বাজারে বিক্রি হওয়া অনুমোদনহীন ৫টি কোম্পানির ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকসের মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।  ড্রিংকগুলো হলো এসএমসি প্লাস, প্রাণের এক্টিভ, ব্রুভানা, আকিজের রিচার্জ, টারবো।

মঙ্গলবার (১৪ মে) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক আলাউল কবীরের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ক্ষমতাপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন এ মামলা দায়ের করেন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক বলেন, এগুলোর একটিরও অনুমোদন নেই।

তিনি আরও বলেন, ওষুধ প্রশাসনও বলতে পারেনা এগুলো ওষুধ না ড্রিংকস। এর মধ্যে এসএমসি প্লাসের মডেল হয়ে পণ্যর প্রসারে প্রচারণা করছেন ক্রিকেটার তামীম ইকবাল। নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী এটি অপরাধ। আমরা বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করতে বলেছি, শোনেনি কোনো কোম্পানি। কাজেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক।

বরিশালে অর্থ আত্বসাতের দায়ে ওয়াই ডাব্লিউ সি এ’র দায়ের করা প্রতারনা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। জানাগেছে- আটককৃতরা হলেন, নগরীর ১০নং ওয়ার্ড আমবাগান এলাকার জব্বার মিয়ার সড়ক পোদ্দার রোড এলাকার বাসীন্দা রুবেল বিশ্বাস ও স্ত্রী

সুচিত্রা বাড়ৈ। শনিবার বিকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম বলেন, প্রতারনা করে স্বামী-স্ত্রী ওআই ডাব্লিউ সিএ’র ১৪ লক্ষ টাকা আত্বসাৎ করার অভিযোগে কতৃপক্ষ তাদের বিরুদ্বে মামলা দায়ের করলে পুলিশ রুবেল বিশ্বাসের বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী’কে আটক করে আদালতে সোপার্দ করেন।

বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগে ব্যবসা শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভায় তাকে বরখাস্ত করা হয়।

গত (৫ মে) ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আইসিটি ক্লাস ছিল। মাইদুল ইসলাম ক্লাসে গিয়ে ছাত্রীদের গায়ে পিঠে হাত দেয় বলে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের কাছে অভিযোগ করেন। ঘটনার পরদিন ৬ মে ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

এ নিয়ে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষকের এমন আচারণ দীর্ঘ দিনের। এমন হলে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানো দায় হয়ে উঠবে। এজন্য ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এদিকে স্কুল থেকে গঠন করা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি শিক্ষক মাইদুল ইসলামের এমন আচারণের সত্যতা পান। তিনি যে ছাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে হাত দেন এ কথার প্রমাণ পেয়েছে বলে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক মাইদুল ইসলাম প্রথমে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, মূলত স্কুলের কিছু ভিতরগত রাজনৈতিক বিষয়ে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান বলেন, ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগে গেল (৯ মে) স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভা ডেকে তাকে পুরোপুরি বরখাস্ত করা হয়েছে।

ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল জানান, তারা এতেই ক্ষ‌্যান্ত থাকবেন না, দায়ী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

চুক্তি ভিত্তিক এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এরআগেও স্কুলে কোচিং করানো নিয়ে ছাত্রীদের হয়রানীর অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

সৌদি আরবের মুদ্রা রিয়াল ও মার্কিন ডলার নিয়ে প্রতারণার মামলায় বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জালাল হাওলাদারকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে বরিশাল মহানগর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করেন আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু। তিনি বলেন, ‘আজ শনিবার দুপুরে পুলিশ জালাল হাওলাদারকে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। এ সময় আদালতের বিচারক মো. আরিফুর রহমান তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুকুয়া ইউনিয়নের হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামের বাসিন্দা জালাল হাওলাদার এবং তাঁর দুই ভাই দুলাল হাওলাদার ও চুন্নু হাওলাদার ৪০ বছর ধরে ডলার ও রিয়াল বিক্রির নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। ওই এলাকায় এই চক্রের ৪৫-৫০ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডলার ও রিয়াল বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

গত রোববার রাতে ইউপি সদস্য জালাল হাওলাদারসহ ছয়-সাতসদস্য উপজেলার গাজীপুর গ্রামের তৌকির খানের কাছে ৩ লাখ টাকার রিয়াল বিক্রির দেনদরবার করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশিরুল আলম ওই গ্রামে অভিযান চালান।

সেখান থেকে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু মূল হোতা জালাল হাওলাদার পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত সোমবার আমতলী থানায় প্রতারণার অভিযোগে জালালসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় চক্রের পাঁচ সদস্য কারাগারে রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার রাতে বরগুনা গোয়েন্দা পুলিশ ও র‍্যাবের একটি যৌথ দল বরিশাল মহানগরের একটি সড়কে অভিযান চালায়। ওই সড়ক থেকে তারা জালাল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে। আজ শনিবার দুপুরে ডিবি পুলিশ তাঁকে আমতলী থানায় সোপর্দ করে। থানা-পুলিশ তাঁকে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে। আদালতের বিচারক মো. আরিফুর রহমান তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বরগুনা পুলিশের জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশিরুল আলম বলেন, ‘সৌদি রিয়াল প্রতারণা চক্রের মূল হোতা ইউপি সদস্য জালাল হাওলাদারকে বরিশাল মহানগরের একটি সড়ক থেকে গ্রেপ্তার করেছি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ কাজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এই চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য রয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’

