উজিরপুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে এক বখাটে বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রী ও তার মাতা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রী ও পরিবার সুত্রে জানা যায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের খোলনা গ্রামের এসকান্দার আলি সরদারের ছেলে বখাটে রবিন সরদার(২৩) ৭ আগষ্ট বেলা ১১ টার দিকে পাশ্ববর্তী বাড়ীর চতুর্থ শেণির ছাত্রীকে পানি খাওয়ার কথা বলে ঘরে ঢুকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বখাটে সটকে পরে।
৯ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় পুনরায় ওই ছাত্রীকে ঘরে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পরে। এরপর এ নিয়ে ধর্ষকের পরিবার ও ছাত্রীর পরিবারের মধ্যে তুমুল ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।
পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরে। এ ব্যাপারে ছাত্রীর মাতা জানান আমার নাবালিকা মেয়েকে ওই বখাটে জোপূর্বক ধর্ষণ করেছে। আমি ওই বখাটের বিচার চাই। ধর্ষক পলাতক রয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন বখাটে রবিন নারী কেলেঙ্কারীসহ এলাকায় বিভিন্ন ক‚-কর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্তর বড়ভাই রুবেল সরদার জানান, ওই ছাত্রীর মা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার ছাট ভাই রবিনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের হয়রানি করছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ জানান অভিযোগ পাইনি তবে অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত’র বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হবে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পুলিশের ফোর্স পাঠানো হয়েছে।
 বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত মনির তালুকদার এর কন্য অষ্টম শ্রেনীর মাদ্রাস পড়ুয়া ছদ্মনাম রেসমা (১৪) কে একই বাড়ির শাহজাহান তালুকদারের কুলঙ্গার এবং বখাটে পুত্র পুত্র রফিকুল ইসলাম রাজিব (২৬) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষনের চেষ্টা করে।
এরি ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুলাই বিকাল অনুমান ৫ টায় রেসমাকেকে বখাটে রাজিব তাহার বসত ঘরে ডেকে নিয়ে বারান্দায় রুমের মধ্যে জোর পুর্বক ধর্ষন করার চেষ্টা করে।
রেসি ডাকচিৎকার দিলে রেসির চাচা রাসেল তালুকদার ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে।উক্ত ঘটনায় রেসমার চাচা মো: রাসেদ তালুকদার বাকেরগঞ্জ থানায় গত ১লা আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী আইনের ২০০৩ এর ৯(৪)খ ধারায় রাজিবকে করে মামলা দায়ের করেন।
যাহার জিআর নং-১৫০/২১। এ প্রসঙ্গে মামলার বাদী সাংবাদিকগনদেরকে অভিযোগ করে জানান মামলাটি রুজু হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামি রাজিব তালুকদারের পিতা মোঃ শাহজাহান তালুকদার ও অত্র এলাকার একটি ধর্নাঢ্য প্রভাবশালী মহল দেরকে নিয়ে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসতেছে।
বর্তমানে মামলার বাদী ও ভিকটিম চরমভাবে নিরাপত্তাহীনতায় জীবনযাপন করছে বলে জানাযায়। তাই উক্ত বিষয়ে মামলার বাদী রাশেদ তালুকদার আসামি রাজিব তালুকদারকে গ্রেপ্তারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট সুদৃষ্টি কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
 বরিশাল নগরীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মাসুম খান বুলেটকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকা থেকে দুই নারীসহ তাকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসময় তাদের কাছ থেকে ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে ডিবি পুলিশ।
ডিবি পুলিশ জানায়, তাদের সদস্য উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুজিত গোমস্তার নেতৃত্বাধীন একটি ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালি থানাধীন বৈদ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
এবং সেখান থেকে ফেন্সিডিল ও দুই নারীসহ বুলেটকে আটক করে।
আলোচিত বুলেট বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের তোতা মিয়ার ছেলে ও উপজেলা যুবলীগ নেতা খান শাহিনের ভাই। অভিযোগ আছে, সে নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, গ্রেপ্তার বুলেট ও তার বন্ধু অ্যাডভোকেট লিখন নগরীতে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে আসছিল।
গত বছরে তারা একত্রে ফেন্সিডিল আনতে যশোরে গেলে সেখানে বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সদস্যরা তার দুই সহযোগীকে আটক করে। এসময় কোনো মতে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় তারা।
এর পূর্বে বন্ধু অ্যাডভোকেট লিখনের চেম্বার থেকে একাধিকবার মাদক উদ্ধার হলে সেখানেও বুলেটের নামটি আলোচনায় আসে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তাকে শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার বা মামলায় আসামি করা হয়নি।
একটি সূত্র জানায়, বুলেট সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও শহরের কালুশাহ সড়কে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করে আসেছেন।
এবং এই এলাকারসহ আশপাশের মহল্লাগুলোতে মাদকের একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। যশোর থেকে ফেন্সিডিল এনে তা এলাকায় বসে সরবরাহ করতেন।
ডিবি পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গত বছর যশোরে বিজিবির ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে আসার পর থেকে বুলেটের ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। রোববার ওই দুই নারী তাকে ফেন্সিডিল সরবরাহ করতে আসলে ডিবি পুলিশ সদস্যরা হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
এবং এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেছে ডিবি পুলিশ।’
 পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ৫ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় শফিকুল ইসলাম (১৪) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
রোববার শিশুটির নানা বাদি হয়ে অভিযুক্ত শফিকুলকে আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আটককৃত কিশোর শফিকুল ইসলাম উপজেলার ভেচকি গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে মায়ের সাথে নানা বাড়িতে বসবাস করে শিশুটি।
গত ৫ আগস্ট দুপুরে বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় বাড়ির পাশের একটি গোডাউনে মোবাইলে চার্জ দিয়ে শিশুটিকে সেখানে রেখে মা তার জন্য মুড়ি আনতে যান।
এসময় অভিযুক্ত শফিকুল গোডাউন ঘরে ঢুকে শিশুটিকে চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার দুইদিন পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হয়।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার এসআই মোঃ নোমান জানান, অভিযুক্ত কিশোর প্রাথমিক ভাবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নুরুল ইসলাম বাদল জানান, শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষা রোববার বিকেলে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আটককৃত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে পিরোজপুর শিশু আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঝালকাঠি সদরের সারেঙ্গল গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে জালাল সিকদার (৫৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জালাল সিকদার ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে।

