বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ আয়ত্তে থাকা সকল ঘাটগুলো নিয়ে নিলাম চলছে বেশ কিছুদিন যাবৎ। ইতিমধ্যে টেন্ডার ও জমা দিয়েছেন বেশ কিছু ইজারাদাররা। সদর উপজেলা লাহারহাট ফেরিঘাট পার্কিং এর টেন্ডার জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও জমা দিতে পারেননি ছাত্রলীগ নেতা সুজন।

বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের  সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজনকে টেন্ডার প্রদানে বাধা দেয় দূর্বৃত্তরা। সুজন সদর উপজেলা লাহার হাট ফেরিঘাট পার্কিং-এর বর্তমান ইজারাদার। সোমবার দুপুর ১২.৩০ মিনিটে ছাত্রলীগ নেতা সুজন বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ টেন্ডার বক্সে লাহার হাট ফেরিঘাটের টেন্ডার জমা দেওয়ার জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট টার্মিনালে প্রবেশ করলে প্রায় দুইশত যুবক তাকে পথ গতিরোধ করে এবং টেন্ডার জমা না দেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে । কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুজনকে ঘেরাও করে টেন্ডার প্রদানে বাধা দেওয়া প্রায় দুইশত যুবক। সর্বশেষ পরিস্থিতি সামাল দিতে টেন্ডার জমা না দিয়ে সেখান থেকে চলে যায় ছাত্রলীগ নেতা সুজন ।

সুজন জানায় মঙ্গলবার সকালে আমি লাহারহাট ফেরিঘাট পার্কিং-এর টেন্ডার ড্রপ করতে যাই এবং সেখানে আমি একাই যাই যার কারনে আমাকে সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর প্রায় দুইশত তরুন উপর মহলের একজন মন্ত্রীর নাম বলে আমাকে টেন্ডার প্রদানে বাধা দেয় এবং আমি টেন্ডার জমা দিতে না পেরে সেখান থেকে ফিরে আসি। ছাত্রলীগ নেতা সুজন বলেন কাউনিয়া যুবলীগ নেতা জিহাদ এবং শ্রমিক নেতা শুক্কর এর নেতৃত্তে এসব কর্মকান্ড ঘটেছে।

সুজন আরো বলেন, এ বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক’কে ফোন দিলে তিনি বলেন যার নামে শিডিউল তাকে উপস্থিত থেকে টেন্ডার জমা দিতে হবে।

এরকম কোন নিয়ম আগে ছিলোনা। কারন বিগত বছরগুলোতে আমি শিডিউল এভাবেই জমা দিয়েছি। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও আমি শিডিউল নিজের নামে না কিনে একটি কোম্পানির নামে শিডিউল ক্রয় করেছি। এখন আমি যার নামে শিডিউল কিনেছি সে মূলত ঢাকা থাকে।

সুজন বলেন, আমি একজন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হয়েও কেন আমি টেন্ডার ড্রপ করতে পারলাম না আমি কোন চাঁদাবাজি করিনা এবং আমার নেতা আমাকে চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি শিখায়নি! কি আমার অপরাধ।

আমি বর্তমানে সেখানকার রানিং ইজারাদার আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার চাই।

এ বছর সুজন চুয়াত্তর লক্ষ ৯০ হাজার টাকার দরপত্র দিয়ে লাহার হাট ফেরিঘাট পার্কিং-এ টেন্ডার ড্রপের কার্যক্রম করেন। এর আগেও সুজন বরিশাল সদর উপজেলা লাহার হাট ফেরিঘাট পার্কিং এর ইজারাদার ছিল।

 

আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাগদা ও গলদা চিংড়ির রেনুপোনা আহরণ করছে একটি চোরাচালান চক্র। প্রতিদিন অন্তত অর্ধকোটি টাকার রেনুপোনা চালান হচ্ছে খুলনা বিভাগে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক দপ্তরকে ম্যানেজ করে রেনুপোনা চোরাচালানের এই অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে সংঘবদ্ধ দলটির নেতৃত্বে নাম পাওয়া যায় টুঙ্গিপাড়ার টুলু মিয়া। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন বাগদা ও গলদা চিংড়ির রেনুপোনা পাচারে ব্যাপক চিত্র চোখে পড়ে। তবে যত পরিমাণ পাচার হয় তার অতি নগন্য জব্দ হয়। বরিশালে রেনুপোনা পাচারের পয়েন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বরিশালের একতলা লঞ্চঘাট, তালতলী ও বেলতলা খেয়াঘাট, বালুরমাঠ, নেহালগঞ্জ, লাহারহাট ফেরীঘাট, গোমা ফেরিঘাট, গলাচিপা ফেরিঘট।

একএকটি পোনা ষাট পয়সায় কিনেছেন তারা। বরিশাল থেকে তারা খুলনা বাগেরহাট পর্যন্ত নিতে পরিবহণ ও বিভিন্ন সেক্টরে বিটমানি দিয়ে প্রতিটি পোনা ১২ থেকে ১৩টাকায় বিক্রি করবেন। প্রতি চালানে তারা আড়াই থেকে পাঁচ লাখ পোনা নিয়ে যায়। তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার রেনুপোনা পাচার হয় এ অঞ্চল থেকে।এই ব্যাপারে টুলু, মিয়া জানান,প্রশাসন ম্যানেজ করে আমি এই রেনু পোনা পাচার করি।আমাকে ধরার মতো কোনো লোক দেখি না বরিশালে।

যেমনটি টুলু মিয়ারা ম্যানেজ করেন কতিপয় পুলিশ সদস্য, মৎস্য কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রভাবশালী। তবে সংশ্লিষ্টরা রেনুপোনা পাচারের সত্যতা স্বীকার করে নিমূর্ল করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টুলুর হাত ধরে বরিশালে আরো দুজন র্শীর্ষ রেনু চোরাচালানকারীর উঠে আসে। এই দুজন হচ্ছে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডের। এরা দুজন বরিশাল থেকে চোরাকারবারি করেন রেনুপোনা। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টুলুর এক ব্যবসায়ী পার্টনার জানান,বর্তমানে টুলুর রেনুপনা পাচার করছে অন্য রোড দিয়ে। দক্ষিণ অঞ্চলের রেনুপোনার গাড়িগুলো নলছিটি হয়ে সাইটপাকিয়া ফেরি পার হয়ে খুলনায় প্রবেশ করেন।

মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এই ব্যবসার সঙ্গে রাঘব বোয়ালরা জড়িত। তাদের চাপ উপেক্ষা করে কাজ করা বেশ কঠিন। তারপরও চেষ্টা করে যাচ্ছি। মৎস্য বিভাগের জনবল সংকট, রাতে কাজ করা বেশিরভাগ সময়েই সম্ভব হয় না। বরিশাল রেঞ্জের পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ রেনুপোনা পাচারের সঙ্গে কেউ কেউ অসাধু পন্থা অবলম্বন করছে। তবে পাচার রোধে চষ্টা করি।’ রেনুপোনার গুরুত্ব রয়েছে বলেই তো মৎস্য আইনে এইটি আহরণই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রেনুপোন বহন তো দূরে থাক, আইনের ব্যাত্যয় হলে আমাদের কর্মকর্তারা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে।

৫ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে নৌকা প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

আজ শনিবার বেলা ১১ টায় গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের প্রায় অধিকাংশ সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। চুলচেরা বিশ্লষণ শেষে এ প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক, সিলেটে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, রাজশাহীতে খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশালে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত, গাজীপুরে আজমত উল্লাহ খান। বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে এই প্রার্থীতা চূড়ান্ত করা হয়

 