মাদারীপুরে পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্য তানজিলা আক্তার একটি দোকানে এক হাজার টাকার কয়েকটি বান্ডিল গুনে নিচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দোকানটি মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে।

সেই দোকানেই টাকা লেনদেন হয়েছে। গত বছরের ১ মার্চ টাকা গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার রবিদাসের ছেলে রতন দাস একটি দোকানে কাজ করতেন। সেখানেই পরিচয় হয় পুলিশ সদস্য তানজিলা আক্তারের সঙ্গে। পরে পুলিশ নিয়োগের সময় তানজিলা আক্তার পুলিশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রতনের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা নেয়।

বিশ্বাস অর্জনের জন্য তানজিলা কমিউনিটি ব্যাংকের একটি চেকও প্রদান করে। তানজিলা আক্তারের নামে কমিউনিটি ব্যাংকের চেকে তানজিলার স্বাক্ষর ও তারিখ রয়েছে। এদিকে পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার পর রেজাল্ট দিলে চাকরি না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েন ভুক্তভোগী রতন দাস। উপায় না পেয়ে অভিযোগ করেন পুলিশ সুপার বরাবর।

চাকরিপ্রত্যাশী রতন দাস বলেন, আমাকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৪ লাখ টাকা নিয়েছে তানজিলা আক্তার নামে এক পুলিশ সদস্য। কিন্তু সে চাকরি দিতে পারেনি। সেই টাকা দিয়ে তানজিলার স্বামী ফরিদপুরে ব্যবসা শুরু করছে।

টাকা ফেরত চাইলে সে বিভিন্ন রকমের টালবাহানা করছে। আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় একটি চেকও দিয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন অজুহাতে সে আমার টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এই ঘুষ নেওয়ার সঙ্গে শহিদুল নামে এক পুলিশও জড়িত।

রতন দাসের বাবা রবিদাস বলেন, আমি ধার-দেনা করে ছেলের চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলাম তানজিলার কাছে। সে চাকরি দিতে পারেনি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। তাই এসপি অফিসে অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত তানজিলা আক্তার বলেন, যা বলার এসপি স্যারকেই বলেছি। অপর অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম নিজের দায় অস্বীকার করে জানান, তিনি কোনো টাকা নেননি।

মাদারীপুর পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, চাকরির প্রলোভনে দুই পুলিশ সদস্যের ঘুষ নেওয়ার একটি অভিযোগ এসেছে। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক //দাবীকৃত যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় স্বামীর নির্যাতন ও জ্বালা যন্ত্রণা সহ্য না করতে পেরে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী।গতবছর ২০ ডিসেম্বর বরিশাল মেট্রোপল্টন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নগরীর পলাশপুর ৫ নং ওয়ার্ড ৭ নং গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মুন্নী বেগম (৩৪)।বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে আসামি মোঃ মামুন হাওলাদার(৫০) এর বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন।আসামী উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে আদালত। এব্যাপারে ভুক্তভোগী ওই নারী জানান,দায়েরকৃত মামলায় আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবার পর আসামি, তাকে ও তার সন্তানদের কাছে মাদক রেখে ধরিয়ে দেবার হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সময়ে তার বাসায় মাদক রাখার প্রচেষ্টাও চালান।এই অভিযোগ এনে গত ৩১ শে জানুয়ারি বরিশাল কাউনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন মুন্নি বেগম।গত ২০ ফেব্রুয়ারি কাউনিয়া থানা পুলিশ আসামি মামুনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য লাভলী বেগম।স্থানীয় আদালত সূত্রে জানা গেছে পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা মামলার বাদী মুন্নী বেগমের প্রথম স্বামী মুহাম্মদ ইউসুফ মোল্লার মৃত্যুর পর মামুন হাওলাদার কে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহরের ধার্য করিয়া গত ২০১৬ সালের ৪ জুন মাসে নগরীর দরগাবাড়ি পোল ২৩ নং ওয়ার্ডে কাজী অফিসে বসে মুন্নি বেগমকে বিয়ে করেন।বিয়ের পর মুন্নি বেগম তার স্বামী মামুনকে ড্রেজার ব্যবসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা দেন। ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে গত পাঁচ বছর যাবত মামুন কোন কাজ করেন না।এখন যৌতুকের দাবিতে আরো পাঁচ লক্ষ টাকা চায়।টাকা দিতে অস্বীকার জানালে গত তিন চার বছর যাবত মুন্নীর উপর নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন করে আসছে। উপায় না পেয়ে সর্বশেষ আদালতে মামলা দায়ের করেন যার মামলা (নাম্বার ৩৪৬)।বর্তমানে তিনি নগরীর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে সুষ্ঠু সহযোগিতা কামনা করছেন।