জালাল সিকদারের স্বজন আবু সুফিয়ান মিন্টু জানান, আমন বীজ রোপণের জন্য সকালে জমিতে কাজ করতে যান জালাল। এসময় পড়ে থাকা তার সরাতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।

পাশের জমিতে কাজ করা শ্রমিকরা মুমূর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

(বরগুনা সংবাদদাতা):
বরগুনার বামনা উপবজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আনোয়ার জোমাদ্দারের স্ত্রী শিমুল বেগম(৫০) এর কান বাশের কঞ্চিতে ফাটলেও প্রতি পক্ষ আমির জোমাদ্দারের পুত্র ও চৌকিদার খালেদার শ্বামী মোঃ রফিকের কথা বলা হচ্ছে সে কানে কোপ দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় শিমুল বেগমের স্বামী মোঃ আনোয়ার হোসেন জোমাদ্দার ও রফিকের বাবা আপন ভাই। তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে এবং কোর্টে ও থানায় বিভিন্ন মামলা মোকার্দ্দমা রয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ বশিরুল আলম গত শনিবার ঘটনা স্থলে যান এবং উভয় পক্ষকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে চলে আসার কিছুক্ষণ পরই তারা উভয় পক্ষ ঝগড়ায় লিপ্ত হন। এ সময় বৃদ্ধ শিমুল বেগমের কান বাশের কন্চিতে কেটে যায়। পরে রফিক কে ফাসিয়ে দেওয়ার জন্য তার চাচাতো ভাই আলামীন নাটক তৈরি করে এবং বলে রফিক কোপ দিয়েছে।তবে স্বাক্ষী প্রমানে সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিমুল বেগমকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের যে ছাড় পত্র আনা হয়েছে তা ভুয়া তৈরি করা বলে জানা যায়।
রফিক বলেন আলামীন আমার চাচাতো ভাই তাদের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ আছে। শিমুল বেগম আমার আপন চাচী তাকে আমি কোপ দেই নি।তার কান বাশের কঞ্চিতে কাটছে।আমাকে ফাসানোর জন্য মিথ্যা বলা হচ্ছে এবং চাচীকে বরিশাল হাসপাতালে না নিয়ে আত্বীয়দের বাড়ী রেখে ভুয়া ছাড়পএ তৈরি করে লোক জনকে দেখানো হচ্ছে।
আলমীন বলে রফিকদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে।তাই নিয়ে তাদের সাথে ঝগড়া ঝাটির সময় রফিক আমার চাচীর কানে কোপ দেয়।তাকে বরিশাল থেকে চিকিৎসা করিয়ে বাড়ী আনছি।আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।

বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ বশিরুল আলম বলেন এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়ার ঘটনায় মামত ভাই ও যুবলীগ নেতার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ফুফাত ভাই। বুধবার দুপুর ১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডস্থ মুসলিম গোরস্থান রোডের পন্ডিত বাড়ির বাসিন্দা মৃত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহমানের ছেলে শাহারিয়া মো. সালা উদ্দিন।

 

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ১৮ বছর যাবৎ আমার মামাতো ভাই মহানগর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়া সাচিব রাজিব কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছি।

 

এর ধারাবাহিকতায় গত ১ আগস্ট রাজিবের বালুর ট্রাক ঢুকে আমাদের ড্রেনের ওপর নির্মিত স্লাব ভেঙে ফেলে। এ বিষয়ে আমি তার কাছে জানতে চাইলে সে আমাকেসহ পরিবারের সবাইকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং হামলা করে।

 

এক পর্যায় ষ্টীলের জিআই পাইপ দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করতে চাইলে আমি হাত দিয়ে তা প্রতিরোধের চেষ্টা করি। এতে প্রচ- আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আমার ডান হাত ভেঙে যায়। এই ঘটনায় আমি থানায় এজাহার দায়েরের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

 

সংবাদ সম্মেলনে শাহরিয়া মো. সালা উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, ‘শাহরিয়া সাচিব রাজিব একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ী। ইতোপূর্বে তিন-চারবার তিনি ফেন্সিডিলসহ মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়। এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।

 

আমি বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে তাতেও সে বাধা দেয়। আমার কাছে সে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণ এবং আমার মেঝ ভাইকে মারধর করে। এমনকি আমার নিজের একটি মোটরসাইকেল কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে। তার পরিবারকে এ বিষয়ে বহুবার জানানো হলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। তাই আমরা এবং আমাদের ভাড়াটিয়ারা তার ভয়ে ভিত হয়ে থাকি।

 

তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশালের সিটি মেয়র, প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধাণ সহ বিচারের দাবি করেন সালা উদ্দিন।
এদিকে, ‘সংবাদ সম্মেলনে ফুফাতো ভাইয়ের করা অভিযোগের কিছু অংশ অকপটেই স্বীকার করেছেন সাহারিয়া সাচিব রাজিব। তিনি বলেন, ‘সালা উদ্দিন আমার জমি দখল করে একটি ড্রেনের ওপর স্লাব নির্মাণ করেছে। ভাই হওয়ায় আমি সেটা মেনে নিয়েছি। সম্প্রতি আমার একটি বালুর ট্রাক বাড়ির ফেতরে ঢোকার সময় ওই স্লাবটি ভেঙে যায়। এজন্য সে এবং তার পরিবারের লোকেরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এর প্রতিবাদ করায় সে আমার গায়ে ঢিল ছুড়লে আমি পায়ে আঘাত পাই। এই ঘটনায় আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছি। পরবর্তী বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় সালা উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালের উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও কৃষকলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদারকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১ আগষ্ট রবিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার সানুহার বাসস্টান্ডে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গৌরাঙ্গ লাল কর্মকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কবিরের সঞ্চালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আউয়াল হাওলাদার, শাহজাহান সরদার, আয়নাল হক হাওলাদার প্রমূখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ লকিতুল্লাহ, শরীফ জিয়াউল, শ. জ. আলীম, শিক্ষক সোলায়মান,ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ পলাশ তালুকদার,যুগ্ন আহবায়ক মোঃ দোলোয়ার হোসেন সরদার,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াদ সরদার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক জালাল গাজী, ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আলামিন খলিফা, যুবলীগ নেতা মোঃ দুলাল হাওলাদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সুমন হাওলাদার হারিছ, ইউপি সদস্য আঃ সালাম সরদার, শাহজাহান বেপারী, শহিদুল ইসলাম জাকারিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হক সরদারসহ ৩ শতাধিক নেতাকর্মী।

মানববন্ধন শেষে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়নাল হক হাওলাদার।

এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী বক্তারা ,আহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা এবং হত্যাকারীদের দ্রত গ্রেফতার পূর্বক ফাঁসির দাবী জানান।

উল্লেখ্য ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের আটিপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদার(৭০)কে প্রকাশ্য পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে এবং একই পরিবারের ৪জনকে উপর্যুপরি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছিল।

এই ঘটনায় নিহতের ছেলে তরিকুল ইসলাম জুয়েল বাদী হয়ে ৩২ জনকে আসামী করে ৩১ জুলাই উজিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইতি মধ্যে ৪জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদে বালু ব্যবসায়ী কতৃক দুই সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৩০ জুলাই (শুক্রবার) সকালে ১ নং ওয়ার্ড আইচা এলাকার খেয়া ঘাট সংলগ্ন  স্হানে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সায়েস্তাবাদ ২ নং ওয়ার্ড পূর্ব চরআইচা এলাকার দিন মজুর নাসির মোল্লার স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩৭)দুই সন্তানের জননী সাথে একই এলাকার মৃতঃ আ রব হাওলাদারে ছেলে বালু ব্যবসায়ী জসিম হাওলাদের দীর্ঘ দিনের একটি অবৈধ সম্পক ছিল।কিন্ত খাদিজা বেগমের সন্তানরা বড় হয়ে যাওয় এ অবৈধ সম্পক থেকে জসিমের কাছ থেকে সড়ে আসতে থাকে খাদিজা বেগম।কিন্ত জসিম কিছুতেই এই অবৈধ সম্পক থেকে সড়ে আসতে নাড়াজ।গত ৩০ জুলাই সকালে খাদিজা বেগম জসিমের  চরআইচা এলাকার বালুর খোলার এলাকা থেকে বাসায় ফেরার পথে জসিম জোর পূর্বক খাদিজাকে বালু খোলার টং ঘড়ে নিয়ে যায়।এ সময় খাদিজা জোর চিৎকার করলে স্হায়নীরা তাদের আটক করে।কিন্ত কৌশলে জসিম জানলা কেটে পালিয়ে যায়।পরে ওই ভুক্তভোগী নারী ৩০ জুলাই রাতে বরিশাল কাউনিয়া থানায় ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

ঝালকাঠির নলছিটিতে হত্যাচেষ্টা মামলার এক নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম মন্টুকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ।
যদিও আসামি মন্টু পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশে থাকেন সব সময়। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগও দিচ্ছেন।
এমনকি নলছিটির মোল্লারহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে ফটোসেশন করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) সাইদুল ইসলাম মন্টুর বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা (নম্বর-১১, তারিখ-২৬ জুন ২০২১ইং) থাকলেও তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
পুলিশের তালিকায় পলাতক হলেও তিনি সরব উপজেলাজুড়ে। আবার পুলিশ কর্তাদের সঙ্গেও রয়েছে তার একাধিক ছবি।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মোল্লারহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে ফটোসেশন করেন। ছবিটি ফেসবুকে আসার পর এনিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে ফটোসেশন করা ওই আসামিসহ ১৫-১৬ জন লোক গত ২২ জুন বিকেলে নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধে জেরে উপজেলার ঝাহাতলা বাজারের ব্যবসায়ি জলিল সিকদার ও তার পরিবারের লোকজনের ওপর দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠিসোটা ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়।
বেদম মারধরের একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জলিল সিকদারের ভাই নাসির সিকদার ও মেয়ে মুক্তা আক্তারকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় দা দিয়ে তারা পরপর কোপ দেয়।
এতে ওই দুজন গুরুতর জখম হন। পরে মেম্বার মন্টুর নেতৃত্বে জলিল সিকদারের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
এ ঘটনায় জলিল সিকদারের স্ত্রী মাকসুদা বেগম বাদি হয়ে গত ২৩ জুন থানায় মামলা করেন।
বাদি মাকসুদা বেগম অভিযোগ করেন, আসামিরা এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
এ ঘটনায় তার স্বামী জলিল সিকদার বাদি হয়ে ২৯ জুন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
মামলার প্রধান আসামির সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা ফটোসেশন করায় তিনি ভীত, শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ওই মামলা সুষ্ঠ তদন্ত নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে মোল্লারহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মেম্বার সাইদুল ইসলাম মন্টু মামলার আসামি এটা তার জানা ছিল না।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রশান্ত কুমার দে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।