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা’ নামক শিরোনামে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি বরিশালের স্থানীয় এক পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপণ দিয়ে নগরীর রুপাতলি নগর প্লাজা মার্কেটের ৬ টি দোকান অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে জসিম স্যানেটারি নামক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার মোঃ জসিম খান।
গত পাঁচ বছর ধরে দোকান মালিককে ভাড়া না দিয়ে কূটকৌশলে দোকানগুলো দখল করে উল্টো দোকান মালিকের কাছে চাঁদা দাবী করছে জসিম।উকিল নোটিশ পূর্বক দোকান ছাড়ার নোটিশ দেয়া হলেও জসিম তা তোয়াক্কা না করে উল্টো দোকান মালিক আব্দুল মান্নান ও তার ডাক্তার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।এমনকি জসিম তাদের উপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
দোকান মালিক আব্দুল মান্নান বলেন,২০১৩ সালে নগরীর রুপাতলী নগর প্লাজা মার্কেটের ৪ টি দোকানের বিপরীতে জামানত বাবদ ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে ৩ বছর মেয়াদে জসিম খান নামের এক স্যানিটারী ব্যবসায়ী দোকানগুলো ভাড়া নেয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে আরো ২টি স্টল জসিমকে দেড় লক্ষ টাকা জামানত বাবদ ৩ বছর মেয়াদে ভাড়া দেয়া হয় সুসম্পর্কের কারণে আমার (দোকান মালিক আব্দুল মান্নান) নগর প্লাজা মার্কেটের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় জসিমকে । এবং অনান্য দোকানগুলোর ভাড়াসহ জামানতের টাকা উত্তোলন করত সে।
কিন্তু ২০১৯ সাল থেকে ভাড়াটিয়া জসিম দোকান ভাড়া দেয়া বন্ধ করে দেয়।অনান্য উত্তোলনের টাকার হিসেবেও ব্যাপক গরমিল করে।এর প্রতিবাদসহ সালিশ মিমাংশা করতে গেলে জসিম তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার (দোকান মালিক আব্দুল মান্নান) বসতঘরে ঢুকে হামলা চালায়।পরে জসিম স্থানীয় কতিপয় কিছু ব্যক্তির যোগসাজসে আমাকে জামায়াতের নেতার অপবাদ দিয়ে সমাজে হেও পতিপন্ন করার পাঁয়তারা চালায়।এবং পত্রিকায় ওই বিজ্ঞাপন দিয়ে নানা অপকর্ম শুরু করে জসিম।
নগরীর রুপাতলী নগর প্লাজা মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন,জসিম স্যানেটারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার মোঃ জসিম খান ও নগর প্লাজা মার্কেটের মালিক আব্দুল মান্নান এর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।জসিম অদৃশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ সব কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।
দোকান মালিক আব্দুল মান্নান এর ছেলে ডা. জিয়াউল হক বলেন,গত ২৮/০২/২৩ তারিখে জসিম খান ও তার ভাগিনা নয়ন ও রাশেদ খানসহ ২০/২৫ জন আমার বসতঘরের সামনে এসে বাবা ও আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনার আমি কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরী দায়ের করি।এ ঘটনায় জসিম ক্ষিপ্ত হয়ে গত ০১/০৪/২৩ইং তারিখে আমার বাবা আব্দুল মান্নান ও ছোট ভাইকে বেদম মারধর করে।স্থানীয়রা বাবাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।এবং ছোট ভাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,এই জসিমের বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজী,প্রতারণা,মারামারি,হত্যার হুমকি ও দোকান দখলসহ একাধিক মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী জসিম ও তার সহযোগী নয়ন,রেজা।দু’পক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জসিম স্যানেটারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার মোঃ জসিম খানরে ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।
বরিশাল কোতয়ালি মেডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন,উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় বসা হয়েছিল।কিন্ত কোন সমাধান হয়নি।তারা মামলা নিয়ে রয়েছে।

 

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাকাল মানুষ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সংকটে এতিমখানার শিশুরাও। মানুষের দান এবং সদকায় চলে এমন এতিমখানাগুলোর শিশুদের জন্য সংকট তৈরি হয়েছে। প্রভাব পড়েছে দান-সদকা করা মানুষের ওপর। কমেছে সহায়তার পরিমাণ। প্রতি বছর রমজানে এ সকল শিশুদের মুখে হাসি ফুটলেও দু’বছর ধরে দেখা যাচ্ছে কষ্টের ছাপ। খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে দিন কাটছে এতিম ও দুস্থ শিশুদের। এতিমখানার দায়িত্বরতদের পোহাতে হচ্ছে বেগ।

