ঝালকাঠি সদরের সারেঙ্গল গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে জালাল সিকদার (৫৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জালাল সিকদার ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে।
জালাল সিকদারের স্বজন আবু সুফিয়ান মিন্টু জানান, আমন বীজ রোপণের জন্য সকালে জমিতে কাজ করতে যান জালাল। এসময় পড়ে থাকা তার সরাতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।
পাশের জমিতে কাজ করা শ্রমিকরা মুমূর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
(বরগুনা সংবাদদাতা):
বরগুনার বামনা উপবজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আনোয়ার জোমাদ্দারের স্ত্রী শিমুল বেগম(৫০) এর কান বাশের কঞ্চিতে ফাটলেও প্রতি পক্ষ আমির জোমাদ্দারের পুত্র ও চৌকিদার খালেদার শ্বামী মোঃ রফিকের কথা বলা হচ্ছে সে কানে কোপ দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় শিমুল বেগমের স্বামী মোঃ আনোয়ার হোসেন জোমাদ্দার ও রফিকের বাবা আপন ভাই। তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে এবং কোর্টে ও থানায় বিভিন্ন মামলা মোকার্দ্দমা রয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ বশিরুল আলম গত শনিবার ঘটনা স্থলে যান এবং উভয় পক্ষকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে চলে আসার কিছুক্ষণ পরই তারা উভয় পক্ষ ঝগড়ায় লিপ্ত হন। এ সময় বৃদ্ধ শিমুল বেগমের কান বাশের কন্চিতে কেটে যায়। পরে রফিক কে ফাসিয়ে দেওয়ার জন্য তার চাচাতো ভাই আলামীন নাটক তৈরি করে এবং বলে রফিক কোপ দিয়েছে।তবে স্বাক্ষী প্রমানে সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিমুল বেগমকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের যে ছাড় পত্র আনা হয়েছে তা ভুয়া তৈরি করা বলে জানা যায়।
রফিক বলেন আলামীন আমার চাচাতো ভাই তাদের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ আছে। শিমুল বেগম আমার আপন চাচী তাকে আমি কোপ দেই নি।তার কান বাশের কঞ্চিতে কাটছে।আমাকে ফাসানোর জন্য মিথ্যা বলা হচ্ছে এবং চাচীকে বরিশাল হাসপাতালে না নিয়ে আত্বীয়দের বাড়ী রেখে ভুয়া ছাড়পএ তৈরি করে লোক জনকে দেখানো হচ্ছে।
আলমীন বলে রফিকদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে।তাই নিয়ে তাদের সাথে ঝগড়া ঝাটির সময় রফিক আমার চাচীর কানে কোপ দেয়।তাকে বরিশাল থেকে চিকিৎসা করিয়ে বাড়ী আনছি।আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।
বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ বশিরুল আলম বলেন এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়ার ঘটনায় মামত ভাই ও যুবলীগ নেতার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ফুফাত ভাই। বুধবার দুপুর ১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডস্থ মুসলিম গোরস্থান রোডের পন্ডিত বাড়ির বাসিন্দা মৃত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহমানের ছেলে শাহারিয়া মো. সালা উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ১৮ বছর যাবৎ আমার মামাতো ভাই মহানগর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়া সাচিব রাজিব কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছি।
এর ধারাবাহিকতায় গত ১ আগস্ট রাজিবের বালুর ট্রাক ঢুকে আমাদের ড্রেনের ওপর নির্মিত স্লাব ভেঙে ফেলে। এ বিষয়ে আমি তার কাছে জানতে চাইলে সে আমাকেসহ পরিবারের সবাইকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং হামলা করে।
এক পর্যায় ষ্টীলের জিআই পাইপ দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করতে চাইলে আমি হাত দিয়ে তা প্রতিরোধের চেষ্টা করি। এতে প্রচ- আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আমার ডান হাত ভেঙে যায়। এই ঘটনায় আমি থানায় এজাহার দায়েরের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে শাহরিয়া মো. সালা উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, ‘শাহরিয়া সাচিব রাজিব একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ী। ইতোপূর্বে তিন-চারবার তিনি ফেন্সিডিলসহ মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়। এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।
আমি বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে তাতেও সে বাধা দেয়। আমার কাছে সে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণ এবং আমার মেঝ ভাইকে মারধর করে। এমনকি আমার নিজের একটি মোটরসাইকেল কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে। তার পরিবারকে এ বিষয়ে বহুবার জানানো হলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। তাই আমরা এবং আমাদের ভাড়াটিয়ারা তার ভয়ে ভিত হয়ে থাকি।
তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশালের সিটি মেয়র, প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধাণ সহ বিচারের দাবি করেন সালা উদ্দিন।
এদিকে, ‘সংবাদ সম্মেলনে ফুফাতো ভাইয়ের করা অভিযোগের কিছু অংশ অকপটেই স্বীকার করেছেন সাহারিয়া সাচিব রাজিব। তিনি বলেন, ‘সালা উদ্দিন আমার জমি দখল করে একটি ড্রেনের ওপর স্লাব নির্মাণ করেছে। ভাই হওয়ায় আমি সেটা মেনে নিয়েছি। সম্প্রতি আমার একটি বালুর ট্রাক বাড়ির ফেতরে ঢোকার সময় ওই স্লাবটি ভেঙে যায়। এজন্য সে এবং তার পরিবারের লোকেরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এর প্রতিবাদ করায় সে আমার গায়ে ঢিল ছুড়লে আমি পায়ে আঘাত পাই। এই ঘটনায় আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছি। পরবর্তী বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় সালা উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালের উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও কৃষকলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদারকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ আগষ্ট রবিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার সানুহার বাসস্টান্ডে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গৌরাঙ্গ লাল কর্মকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কবিরের সঞ্চালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আউয়াল হাওলাদার, শাহজাহান সরদার, আয়নাল হক হাওলাদার প্রমূখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ লকিতুল্লাহ, শরীফ জিয়াউল, শ. জ. আলীম, শিক্ষক সোলায়মান,ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ পলাশ তালুকদার,যুগ্ন আহবায়ক মোঃ দোলোয়ার হোসেন সরদার,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াদ সরদার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক জালাল গাজী, ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আলামিন খলিফা, যুবলীগ নেতা মোঃ দুলাল হাওলাদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সুমন হাওলাদার হারিছ, ইউপি সদস্য আঃ সালাম সরদার, শাহজাহান বেপারী, শহিদুল ইসলাম জাকারিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হক সরদারসহ ৩ শতাধিক নেতাকর্মী।
মানববন্ধন শেষে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়নাল হক হাওলাদার।
এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী বক্তারা ,আহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা এবং হত্যাকারীদের দ্রত গ্রেফতার পূর্বক ফাঁসির দাবী জানান।
উল্লেখ্য ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের আটিপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তালুকদার(৭০)কে প্রকাশ্য পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে এবং একই পরিবারের ৪জনকে উপর্যুপরি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছিল।
এই ঘটনায় নিহতের ছেলে তরিকুল ইসলাম জুয়েল বাদী হয়ে ৩২ জনকে আসামী করে ৩১ জুলাই উজিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইতি মধ্যে ৪জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদে বালু ব্যবসায়ী কতৃক দুই সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৩০ জুলাই (শুক্রবার) সকালে ১ নং ওয়ার্ড আইচা এলাকার খেয়া ঘাট সংলগ্ন স্হানে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সায়েস্তাবাদ ২ নং ওয়ার্ড পূর্ব চরআইচা এলাকার দিন মজুর নাসির মোল্লার স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩৭)দুই সন্তানের জননী সাথে একই এলাকার মৃতঃ আ রব হাওলাদারে ছেলে বালু ব্যবসায়ী জসিম হাওলাদের দীর্ঘ দিনের একটি অবৈধ সম্পক ছিল।কিন্ত খাদিজা বেগমের সন্তানরা বড় হয়ে যাওয় এ অবৈধ সম্পক থেকে জসিমের কাছ থেকে সড়ে আসতে থাকে খাদিজা বেগম।কিন্ত জসিম কিছুতেই এই অবৈধ সম্পক থেকে সড়ে আসতে নাড়াজ।গত ৩০ জুলাই সকালে খাদিজা বেগম জসিমের চরআইচা এলাকার বালুর খোলার এলাকা থেকে বাসায় ফেরার পথে জসিম জোর পূর্বক খাদিজাকে বালু খোলার টং ঘড়ে নিয়ে যায়।এ সময় খাদিজা জোর চিৎকার করলে স্হায়নীরা তাদের আটক করে।কিন্ত কৌশলে জসিম জানলা কেটে পালিয়ে যায়।পরে ওই ভুক্তভোগী নারী ৩০ জুলাই রাতে বরিশাল কাউনিয়া থানায় ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।