 

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার আড়িয়াল খাঁ, সন্ধ্যা এবং সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালিয়েছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। মৎস্য বিভাগের সহায়তায় মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানকালে ৩টি নদী থেকে ১০টি অবৈধ মশারী জাল, ৫০টি চরঘেরা জাল, এক লাখ মিটার কারেন্ট জাল, ৩০টি চায়না দুয়ারী জাল এবং মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জামাদী উদ্ধার করে তারা। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। পরে জব্দকৃত জাল ও সরঞ্জাম পুড়িয়ে ধংস করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুব্রত বিশ্বাস দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম ছাড়াও পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা সহায়তা করেন।

জাঁটকাসহ দেশীয় প্রজাতীর ছোট মাছ রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুব্রত বিশ্বাস দাস।

 

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে বিয়ের একদিন পরই ওমর আলী (২৪) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি মরিচ ক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওমর ওই এলাকার শাহজাহান ফরাজীর ছেলে।

মহিপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ওমর আলীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের তাজেপাড়া গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে রুকাইয়ার (১৮) বিয়ে হয়। গতকাল কনের বাড়িতে বৌভাত শেষে রুকাইয়াকে তার বাড়ির লোকজনসহ ওমর আলীর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ভোররাতে ওমর নামাজ পড়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়। এর পর মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা মরিচ ক্ষেতে তার গলাকাটা মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিয়েছে।

নববধূ রুকাইয়া (১৮) বলেন, ফজরের আজানের পর দুজনে পুকুরে ওযু করতে যাই। সে নামাজ পড়ার জন্য মসজিদের দিকে গেলে আমি ঘরে ফিরেছি। পরে ৭টার দিকে শুনতে পাই মৃত্যুর খবর।

মৃত ওমর আলীর বাবা শাহজাহান ফরাজী বলেন, ফজরের সময় ছেলে ও বউকে পুকুরপাড়ে দেখে আমি মসজিদে গিয়েছি। পরে জামাত শেষে ফিরে এসে দেখি মরিচ ক্ষেতে রক্তাক্ত পড়ে আছে ছেলে।

মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় দা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

 

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের কালিহাতা গ্রামের এক সময়ের ভয়ংকর ডাকাত সদস্য, একাধিক মামলার আসামি হাকিম সরদার এর মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের একটি গোপন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হওয়ার মুহুর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হলে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। ৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিওটিতে দেখা যায় সাবেক ভয়ংকর ডাকাত সদস্য ও বর্তমানে মাদক সিন্ডিকেটর গডফাদার নামের খ্যাত আঃহাকিম সরদার একটি বাগানের মধ্যে একদল মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের সাথে মাদক বিক্রয় ও মাদক বিক্রয়ের জন্য সেল্টার সংক্রান্ত এক গোপন বৈঠক করেন, তারই মধ্যে থেকে একজন তাদের মাদক বিক্রয় ও মাদক বিক্রয় করতে নির্বিঘ্নে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে হাকিম ব্যবসায়ীদের কে বিভিন্ন প্রকার আশ্বাস দিচ্ছেন।উল্লেখ এই হাকিম উজিরপুর থানা পুলিশের সোর্স হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন। অপরদিকে ভিডিওতে আরেক ফেনসিডিল ব্যবসায়ী ও বরিশাল সদর সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ফেনসিডিল মামলার আসামিকে বন্দে আলী জমাদ্দারের পুত্র কবির জমাদারকে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে অন্যপাশে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কন্ঠ শোনা গেলেও তাদের কে ভিডিওতে দেখা যায়নি।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, হাকিম সরদারের বিরুদ্ধে চুরি ডাকাতি সহ একাধিকন রাজনৈতিক মামলা রয়েছে । এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাকিম সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান ,ভিডিওর ঘটনাটি সত্য তবে,মাদক ব্যবসায়ী নাঈম ও রিপনকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা এ মিটিং এর আয়োজন করেছি। আঃ হাকিম এর ভাষ্যমতে নাইম ও রিপনের কোন হদিস পাওয়া যায়নি। ভিডিও ফাঁসের বিষযে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান,ভিডিওটি আপনাদের মাধ্যমে দেখেছি, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

দেড় কেজি গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা ইদ্রিস হাওলাদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সদর দপ্তর থেকে প্রেরিত ই-মেইল বার্তায়
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে গৌরনদী উপজেলার মাগুরা নতুন বাজার এলাকা থেকে দেড়
কেজি গাঁজাসহ ইদ্রিসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইদ্রিস ওই এলাকার
মৃত কাদের হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার দুপুরে
গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।