পলাশপুর রহমানিয়া এতিমখানায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, রমজানে বন্ধ নেই এ সকল এতিমখানা। এই দুস্থ এতিম শিশুদের কোথাও যাওয়ার জায়গাও নেই। তবে কিছুসংখ্যক শিশু যাদের বাবা-মা ছাড়া অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন আছেন তারা ঈদে গ্রামে যাবে। রমজান মাস কাটবে এতিমখানায়। আর যাদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তারা সারা বছর এই এতিমখানায় দিনযাপন করেন। মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে এ সকল শিশুরা। সংকট তৈরি হলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন দিয়ে খাবার এবং পড়াশোনার খরচ চালায়। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের এ সকল শিশুদের মুখে খাবার জোটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ফিরোজি বলেন, এখানে এতিম ও দুস্থ শিশু আছে ৬৫ জন। সবাই এখানে থাকে। সবাইকেই আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়। এখন নিজেদের চেষ্টায় তাদের খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানুষের দান সদকার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো চলে। এসব এতিম শিশুদের চালাতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে। এরমধ্যে আবার নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছে। রমজানে তাদের সেহ্‌রি এবং ইফতার যোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাহায্য প্রয়োজন পরিচালক ফিরোজি ০১৯২৪৬১২৯১৮ বিকাশ

বরিশালের ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর ১৭নং গলি একজন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায্যের আবেদন করেছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধা রোগী পলাশপুর ১৭ নং গলির

মৃত ছইদুরি মিরার কন্যা, ও মৃত আসরাপ আলী হাওলাদারের স্ত্রী।
তিনি একজন ধার্মিক ও ৫ ওয়াক্ত নামাজী।

তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সার চিকিৎসায় জায়গা সম্পত্তি নগদ অর্থ ব্যায় করে বর্তমানে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।ওই বৃদ্ধার দুইজন ছেলে সন্তান রয়েছে তারা বরিশাল নগরীতে রিকশা চালিয়ে সংসার এবং মার চিকিৎসা চালাচ্ছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত আলেয়া বেগম(৬০) বর্তমানে বিনা চিকিৎসায় রয়েছেন।

সমাজের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ করছেন তার চিকিৎসায় মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।

যোগাযোগ- ০১৯৯৫৪৫১৯৯৪ ।
সরাসরি: বড় ছেলে মিন্টু
পিতা-মৃত ছইদুরি মিরা,
স্বামী: মৃত আসরাপ আলী হাং,
৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর,
১৭নং গলি, বরিশাল

 

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : দশ দফা দাবিতে বিএনপির পদযাত্রার কর্মসূচিকে কেন্দ্র ঝালকাঠিতে পুলিশ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশের ছয় সদস্যসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছে। এ সময় আটক করা হয়েছে বিএনপির ১৬ নেতা-কর্মীকে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝালকাঠি শহরের আমতলা সড়কে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সদর থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন সরকার।

স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দশ দফা দাবিতে দলীয় কার্যালয় থেকে জেলা বিএনপি পদযাত্রা শুরু করে।পদযাত্রাটি কিছু দূর অগ্রসর হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সাথে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করলে বিএনপির নেতা-কর্মীরাও পাল্টা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন। ওসি মো. নাসির উদ্দিন সরকার বলেন, বিএনপির কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নেতা-কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

এতে এক নারী পুলিশ সদস্যসহ জেলা পুলিশের কমপক্ষে ছয় জন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পুলিশের বাধার মুখে সংক্ষিপ্ত আকারে দশ দফা দাবিতে প্রতিবাদ সভা করে পরে বিএনপি। এরপর নেতা-কর্মীরা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। এতে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “এ অবস্থা শুধু ঝালকাঠিতেই নয়, সারাদেশেই বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ হামলা চালাচ্ছে।”

তিনি জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনিসুর রহমানসহ আটক নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির ১৬ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

 

মিনি পিকআপে স্টিলের আলমারির মধ্যে অভিনব কায়দায় বিপুল পরিমান গাঁজা পরিবহনের সময় দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। এ সময় স্টিলের আলমারিসহ পিকআপ জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সামনের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়।

