেবে সবাই তাকে চেনে। বিএনপি কর্মী সাবেক মেম্বার জুয়া পরিচালনাকারী বেলালকে নির্বাচনের জয় করার জন্য বিএনপি’র লোকজন নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু গত বছরও সাবেক মেম্বার বেলাল জুয়া খেলার অভিযোগে হুমায়ুন মাতব্বরের বাসায় বসে প্রশাসনের হাতে আটক হয়।এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান,ওই প্রধান শিক্ষক নিজেও জুয়া খেলে এবং সুদে টাকা দেন।যা উভয়ই দণ্ডনীয় অপরাধ। সে আরো বলে আমরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এর বিচার চাই। (সমস্ত কথার অডিও রেকর্ড রয়েছে)। স্থানীয় আরেকটি সূত্র জানান,৭ ই মার্চ জাতীয় দিবসে স্কুলে সে পতাকা উত্তোলন না করে সে বিএনপি’র মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এ ব্যাপারে তার কাছে ফোন দিলে প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন জানান,আমি কোনো মিছিল করিনি।আমি একটি বিয়ে খেয়ে এসে সেখানে দাঁড়িয়ে আছি। ওই ঘটনার একটি ভিডিও রয়েছে এ ব্যাপারে তাঁর কাছে জানতে চাইলে,সে জানান, আপনার কাছে ভিডিও থাকলে নিউজ করে দেন।