আটকরা হলেন, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন পাচকিত্তা ইউনিয়নের মৃত খবির মিয়ার ছেলে মো. গিয়াস উদ্দিন (৩০) ও মুরাদনগর পৌরসভার মধ্যমপাড়া এলাকার মো. সেলিম মিয়ার ছেলে মো. শাকিল মিয়া।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. এনায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে সন্দেহজনক পিকআপটিকে থামিয়ে তাতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওই পিকআপে থাকা স্টিলের একটি আলমারির ভেতরেও তল্লাশি করা হয়।

যদিও প্রথমে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে গাঁজার কোরনা সন্ধান না পেয়ে হতাশ হয়ে যাই আমরা। তবে যেহেতু আমাদের কাছে আগে থেকেই সংবাদ ছিলো তাই পিকআপ ও আলমারিটিতে আবারও তল্লাশি শুরু করি। তখন দেখতে পাই আলমারির নীচের দিকে আলাদা একটি অংশ রয়েছে। যেটি স্ক্রু দিয়ে আটকানো। তারপর সেটি খুলে বিশেষভাবে রাখা ৬৪ কেজির গাঁজার সন্ধান পাই।

তিনি আরও জানান, আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মাদকের এ বিশাল চালানটি নিয়ে তারা বরিশালে আসে। সিঅ্যান্ডবি রোডে আসার পর অজ্ঞাতদের ফোন দিলে তারা নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাবে বলে তারা জানায়।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের যাদের নাম জানা যাবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

পটুয়াখালীর শ্রীরামপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক নারী। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের প্রধান শিক্ষক মো. রশিদ মাস্টারের বাড়িতে ওই নারী অবস্থান করছেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বাড়ি ছেড়েছেন প্রধান শিক্ষক।

রশিদ মাস্টার পৃর্ব কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ওই নারী একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। প্রতিবেশী রানী বেগম বলেন, সকালবেলা আমরা শুনতে পাই এক মহিলা আসছে বিয়ে করার জন্য। তার সঙ্গে কথা বলি। তিনি নাকি পটুয়াখালী থেকে এসেছেন। আগে কখনো তাকে দেখিনি।

অনশনরত ওই নারী বলেন, রশিদ মাস্টার ছয় বছর ধরে আমাকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া বাসায় রেখেছে। আমার মেয়ে তার স্কুলে পড়তো। সেখান থেকে তার সঙ্গে আমার পরিচয়। আমাকে বিয়ের ছলনা দিয়ে সে এতদিন সম্পর্ক করেছে। সে আমাকে ঢাকায় নিয়ে বিয়ে করেছে। কিন্তু সেই বিয়ের কাগজ এখন পর্যন্ত দেয়নি। সে শুধুমাত্র কলেমা পড়েছে, কাবিন করেনি।

তিনি আরও বলেন, তার (রশিদ) সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে আমার বাবা-মা কেউ আমাকে আশ্রয় দেয় না। আজকে আমি অসহায় হয়ে তার বাড়িতে এসেছি বিয়ের দাবিতে। আমার একটা মেয়ে। তাও তার জন্য ছেড়ে দিয়েছি। সে আমার একটি বাচ্চাও নষ্ট করেছে। সে বলেছে আমাকে কোনো দিন ছেড়ে যাবে না। সে কোরআন শরিফ নিয়ে কসম কেটেছে।

প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী তানিয়া বেগম বলেন, ২০ বছর ধরে আমার স্বামীর সংসার করছি। এ রকম কোনো কিছু আমি আগে কখনো দেখিনি। আজ সকালে হঠাৎ করে এই মহিলা আমার ঘরে উঠে আমার স্বামীকে বলছে বিয়ে করতে। এটা আসলে ষড়যন্ত্র। আমার ছেলে রাজনীতি করে। আমাদের প্রতিপক্ষ একটি দল ষড়যন্ত্র করে এই মহিলাকে এখানে পাঠিয়েছে।

প্রধান শিক্ষক রশিদ মাস্টার বলেন, আমার বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আমি চিহ্নিত করতে পেরেছি। স্থানীয় মেম্বারদেরকে আমি অবহিত করেছি। তারা যদি এটার সমাধান না করতে পারে তাহলে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এর আগেও সে আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছিল। মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। কারণ মামলায় যে ছবি ও ডকুমেন্ট দেখিয়েছে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

আপনি বাড়ি ছেড়েছেন কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর বাইরে চলে যাই। এরপর একটি স্কুলে প্রোগ্রাম ছিল সেই প্রোগ্রামে গিয়েছি। এখন আমি মেম্বারের বাড়িতে আছি।

মৌউকরন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) সাইদুল বলেন, সকালবেলা আমি এই খবর শুনতে পেয়ে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে যাই এবং আমি মেয়েকে জিজ্ঞেস করি- তুমি কেন এই বাড়িতে আসছো? সে আমাকে বলে- তাকে নাকি বিয়ে করছে। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করি- তোমার কাছে কাবিন আছে? সে বলে- কাবিন করে নাই কিন্তু কলেমা পড়েছে। তারপর আমি তাকে বলি- এই ছয় বছর তুমি কোথায় ছিলে। সে আমাকে বলে- বিভিন্ন জায়গায় সে আমাকে ভাড়া বাসায় রেখেছে।

তিনি বলেন, এই মহিলার আগের ঘরের একটি বাচ্চা আছে। সেই মেয়েটির এখন বিয়ের বয়স হয়েছে। অথচ তার স্বামী এখন পর্যন্ত বিয়ে করেনি। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি তোমার আগের ঘরের স্বামীকে যে তালাক দিয়েছো সেই তালাকের কাগজ আছে? সে কোনো উত্তর দিতে পারেনি। এরপর আমি চলে আসছি‌।

 

বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্নাতকোত্তর পাসের ভুয়া সনদ দাখিল করে ২৫বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ডৌয়াতলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। যার ডকেট নং ২৮১, তারিখ : ০৬.০২.২০২৩ ইং।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, জনবল কাঠামো ৯৫’র বিধিমালা লংঘন করে ১৯৯৫ তে অনার্স ফাইনাল বছরের ছাত্র থাকাকালীন তাকে ইংরেজি প্রভাষক পদে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০০ সালের মধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করতে পারলে তার নিয়োগ বৈধ বলে গন্য হবে। এই শর্ত বেসরকারী স্কুল ও কলেজ বিধি বর্হিভ‚ত। তবে ১৯৯৮ সালে স্নাতকের ছাত্র থাকাকালীন ২য় বিভাগে উত্তীর্ন দেখিয়ে নিয়োগ বৈধ করা হয়। ২০০১ সালে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় ৩য় বিভাগে তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এ ব্যাপারে তৎকালীন বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দিলে তদন্তে এই জালিয়াতি ধরা পরে বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৫ সালে তিনি (অধ্যক্ষ) কলেজ থেকে ইস্তেফা দিলে গভনিং বডির সভায় তার ইস্তফা পত্র অনুমোতিত হয় এবং তাকে এমপিও ভ‚ক্ত না করার জন্য তৎকালিন অধ্যক্ষ লিখিত ভাবে শিক্ষা বোর্ড কে অবহিত করেন। শিক্ষা বোর্ড সফিকুল ইসলামের ইস্তেফা পত্রসহ গভনিং বডির প্রস্তাব অনুমোদন করে। তার এমপিও বন্ধ করে দেন।

২০০৯ সালে সফিকুল ইসলামকে নতুন গভনিং বডি পূনঃ নিয়োগ দেন যা অবৈধ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সফিকুল ইসলামের জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ নেয়ার বিষয়টি তদন্তের দাবী করা হয়েছে অভিযোগে।

অভিযোগকারী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, সফিকুল ইসলামের আপন মামা গভর্নিং বডির সভাপতি হাওয়ায় তাকে অবৈধ ভাবে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিয়ে বিধিমালা লংঘন করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ সফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে সংবাদটি প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করে বলেন, চেয়ারম্যান আমাকে হয়রানী করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন। ২০০৫ সালে আমি এই ষড়যন্তকারীদের চাপের মুখে এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।